২৩ মে ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্লেটে এনে রাখা হলো আস্ত ব্যাঙ ফ্রাই, শার্ক, অক্টোপাসের ভর্তা

 প্লেটে এনে রাখা হলো আস্ত ব্যাঙ ফ্রাই, শার্ক, অক্টোপাসের ভর্তা

অনলাইন ডেস্ক॥ যখন উত্তরার শুটিং বাড়িতে পৌঁছলাম তখন প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। শিহাব শাহীনের একটা ঈদ নাটক নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত তাহসান। আমি মূলত একটা ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছিলাম আমাদের ফিচার পাতার জন্য। কথা বলতে চেয়েছিলাম মিথিলা আর তাহসানের বিজ্ঞাপনের রোমান্সের বিষয় গুলো নিয়ে। মেক-আপ রুমেই টুকটাক কথা হতে লাগলো। একটু ফ্রি হয়ে তাহসান একটা ফাঁকে রুমে নিয়ে এল আমাদের।

তাহসানের মুখোমুখি হলাম। প্রসঙ্গ কি আগেই বলেছি। তাহসান বললেন তারচেয়ে বরং এখনকার বিজ্ঞাপনের ঘটনা নিয়ে বলি? মজার একটা ঘটনা ঘটেছে। আমি বললাম হ্যাঁ বলেন। তাহসান বলতে শুরু করলেন- ‘বান্দরবানে শুটিং করছি। রাত তখন ৯টার মতো বাজে। পাহাড়ে রাত ৯টা মানে মধ্যরাত। ইউনিটের কয়েকজন বলল, রাতের খাবার বাইরে খাব। বাইরে বলতে বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ১৫-১৬ কিলোমিটার দূরে পাহাড়িদের একটা রেস্টুরেন্টে চাঁদের গাড়িতে (পাহাড়ে চলে এমন জিপ) রওনা হয়ে গেলাম। কী ভয়ংকর পাহাড়ি পথ। একটু এদিক-ওদিক হলেই পাহাড়ের খাদে পড়বে। আমাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র ভয় নেই। আমি গাড়িতে দাঁড়িয়ে পাহাড়ের নিশুতি বাতাস গায়ে মেখে যাচ্ছি। শাঁ শাঁ করে গাড়ি ছুটছে। ঠিক যেন স্কুল লাইফের মতো একটা মুহূর্ত পেয়ে গেলাম।'

যখন রেস্টুরেন্টে পৌঁছলাম তখন ক্ষুধায় পেট চো চো করছে। দ্রুত হাত ধুয়ে খেতে বসে আকাশ থেকে পড়ার উপক্রম। একি! খাবারের প্লেটে ব্যাঙ ভাজি—মানে আস্ত ব্যাঙ ফ্রাই, শার্ক, অক্টোপাসের একটা খাবার! আমি লাফ মেরে টেবিল থেকে উঠে পড়লাম। পরে অবশ্য আমার জন্য নরমাল খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।’ বলেই হেসে ওঠেন বর্তমান প্রজন্মের হার্টথ্রব এই মডেল-গায়ক-অভিনেতা।

এই মাত্রা পাওয়া