১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আট মিনিটে মাঠের বাইরে রোনালদো

আট মিনিটে মাঠের বাইরে রোনালদো

অনলাইন ডেস্ক॥ ৮ মিনিটে পায়েত ট্যাকল করলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে। পড়ে গেলেন রোনালদো। পায়েত কি ইচ্ছে করেই এমন ট্যাকল করেছিলেন? এটাই প্রশ্ন এখন। দেখতে নিরীহ ওই ট্যাকলে রোনালদোর ইউরো ফাইনাল শেষ হয়ে গেছে ২৪ মিনিট খেলেই। হাঁটুর ইনজুরি নিয়ে মাঠের বাইরে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে ফিরলেও রোনালদো খেলতে পারেননি। চোখের জলে বিদায় নিয়েছেন স্ট্রেচারের করে। আর প্যারিসের স্তাদ দি ফ্রান্সে ইউরো ২০১৬ এর ফাইনালের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য ভাবে। কোনো দলই গোল পায়নি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটেও কোনো দল গোল পায়নি। খেলা গেছে অতিরিক্ত সময়ে।

তখন খেলা শুরু হয়েছে মাত্র। রোনালদো পর্তুগালের মূল ভরসা। কিন্তু পায়েতের ট্যাকলে তিনবারের বিশ্ব সেরা ফুটবলার মাঠ ছাড়লেন চিকিৎসা নিতে। কয়েক মিনিট পর ফিরলেও আর পারলেন না। কিছুক্ষণ পর মাঠে বসে পড়লেন। হতাশায় আর্মব্যান্ড ছুড়ে মারলেন। মাঠে বসেই শিশুর মতো কাঁদতে শুরু করলেন রোনালদো। হতবিহবল। আবেগের কাছে হেরে তবু সময় নষ্ট করা চলে না। নানিকে আর্মব্যান্ড পরিয়ে দিলেন। তারপর স্ট্রেচারে করে রোনালদো বিদায় নিলেন দুই হাতে মুখ ঢেকে। কান্না সঙ্গী তার।

২০০৪ এ দেশ পর্তুগালের হয়ে ইউরোর ফাইনালে খেলেছিলেন রোনালদো। হেরেছিলেন গ্রীসের কাছে। কান্নায় ভেঙেছিলেন ১৯ বছরের রোনালদো। ৩১ বছরের রোনালদো সেই আসরের পর আবার কোনো বড় আসরের ফাইনালে উঠলেন। বলেছিলেন, এই ফাইনালের পর আনন্দ্রাশ্রু নিয়ে মাঠ ছাড়বেন। ফুটবল দেবতা তা হতে দিলেন না। কাঁদলেন রোনালদো আবার। হয়তো দেশের পক্ষে শিরোপা জেতার শেষ সুযোগটা এভাবে শেষ হয়ে গেলো বলেই বেশি।

এই ফাইনালে দুইবারের ইউরো চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ফেভারিট। স্বাগতিক তারা। সমর্থনে এগিয়ে লা ব্লুজরা। দলও ভালো তাদের। এই আসরে ৬ গোল করে ফ্রান্সের বীর ফরোয়ার্ড আন্তোইন গ্রিজমান। ফাইনালের শুরুতে ফরাসিদের প্রথম সেরা সুযোগটি তৈরি করেছিলেন তিনিই। বাঁ পাশ থেকে পায়েত বল তুলেছিলেন। ছোটোখাটো গড়নের গ্রিজমানের বিপজ্জনক হেডে বল জালে ঢুকছিল। বাতাসে ভেসে বল বাইরে পাঠিয়েছেন গোলকিপার পাত্রিসিও। কর্নার থেকে তৈরি বলকে অলিভার গিরুদও হেডে জালে পাঠাতে চেষ্টা করেছিলেন। বাধা হয়েছেন পাত্রিসিও। এরপর খেলা চলেছে আক্রমণ প্রতি আক্রমণে। তাতেও শ্রেষ্ঠত্ব ছিল ফরাসিদের। পর্তুগাল ভয় ধরানো কোনো আক্রমণ করতে পারেনি। কোনো গোল হয়নি প্রথমার্ধে।