১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইউএস বাংলার ফ্লাইটে ছিলেন ৩২ বাংলাদেশি

ইউএস বাংলার ফ্লাইটে ছিলেন ৩২ বাংলাদেশি

অনলাইন রিপোর্টার ॥ কিছুক্ষণ আগে সোমবার বিকাল পাঁচটার দিকে ইউএস বাংলার কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলন করেন ইউএস বাংলা মুখপাত্র।

এসময় ইউএস-বাংলার একজন মুখপাত্র জানান, ফ্লাইটটিতে মোট ৭১ যাত্রী ছিলেন, যাদের মধ্যে ৩৩ জন নেপালী, ৩২ জন বাংলাদেশী, ১ জন মালদ্বীপ এবং ১ জন চীনা নাগরিক ছিলেন।

ইউএস বাংলার পক্ষ থেকে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করতে ২জনকে কাঠমাণ্ডুতে পাঠানো হয়েছে। তারা জানিয়েছেন প্রতি এক ঘণ্টায় তারা সংবাদ সম্মেলন করবেন।

এছাড়াও তিনি আরো জানান, ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ৭৮ আসনের বিমানটিতে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু মেম্বার ছিলেন। এই বিমানের পাইলটের নাম ক্যাপটেন আবেদ।

পরিচয় মিলেছে কাঠমাণ্ডুতে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স-এর বিমানে থাকা আরও চার যাত্রীর।

তারা হলেন মো. খাজা হোসেন, পৃথিলা রশিদ, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল হোসেন, এবং রুয়েটের সহকারী অধ্যাপক ইরানা কবীর হাসি।

এর আগে জানা যায় বিমানটিতে ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের উম্মে সালমা ও নাজিয়া আফরিন চৌধুরীও।

ত্রিভুবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৭ জন নারীর সঙ্গে ছিল দুই শিশুও।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭৮ আসনের বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ-৪০০ মডেলের উড়োজাহাজটি স্থানীয় সময় ২:২০ মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। এসটু-এইউজি নামে নিবন্ধিত ফ্লাইটটি ঢাকা ছেড়েছিলো দুপুর ১:৪৩ মিনিটে।

বিমানবন্দরের আরেক মুখপাত্র বীরেন্দ্র প্রসাদ শ্রেষ্ট জানিয়েছেন এই মুহূর্তে বিধ্বস্ত বিমানের আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় আছেন তারা।

দুর্ঘটনার পরপরই বিমানবন্দরটিতে সবধরণের উড়োজাহাজের ওঠা-নামা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।