১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

৭০ বিহারী ক্যাম্প উচ্ছেদে স্থিতাবস্থা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশের ৭০টি বিহারী ক্যাম্প উচ্ছেদ কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন আপীল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি। ফলে আপাতত এসব ক্যাম্পে কোন উচ্ছেদ অভিযান চালানো যাবে না বলে নিশ্চিত করেছেন রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। রবিবার চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এই আদেশ দেন। আদালতে বিহারীদের পক্ষে শুনানি করেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত মজুমদার। তার সঙ্গে ছিলেন সাঈদ আহমেদ রাজা। সাঈদ আহমেদ রাজা বলেন, বিহারীদের করা রিটের প্রেক্ষিতে ২০০৫ সালের ১৭ জুন হাইকোর্ট রুল জারি করেন। চলতি বছর ২৯ মার্চ সেই রুল ডিসচার্জ করে পর্যবেক্ষণসহ বিহারিদের করা রিটসমূহ খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। আমরা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ৩০ জুন উচ্চ আদালতে আবেদন করি। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার চেম্বার বিচারপতি উচ্ছেদ কার্যক্রমের ওপর চার সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে উভয় পক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে গত ২৯ মার্চ বিহারী ক্যাম্পের আশপাশে সরকারী জমিতে বসবাসকারী অবাঙালীদের উচ্ছেদ করা যাবে বলে রায় দেন হাইকোর্ট। উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ চেয়ে বিহারীদের করা ৯টি রিট পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করে দেন হাইকোর্টের বিচারপতি মোঃ মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।

জীবনের ঝুঁকি

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মালামাল বহনকারী ট্রাকচালক খুবই ক্লান্ত। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাকের চাকার নিচে ঘুমে বিভোর। কিন্তু দুর্ঘটনাবশত ট্রাকটি নড়াচড়া করলেই চালক চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার পরও অনেক সময় মহাসড়কের পাশে এভাবেই চালকদের ঘুমিয়ে থাকতে দেখা যায়। ছবিটি রবিবার শ্যামবাজার থেকে তোলেন দৈনিক জনকণ্ঠের নিজস্ব আলোকচিত্রী।

আয় বাড়াতে

সংসারের আয় বাড়াতে ক্ষুদ্র পুঁজি নিয়েই হাঁস পালন করছেন করিম মিয়া। রাজধানী ঢাকার মিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে হাঁস পালন করে আসছেন তিনি। আর তা বাজারে বিক্রি করে ভাল আয় করেন করিম। প্রতি পিস হাঁস তিনি বিক্রি করেন আড়াইশ’ টাকা করে। হাঁস বিক্রির মাধ্যমে তার সংসারে ফিরে এসেছে সচ্ছলতা। ছবিটি তুলেছেন জনকণ্ঠের নিজস্ব আলোকচিত্রী।