২২ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে

সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে
  • আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে যোগ হচ্ছে আরও আধুনিক অস্ত্র ;###;বন্ধ হলো বিতর্কিত পিস টিভি ;###;জুমার নামাজের খুতবা, বয়ান ও বিভিন্ন স্থানের ওয়াজ মাহফিল মনিটরিং হবে

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ দেশে জঙ্গী তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকল শ্রেণীর মানুষকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক বিপ্লব গড়ে তোলার পাশাপাশি জুমার নামাজের খুতবা ও বয়ান এবং বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত ওয়াজ-মাহফিলের তর্জমা মনিটরিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। হঠাৎ আক্রমণ প্রতিরোধে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশী টহল বাড়ানোর পাশাপাশি জঙ্গী দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাদের দেয়া হবে আরও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। এছাড়া বাংলাদেশে পিস টেলিভিশনের সম্প্রচার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এদিকে জঙ্গীবাদ ও সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়ার অভিযোগে কথিত ধর্মীয় বিতর্কিত বক্তা জাকির নায়েকের পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্তে সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিভিন্ন ইসলামী দল ও সংগঠন। শিল্পমন্ত্রী বলেন, জঙ্গী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সামাজিক যোগাযোগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দেশের সকল শ্রেণীর মানুষকে এতে সম্পৃক্ত করে সামাজিক বিপ্লব গড়ে তোলা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি দেশের সকল স্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এ জঙ্গীবাদ মোকাবেলা করা হবে। তিনি বলেন, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে ইমাম সাহেবরা যে বয়ানগুলো দেন এবং বয়ানগুলোর ধরন কী, তা মনিটরিং করা এবং সেগুলোর ব্যাপারে লক্ষ্য রাখার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ওয়াজ-মাহফিলের তর্জমাও মনিটরিং করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে বলা হয়েছেÑ জঙ্গীবাদ মোকাবেলায় জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। কোথাও অপরিচিত ও সন্দেহভাজন লোকের আনাগোনা দেখলে সম্ভব হলে নিজেরা তা মোকাবেলা করবেন। আর বেপরোয়া মনে হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেবেন। হঠাৎ কোন জঙ্গী হামলা যাতে ঘটতে না পারে সে লক্ষ্যে প্রতি এলাকায় পুলিশী টহল বাড়ানো হবে। বাড়ানো হবে গোয়েন্দা তৎপরতাও। সাদা পোশাকে পুলিশ বিভিন্ন এলাকা মনিটরিংয়ে রাখবে। বৈঠকে বলা হয়, রাজধানীতে বেশকিছু মসজিদে শুক্রবারে জুমার নামাজের সময় আপত্তিকর, উস্কানিমূলক বয়ান দেয়া হয়। এ জাতীয় বয়ান যাতে না দিতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ লক্ষ্যে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন গোয়েন্দা সদস্যরা শুক্রবারে পর্যায়ক্রমে বা নির্ধারিত এলাকার মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যাবেন। কোন মসজিদে উস্কানিমূলক খুতবা বা বয়ান দিলে প্রথমে তার প্রতিবাদ করবেন। প্রয়োজনে সতর্ক করবেন। এরপরও করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মন্ত্রী বলেন, যারা ধর্মপ্রাণ মুসলমান, যারা ওয়াজ-মাহফিল করেন, জুমার দিন খুতবা পড়েন, তাদের কাছে অনুরোধ থাকবেÑ প্রকৃত ধর্মীয় অনুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এদের (সন্ত্রাসী) বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। তিনি বলেন, গুলশানের ‘রেসিডেন্সিয়াল এরিয়ায়’ যত্রতত্র গড়ে ওঠা রেস্তরাঁ, হসপিটাল, বিভিন্ন ধরনের স্কুল-কলেজগুলোকে তদারকির আওতায় আনা হবে। বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্তভাবে এ ধরনের স্থাপনা যাতে গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারের বিনা অনুমতিতে যে সকল প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, তা বন্ধ করে দেয়া হবে।

