১৪ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আরেকবার কাঁদতে চান রোনালদো

আরেকবার কাঁদতে চান রোনালদো

অনলাইন ডেস্ক ॥ ২০০৪ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল। পর্তুগালের সোনালি প্রজন্ম প্রথমবারের মতো দেশকে চ্যাম্পিযন করবে ভেবেছিল সবাই। কিন্তু গ্রিস রূপকথা লিখে বুক ভেঙেছিল পর্তুগিজদের। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর বয়স তখন ১৯। ফাইনাল শেষে দারুণ প্রতিভাবান টিনএজারকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গিয়েছিল। এক যুগ পর আরেকটি ইউরোর ফাইনালও কান্না দিয়ে শেষ করতে চান রোনালদো। তবে এবার ফাইনাল জিতে আনন্দাশ্রুতে ভাসার স্বপ্ন দেখছেন।

ওয়েলস ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে এসেছিল। সেমিফাইনাল রোনালদোদের জন্য নতুন কিছু নয়। সেমিফাইনালে গোল করে ও করিয়ে পর্তুগালকে ২০০৪ সালের পর আবার ফাইনালে নিলেন রোনালদো। ২-০ গোলের জয় তাদের। ফ্রান্স অথবা জার্মানির সাথে শিরোপা লড়াইয়ে নামবে পর্তুগাল।

"আমাদের দল ফাইনালে উঠে দারুণ এক কাজ করলো। আশা করি রবিবার আমাকে আপনারা আনন্দে কাঁদতে দেখবেন।" ম্যাচের পর রোনালদো বলেছেন, "সব সময় বলেছি পর্তুগালের জন্য কিছু জিততে চাই। ১৩ বছর ধরে শীর্ষ পর্যায়ে আছি। পরিসংখ্যান নিশ্চয়ই মিথ্যে বলে না।"

রোনালদো আরো বলেছেন, "এটা একেবারে ভিন্ন...ওটা (২০০৪) আমার প্রথম ফাইনাল ছিল। অভিষেক ছিল। ১২ বছর কেটে গেছে তারপর। আরেকটি ফাইনাল খেলতে যাচ্ছি। পর্তুগালের জন্য জেতার স্বপ্ন দেখেছি সব সময়। আশা করি এটা আমাদের সময়। খুব আত্মবিশ্বাসী আমি। আমার এটা প্রাপ্য। পর্তুগালের প্রাপ্য। সব পর্তুগিজ মানুষের প্রাপ্য।" দেশের হয়ে কখনো বড় কোনো শিরোপা জেতা হয়নি রিয়াল মাদ্রিদের সুপারস্টার রোনালদোর। এখন বয়স ৩১। হয়তো দেশকে শিরোপা উপহার দেওয়ার শেষ সুযোগ এটি তার।

এবারের আসরে ৩টি গোল করলেন রোনালদো। গ্রুপ পর্বে করেছেন দুটি। বুধবার রাতে সেমিফাইনালে করলেন আরেকটি। টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম গোল করে চার ইউরোতে গোল করা ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হয়েছেন রোনালদো। ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ইউরো ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়ও তিনি। আর গেল রাতে আরেকটি গোল আরেকটি রেকর্ড গড়ল। ইউরোতে ফ্রেঞ্চ কিংবদন্তি মিশেল প্লাতিনির আছে ৯ গোল। ইউরোতে সর্বোচ্চ গোলের ওই রেকর্ড স্পর্শ করেছেন রোনালদো। ফাইনালে সেই রেকর্ড একার করে নিয়ে পর্তুগালকে প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন করার সুযোগ এখন রোনালদোর সামনে।

নির্বাচিত সংবাদ