২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

‘পোস্টার বয়’ জঙ্গীর মৃত্যুতে থমথমে কাশ্মীর, স্থগিত অমরনাথ যাত্রা

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যে কার্ফু জারি সত্ত্বেও হিজবুল মুজাহিদীন জঙ্গী বোরহান ওয়ানির মরদেহ নিয়ে শনিবার রাস্তায় নামে উপত্যকার হাজারো বাসিন্দা। বোরহানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুক্রবারেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শ্রীনগর ও দক্ষিণ কাশ্মীরের বেশকিছু এলাকা। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ শামিল হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে দফায় দফায় গণ্ডগোল হয় তাদের। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এমন আঁচ পেয়েই রাজ্য প্রশাসন শ্রীনগর ও দক্ষিণ কাশ্মীরের বেশকিছু জায়গায় কার্ফু জারি করে। রাজ্যের উত্তেজনাপ্রবণ জায়গাগুলোতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। স্থগিত করে দেয়া হয় অমরনাথ যাত্রা। বোরহানের মৃত্যুর প্রতিবাদে হুরিয়ত চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী গিলানি ও জেকেএলএফ চেয়ারম্যান ইয়াসিন মালিক শনিবার হরতালের ডাক দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভূস্বর্গ যেন ফের উত্তপ্ত না হয়, সে কারণে হুরিয়তের একাধিক শীর্ষ নেতাকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে। শুক্রবার সেনা ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বুমডুরা গ্রামে কাশ্মীরে হিজবুলের ‘পোস্টার বয়’ ২১ বছর বয়সী বোরহানসহ তিন জঙ্গীকে হত্যা করে। স্কুলশিক্ষকের ছেলে বুরহান কাশ্মীরের একজন হাই প্রোফাইল হিজবুল জঙ্গী ছিল। তার মৃত্যুর পর এক সেনা মুখপাত্র জানান, যেভাবে উপত্যকায় তার নেতৃত্বে নতুন মোড়কে সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিচ্ছিল সেদিক থেকে দেখতে গেলে এটা একটা বিরাট সাফল্য সেনা ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের।

ইন্দোনেশিয়ায় ট্রাফিক জ্যামে ১২ জনের মৃত্যু

ইন্দোনেশিয়ায় ট্রাফিক জ্যামে আটকে থেকে পানি স্বল্পতা ও ক্লান্তির কারণে অন্তত পক্ষে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির জাভা দ্বীপে তিন লেনের রাস্তায় কয়েকদিন ধরে সারাদিনই ট্রাফিক জ্যাম ছিল। ঈদ পালনের উদ্দেশে অসংখ্য মানুষ তাদের গ্রামের বাড়িতে ভ্রমণ করছিলেন। কিন্তু একটি একক ট্রাফিক মোড়ে তারা অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। খবর বিবিসির।

ট্রাফিক জ্যামে আটকে থেকে মৃত্যুবরণকারীদের অধিকাংশই বয়স্ক মানুষ। গাড়ি উত্তপ্ত হয়ে যাওয়ায় তাদের এই পরিণতি হয়েছে। একটি শিশু বিষাক্ত ধোঁয়ার কারণে মারা যায়। দ্বীপটির যেখানে ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হয়েছিল সেখানে সপ্তাহজুড়েই দিনের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩০ সেলসিয়াস। কর্তৃপক্ষ জরুরী চিকিৎসাসেবার প্রয়োজনে হটলাইট প্রতিষ্ঠা করে গাড়ির চালকদের জরুরী প্রয়োজনে ফোন করার আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু কেউ অসুস্থ বোধ করলে কীভাবে জরুরী চিকিৎসাকারী দল সেখানে পৌঁছবে সে বিষয়টি পরিষ্কার নয়।

পরিবহন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে রবিবার ও মঙ্গলবারের মধ্যে এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটেছে। দ্বীপটিতে ১৩ মাইলেরও বেশি দীর্ঘ ট্রাফিক জ্যাম ছিল। পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হেমি প্রামুরাহারজো বলেন, ‘রাস্তায় কোন খালি জায়গা নেই। এর সমাধান আমাদের কাছে নেই।’ ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা অনেক দূরে গাড়িতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছেন তাদের বিশ্রাম নেয়া এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণ করা প্রয়োজন।