সন্ত্রাসী হামলাগুলোর মূল পরিকল্পনাকারীদের ধরতে পেরেছেন কিনা? বিদেশীরা এখনও আতঙ্কের মধ্যে আছেনÑ এমন প্রশ্নের জবাবে আমু বলেন, তাদের (বিদেশী) যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

আমরা কী করছি সব যদি বলে দেই তবে তো তারা (সন্ত্রাসী) জেনে যাবে। আপনারা এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন, যে ঘটনাগুলো ঘটেছে এর পরিপ্রেক্ষিতে যা যা করা দরকার, সিকিউরিটি মেজার (নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা) যেগুলো নেয়া দরকারÑ সবই নেয়া হচ্ছে বলে জানান আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এই নেতা। তিনি বলেন, প্রয়োজনে বিদেশী যে সকল প্রকল্প রয়েছে সেখানে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেয়া হবে।

আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হকসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিতর্কিত ইসলামী বক্তা জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে ‘জঙ্গীবাদে উৎসাহ যোগানোর’ অভিযোগ ওঠার পর তার পিস টিভির সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রবিবারের ওই বৈঠকে ‘জঙ্গীবাদে উৎসাহ যোগানোর’ অভিযোগের মুখে থাকা বিতর্কিত ইসলামী বক্তা জাকির নায়েকের পিস টিভির সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়ার কথাও জানানো হয়।

গত ১ জুলাই গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহতম জঙ্গী হামলার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে অন্তত দুজন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জাকির নায়েকের মতো ইসলামী বক্তাদের নিয়মিত অনুসরণ করতেন। তার কথায় প্ররোচিত হয়ে ভারতের কয়েক তরুণ আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় পাড়ি জমিয়েছে বলেও খবর এসেছে।

তথ্যমন্ত্রী ॥ মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের বিষয়ে সোমবার প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেবে তথ্য মন্ত্রণালয়। রবিবার প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ মিলনায়তনে টেলিভিশনের মালিক ও প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে এক বৈঠকের শুরুতে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি বাংলাদেশে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এ ব্যাপারে তথ্য মন্ত্রণালয় আজ সোমবার পুরো বিষয় পরীক্ষা করে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেবে। পিস টিভি বহু ক্ষেত্রে মুসলমান সমাজের কোরান, সুন্নাহ, হাদিস, বাংলাদেশের সংবিধান, দেশজ সংস্কৃতি, রীতি-নীতি, আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

জাকির নায়েক পরিচালিত মুম্বাইভিত্তিক ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিষ্ঠান হলো এই পিস টিভি। এ টিভিতে ধর্ম নিয়ে আলোচনায় ইসলামের যে ব্যাখ্যা তিনি দেন, তা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

গত ১ জুলাই গুলশানে বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহতম জঙ্গী হামলার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে অন্তত দুইজন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জাকির নায়েকের মতো ইসলামী বক্তাদের নিয়মিত অনুসরণ করতেন। তার কথায় প্ররোচিত হয়ে ভারতের কয়েক তরুণ আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় পাড়ি জমিয়েছে বলেও খবর এসেছে। এ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর জাকির নায়েকের বিষয়ে উদ্যোগী হয় ভারত সরকার। মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। মুম্বাইয়ে তার অফিস ঘিরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ভারতের সম্প্রচারমন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু শুক্রবার ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, আমরা অভিযোগ তদন্ত করছি। কারণ এটা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা, সেই সঙ্গে সামাজিক সম্প্রীতির জন্যও হুমকি। এদিকে বাংলাদেশেও পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের দাবি জোরালো হয়ে উঠতে থাকে।

বাংলাদেশ কেবল ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মীর হোসেন আখতার শুক্রবার বলেন, আমরা পুরো দেশেই চ্যানেলটি বন্ধ করে দিতে চাচ্ছি। তবে সরকারের কোন নির্দেশনা না থাকায় এ মুহূর্তে তা সম্ভব হচ্ছে না।

