২২ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গুলশান ও শোলাকিয়ার হামলাকারীরা জেএমবি: আইজিপি

গুলশান ও শোলাকিয়ার হামলাকারীরা জেএমবি: আইজিপি

অনলাইন ডেস্ক ॥ কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদগাহ মাঠের কাছে পুলিশের ওপর হামলাকারীরা জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক। শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

আইজিপি বলেন, ঈদগাহ মাঠে বড় ধরনের নাশকতা সংঘটনের জন্যই এ তৎপরতা চালায় তারা। তিনি আরও জানান, এই হামলায় অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলাকারীদের কানেকশন আছে বলে প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ঈদের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের কাছে এক চেক পয়েন্টে পুলিশের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। পরে পুলিশের সঙ্গে হামলাকারীদের বেশি কিছুক্ষণ গুলি বিনিময় হয়। এ ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্য ও এক হামলাকারীসহ চারজন নিহত হন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, যেখানেই ঘটনা ঘটছে, সেখানেই আইএস হামলা করেছে বলে দাবি করছে। যেমন আমেরিকাতে ৫০ জন মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, সেটাও আইএস করেছে বলে দাবি করছে। কিন্তু সেদেশের সরকার আইএসের বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

তিনি বলেন, আইএস কেন দাবি করছে, সেই লিংকটা এখন পর্যন্ত আমরা পায়নি। কোন ঘটনা ঘটলেই আইএস করেছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা কাদের মাধ্যমে করা হচ্ছে, কারা এ তথ্য দেয়, কি জন্য করে, সেই লিংকটা বের করার জন্য চেষ্টা করছি।

শোলাকিয়ার নিরাপত্তার বিষয়ে আইজিপি বলেন, হামলা হতে পারে এটা মাথায় রেখেই আমরা শোলাকিয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলাম। ওইদিন শোলাকিয়ায় ১ হাজার পুলিশ দায়িত্বে ছিল। পুলিশ ছাড়াও এখানে র‌্যাব ও এপিবিএন ছিল।

পুলিশ চেকপোস্ট চতুর্দিকে ছিল, নিশ্চিদ্র চেকপোস্টের জন্য তারা শোলাকিয়া ঈদগাহে যেতে পারছিল না, যার কারণে পুলিশের ওপর বোমা নিক্ষেপ করে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জামাত হয় কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া মাঠে। ঈদের দিন সেই জামাতে যারা বোমা মেরে মানুষ হত্যা করার পরিকল্পনা করেছিল তারা ইসলামের শত্রু, তারা মানবতার শত্রু।

এর আগে আইজিপি জঙ্গিদের হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং হামলার সময় নিহত ঝর্ণা রানী ভৌমিকের বাড়ি পরিদর্শন করে তার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন।