২২ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এমপির ভাই বলে কথা!

নিজস্ব সংবাদদাতা, পটিয়া, ৯ জুলাই ॥ হাইওয়ে পুলিশের এক অফিসারকে চড়-থাপ্পড়সহ বেধড়ক পেটালেন চট্টগ্রামের পটিয়ার সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর ছোট ভাই মুজিবুল হক চৌধুরী ওরফে নবাব।

যানজটের ইস্যু তুলে ঈদের দ্বিতীয় দিন রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহা সড়কের পটিয়া শান্তিরহাট এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের উপ-সহকারী পরিদর্শক জাকিরকে এই মারধর করা হয়। শুধু তাই নয়, ঘটনার পৌনে এক ঘণ্টা পর হাইওয়ে পুলিশের ওই এএসআইকে সন্ত্রাসী কায়দায় আরেক দফায় পেটানো হয়।সএ সময় এমপির ভাই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ওই পুলিশ অফিসারকে প্রকাশ্যে চড়-থাপ্পড় মারেন। খবর পেয়ে পটিয়া থানা পুলিশ ও পটিয়া-ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জিল্লুর রহিম ঘটনাস্থলে যান। তবে ততক্ষণে এমপির ভাই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন। জানা গেছে, মহাসড়কে যানজট নিরসন করতে ঈদের দ্বিতীয় দিন পটিয়া শান্তিরহাট এলাকায় দায়িত্বপালন করছিলেন হাইওয়ে পুলিশের এএসআই জাকির। প্রতি বছরের মতো সকাল থেকেই মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানজট লেগে ছিল। পটিয়া এমপির ভাই নবাব রাত ৮টার দিকে নিজের প্রাইভেট কার নিয়ে বাড়ি থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে ফিরছিলেন। নবাব শান্তিরহাট এলাকায় যানজটের কবলে পড়েন। ওই সময় জাকির হোসেনকে এমপির ভাই অতর্কিত মারধর শুরু করে। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সাময়িক) এসআই শাহ আলম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এমপি স্যারের ভাই হাইওয়ে পুলিশের অফিসারকে মারধর করার খবর পেয়ে রাতে থানার উপ-পরিদর্শক আমিনুল ইসলামসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। ওসি স্যার ঈদের ছুটি থেকে থানায় এলেই বিষয়টি আশা করি সমাধান হবে।

রূপগঞ্জে গ্রামবাসীর ওপর হামলা ॥ আহত ১৫

জমি নিয়ে বিরোধ

নিজস্ব সংবাদদাতা, রূপগঞ্জ, ৯ জুলাই ॥ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ড্রেজারের পাইপ বসাতে না দেয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ভূমিদস্যুরা নিরীহ গ্রামবাসীর ওপর হামলা চালিয়েছে। দোকানপাট, বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।

গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণে এলাকায় চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ নিরীহ গ্রামবাসী। পুলিশ দুই হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার ঈদের নামাজের পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের রুহিলা এলাকায় এ হামলা হয়। এদিকে, ড্রেজারের পাইপ বসাতে না দেয়াকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ঈদের নামাজের পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডাকাত ও বোমা ইসমাইলের নেতৃত্বে জামান, সুলতান, সোহেল, ইউনুছ, মোস্তাফিজ, আরিফসহ দুই শতাধিক মুখোশধারী সশস্ত্র ব্যক্তি রুহিলা গ্রামবাসীর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ৩০ থেকে ৪০টি ককটেল বিস্ফোরণ ও বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।