১৭ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ডালাসে ফের হামলার হুমকি, সতর্কাবস্থায় পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস শহরে স্নাইপার আক্রমণ এবং মিনেসোটা ও লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যে পুলিশের গুলিবর্ষণের পর দেশটির শহরে শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার নামে আফ্রিকান-আমেরিকানদের একটি সংগঠনের ব্যানারে এসব বিক্ষোভ হচ্ছে। নর্থ ক্যারোলাইনার কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃবৃন্দ সকলকে শান্ত ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে কয়েকদিনের সহিংসতার পর শনিবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ডালাসের পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, নতুন করে হামলার হুমকি পাওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতি এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে স্নাইপার আক্রমণে পাঁচ পুলিশ নিহত হয়। শনিবার ডালাস পুলিশের দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার হুমকি পাওয়ার পর ডালাস পুলিশকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান হয়েছে। খবর- ইয়াহু নিউজ ও বিবিসির।

ডালাসে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গুলি করে পাঁচজন পুলিশকে হত্যা এবং লুইজিয়ানা ও মিনেসোটায় পুুলিশের গুলিতে দুই কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যুর পর পরিস্থিতি এখন উত্তপ্ত রয়েছে। তিন দিনে তিনটি ঘটনায় জাতিগত ইস্যুতে মার্কিন সমাজে বিভক্তি মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। পুলিশের সঙ্গে সমাজের একটি অংশের দূরত্ব ক্রমাগত বাড়ছে। নাগরিক অধিকার গ্রুপ এনএএসিপির প্রধান উইলিয়াম বারবার বলেছেন, ‘গত ৭২ ঘণ্টার পরিস্থিতির লক্ষ্য করলে দেখা যাবে সহিংসতা কিভাবে মাথাচাড়া দিচ্ছে। মিনেসোটায় চারবার গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন কৃষ্ণাঙ্গ মারা গেছে, ব্যাটন রুজে পুলিশ পাঁচবার এবং ডালাসে ৫০ থেকে ৬০ বার গুলিবর্ষণ করেছে। সহিংসতা আমাদের সামনে এগিয়ে নেবে না। লুইজিয়ানার ব্যাটন রুজে আল্টন স্টারলিং ও মিনেসোটাটর সেন্ট পলে ফিলান্ড্রো কাস্টিল নামে দুই কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হওয়ার পর নর্থ ক্যারোলাইনোর রালিতে বারবার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ‘সহিংসতার সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’ গত কয়েকদিনের সহিংসতায় ডালাসের পাঁচ পুলিশ নিহত হওয়ার ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রাধান্য পেলেও কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার ঘটনাগুলো সেভাবে আসেনি। কিন্তু এ নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচী থেমে নেই।

মধ্যপ্রদেশে বন্যায় ১১ জনের মৃত্যু

ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে টানা ভারি বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যায় গত কয়েকদিনে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনে রাজ্যে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও বন্যায় আট ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দু’জন ভুপালে এবং টিকমগড়, রেওয়া, ঝাবুয়া, বেতুল, রাইসেন ও পান্নায় একজন করে মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। খবর ওয়েবসাইটের।

রাজ্যের সাতনা জেলার ৪০০ বন্যার্তকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে সেনাবাহিনী।