২২ নভেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি গোবিন্দ প্রামাণিক হিন্দু মহাজোটের স্বঘোষিত মহাসচিব

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কোন দল বা শক্তির সঙ্গে কোন সম্পর্ক না থাকার দাবি করেছে জাতীয় হিন্দু মহাজোট। কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি, কোনদিন নিজস্ব ব্যানারে সংগঠনের নাম হিন্দিতে লেখা হয়নি। এসব কাজ যারা করেছে তাদের সঙ্গে জোটের কোন সম্পর্ক নেই। নেতৃবৃন্দ বলছেন, হিন্দু মহাজোটের সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি পক্ষ এটি করতে পারে। হিন্দু মহাজোট অরাজনৈতিক নিরপেক্ষ হিন্দু অধিকার আদায়ের সংগঠন। কোন রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিকে খুশি করা বা কোন রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন হিন্দু মহাজোটের কাজ নয়।

শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংগঠনের নেতারা। পাশাপাশি আসন্ন দুর্গাপূজায় তিন দিন সরকারী ছুটি ঘোষণা, সংসদে ৬০ সংরক্ষিত আসন, হিন্দু নেতা ও পুরোহিতদের হুমকিদাতাদের গ্রেফতারসহ সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলন থেকে। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২০ জুন ‘দৈনিক জনকণ্ঠ’ পত্রিকায় একটি কলামে অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব হিসেবে এ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের নাম ব্যবহার করে লিখেছেন যে তিনি জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত ও রাজাকার গোলাম আযমকে গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেছিলেন। এতে করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার করতে বলেছেন। আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সঙ্গে জামায়াত তো দূরের কথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কোন দল বা শক্তির সঙ্গে কোন সম্পর্ক নেই। যদি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির সঙ্গে কেউ জড়িত থাকে আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।

নেতৃবৃন্দ বলেন, অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন যে ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন তার সঙ্গে বর্তমানে হিন্দু মহাজোটের কোন সম্পর্ক নেই। এ্যাড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক হিন্দু মহাজোটের স্বঘোষিত মহাসচিব। কারণ হিন্দু মহাজোটের বর্তমান মহাসচিব আনন্দ কুমার বিশ্বাস ও সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায়।

বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী শ্যামল কুমার রায়, আনন্দ কুমার বিশ্বাস, সুকৃতি কুমার ম-ল, ডিসি রায়, বাদল দত্ত, সুশীল মাহাত, ডাঃ নিমাই চন্দ্র আর্য, অঞ্জন সরকার, প্রভাষক বিপুল বিশ্বাস, ব্রিটিশ কর্মকার, রামকৃষ্ণ দাস, পলাশ কান্তি দে প্রমুখ।