১৯ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ব্রেক্সিট বৈশ্বিক মহামন্দার ইঙ্গিত দিচ্ছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বিদায়কে (ব্রেক্সিট) ২০০৮ সালের মতো আরেকটি বৈশ্বিক মহামন্দার ইঙ্গিত বলে মনে করছেন কিছু বিশ্লেষক। কারণ ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজার এবং বিনিয়োগ খাতে পুরোদমে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের এই আতঙ্ক এবং বাজারের অচলাবস্থাকে বলা হচ্ছে ‘প্যানিক মোড’। এরই মধ্যে ব্রিটেনের পুঁজিবাজারে ধস নেমেছে। ধস নেমেছে ইউরোপ, এশিয়া এবং ওয়াল স্ট্রিটেও। পৃথিবীর বড় বড় ব্যাংক যেমন- মার্কিন মুলুকের জেপি মরগ্যান, গোল্ডম্যান স্যাক্স, স্কটল্যান্ডের রয়্যাল ব্যাংক, বার্কলেস, ক্রেডিট সুইস এবং জার্মানির ডয়েচে ব্যাংক ভয়াবহ পতনের সম্মুখীন হয়েছে।

অন্যদিকে ব্রিটিশ মুদ্রা পাউন্ডের পতন হয়েছে আশঙ্কাজনক হারে। বিনিয়োগকারীরা এখন হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন তুলনামূলক নিরাপদ মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের দিকে। অথচ এর হার এখন ২০১২ সালের পর সর্বনিম্নে এসে দাঁড়িয়েছে। ১০ বছর মেয়াদী মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের হার এখন ১.৪ শতাংশ। বিপরীত চিত্র স্বর্ণের দামে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়া বিনিয়োগকারীদের জন্য কোন সুখবর বয়ে আনবে না। কারণ, গত সব অর্থনৈতিক মন্দা এবং বাজার পতনের সময় স্বর্ণের দাম চড়া ছিল। শুক্রবার ওয়াল স্ট্রিটে বাজারের অস্থিরতা পরিমাপক সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ শতাংশ। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সম্প্রতি জানিয়েছে, বাজারের চাপ মোকাবেলার জন্য তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তারল্য সরবরাহের আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। সিএনএনের রিপোর্টে বাজার বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে বিনিয়োগকারীদের শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। এভারব্যাংক ওয়ার্ল্ড মার্কেটের প্রধান ক্রিস গ্যাফনে বলেন, ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়া যতটা না অর্থনৈতিক সঙ্কট, তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক সঙ্কট।

এতে তারল্য সঙ্কট তেমন একটা হবে না। তবে একটা বড় প্রভাব পড়তে পারে।

নির্বাচিত সংবাদ