১৬ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পায়েস-মুড়িতে ঈদ শুরু কারাবন্দিদের

পায়েস-মুড়িতে ঈদ শুরু কারাবন্দিদের

অনলাইন রিপোর্টার ॥ ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। এই আনন্দ আর খুশি থেকে বাদ যাচ্ছেন না কারাগরের বন্দিরাও। পায়েস-মুড়ি দিয়ে নাস্তার মাধ্যমে শুরু হয়েছে তাদের ঈদ আনন্দ। শেষটা হবে পোলাও আর মাংস দিয়ে। আজ বৃহস্পতিবার সারাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মতোই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ৭ হাজারেরও বেশি বন্দি একসাথে ঈদের জামাতে অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না, সাংবাদিক শফিক রেহমান, মাহমুদুর রহমান, ৭ খুন মামলার প্রধান আসামি তারেক সাঈদসহ অর্ধশতাধিক ভিআইপি বন্দি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবীর বাংলামেইলকে বলেন, কারাগারের বন্দিদের জন্য এদিনটা একটু ভিন্ন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গ না পেলেও ভরপুর খাওয়া-দাওয়া ও আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে দিনটি কাটে তাদের।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের ৬৮টি কারাগারে পায়েস আর মুড়ি দিয়ে শুরু হয় ঈদের সকাল। নাস্তা করে তারা কারাগারের ভেতরের মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন। দুপুরে বন্দিদের জন্য রয়েছে সাদাভাত, রুই মাছ আর আলুর দম। আর রাতের বিশেষ আয়োজনে তারা পাবেন পোলাও, গরু অথবা খাসীর মাংস, ডিম, মিষ্টান্ন এবং পান-সুপারি। তবে বেশির ভাগ কারাবন্দিদের জন্য ঈদের খাবার আসছে তাদের বাড়ি থেকেই। যা একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে খাচ্ছেন। বিশেষ দিনে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগার ছাড়া অন্যান্য কারাগারের বন্দিরা কারাগারের পাশাপাশি পরিবারের পাঠানো খাবার খেতে পারেন বলে কারা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা যায়, কারাগারের রেওয়াজ অনুযায়ী বন্দিদের ঈদের খাবার দেয়া হয়েছে। প্রতিবারই দুই ঈদে তাদের জন্য বিশেষ খাবারের এই আয়োজন করা হয়। তবে বন্দিরা পরিবারের সদস্যদের আনা বাইরের খাবার ভেতরে নেয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলে তারা বাইরের খাবার খেতে পারবেন।

দিনশেষে এবারও কারাগারে বান্দিদের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে সাধারণত কারাবন্দিরাই গান বাজনা করে থাকেন। এছাড়াও প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের দিনে কয়েদি ও হাজতিদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের দেখা করার বিশেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া