১৮ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের ইউপি নির্বাচনে ফলাফলে কারচুপি ॥ ভোট পুনঃ গণনার নির্দেশ

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের ষষ্ঠ দফা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের ফলাফলে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে সুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের রীট পিটিশনের প্রদত্ত রায়ে ১৫ দিনের মধ্যে ভোট পুনঃ গণনার আদেশ দেয়া হয়েছে। অথচ সাঘাটা উপজেলা রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন অফিসার তা বাস্তবায়ন করছেন না। রবিবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে ভোট পুনঃ গণনাসহ এর প্রতিকার দাবি করেছেন নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম মন্ডল।

সংবাদ সম্মেলন উল্লেখ করা হয়, গত ০৪ জুন ২০১৬ অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম মন্ডল ১ হাজার ৯শ’ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়। কিন্তু হলদিয়া ইউনিয়নের চর হলদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরগোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নলছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উত্তরদিঘলকান্দি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে ভোট কারচুপির মাধ্যমে তার ভোট কম করে ১ হাজার ৬শ’ ২ ভোট দেখানো হয়। বেআইনীভাবে তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াকুব আলীকে ১ হাজার ৭শ’ ভোট পাওয়া সত্ত্বেও প্রিজাইডিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারের যোগসাজসে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এব্যাপারে সাঘাটা উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিতভাবে ভোট পুনঃ গণনার আবেদন করা হলেও তা প্রত্যাখান করা হয়। অবশেষে বাধ্য হয়ে রফিকুল ইসলাম মন্ডল গত ১৩ জুন ২০১৬ সুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে রীট পিটিশন দাখিল করে। হাইকোর্ট ডিভিশন তার রায়ে রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে গত ২৬ জুন ২০১৬ তারিখে ১৫ দিনের মধ্যে আইনগতভাবে ভোট পুনঃ গণনার নির্দেশ দেন। কিন্তু উপজেলা নির্বাচন অফিসার লুৎফর রহমান ও রিটার্নিং অফিসার এখন পর্যন্ত এব্যাপারে কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে নানা তালবাহানা শুরু করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মো. রেজাউল করিম, আব্দুল লতিফ প্রধান, মো. জালাল উদ্দিন, মো. আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।