কেবল অপারেটরদের অপর সংগঠন কেবল অপারেটার্স বাংলাদেশের (কব) সাবেক সভাপতি এস এম আনোয়ার পারভেজ বলেন, আমাদের দেশটা শান্তিপ্রিয় দেশ। আমাদের কোন প্রয়োজন নেই পিস টিভির।

পিস টিভি বন্ধে বিভিন্ন ইসলামী দল ও সংগঠনের অভিনন্দন

জঙ্গীবাদ ও সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়ার অভিযোগে কথিত ধর্মীয় বিতর্কিত বক্তা জাকির নায়েকের পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্তে সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিভিন্ন ইসলামী দল ও সংগঠন। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার নেতৃবৃন্দ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে যেসব আলোচক পিস টিভির অনুষ্ঠানে গিয়ে জঙ্গীবাদের পক্ষে কথা বলেছেন তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। পিস পাবলিকেশন ও পিস স্কুলও নিষিদ্ধ করতে হবে।

জঙ্গীবাদের উস্কানিদাতা ভারতের বিতর্কিত জাকির নায়েকের পরিচালনাধীন পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় সরকারকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান আল্লামা অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল করিম সিরাজনগরী ও নির্বাহী মহাসচিব আল্লামা মাসউদ হোসাইন আল কাদেরী এক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, বাংলাদেশের কোটি কোটি শান্তিকামী, ধর্মপ্রাণ নাগরিকের দাবির মুখে পিস টিভি বন্ধ করা হলো। তবে এখনও হাজার হাজার জঙ্গীবাদের উস্কানিমূলক বক্তব্য ইউটিউবে ছড়িয়ে আছে। এগুলোকে ইউটিউব থেকে অপসারণসহ পিস পাবলিকেশন ও পিস স্কুল বন্ধ করা অপরিহার্য। জাকির নায়েকের পরিচালনাধীন পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আল্লামা এমএ মান্নান, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব স.উ.ম. আব্দুস সামাদ ও সাংগঠনিক সচিব আ.ন.ম. মাসউদ হোসাইন আল কাদেরী এক যুক্ত বিবৃতিতে সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা বিবৃতিতে বলেন, শুধু পিস টিভি বন্ধ করলেই চলবে না। পিস পাবলিকেশন, পিস স্কুল বন্ধ করাসহ ওদের পৃষ্ঠপোষক এবং মতাদর্শ লালনকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে পারলেই বাংলাদেশ থেকে জঙ্গীবাদকে সমূলে নির্মূল করা সম্ভব।

ধর্মের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টিকারী জাকির নায়েকের পরিচালনাধীন পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুহাম্মদ ফিরোজ আলম ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ মোস্তফা জিলানী অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা বলেন, কেবল পিস টিভি বন্ধ করাই যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশ থেকে যে সকল আলোচক পিস টিভির অনুষ্ঠানসমূহে অংশগ্রহণ করতেন তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা দরকার এবং পিস পাবলিকেশন, পিস স্কুলও বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি। পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় সরকারকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার সভাপতি মুহাম্মদ নুরুল হক চিশতী ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ছাদেকুর রহমান খান এক বিবৃতিতে অভিনন্দ জানিয়ে বলেন, পিস টিভি বন্ধ হলেও ওদের মতাদর্শের ধারক-বাহকদের ইসলামের অপব্যাখ্যা আর দেশবিরোধী বক্তব্য এখনও বন্ধ হয়নি। তাছাড়া পিস পাবলিকেশন ও পিস স্কুলের মাধ্যমে হাজার হাজার নিব্রাস ইসলাম আর রোহান তৈরি করা হচ্ছে বাংলাদেশকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান বানানোর জন্য। আর তাই পিস টিভির দেশদ্রোহী আলোচক গংদের গ্রেফতার এবং পিস পাবলিকেশন ও পিস স্কুল নিষিদ্ধের জোর দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।