২০ আগস্ট ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকার দিনরাত

  • মারুফ রায়হান

পাঁচ দিন ঢাকার বাইরে ছিলাম। সেই সুবাদে বুঝলাম ঢাকার দিনরাত কত ব্যস্ততা, উৎকণ্ঠা আর বিড়ম্বনায় ভরপুর। বলাবাহুল্য ঢাকার বাইরে জীবন এখনও অনেক শান্ত, স্থির, স্নিগ্ধ। এবার অবশ্য সড়কপথে গিয়েছিলাম কলকাতায়, পাঁচ বছর পরে। তাই অনেক কিছুই উপভোগ করেছি। সে যাক। ঢাকায় ফেরার সময় সাভার পেরুনোর পর ঢাকা যত নিকটবর্তী হচ্ছিল, তত যেন বাড়ছিল যানবাহনের সংখ্যা এবং তার জট। তবে সবচেয়ে যেটা লক্ষ্যযোগ্য তা হলো দূর থেকে বায়ুম-লের দিকে তাকিয়ে যেন অনুভব করে উঠতে পারছিলাম ধোঁয়া-ধুলো চাদরে কী পরিমাণ ঢাকা পড়ে আছে আমাদের সাধের রাজধানী! বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে, অথচ সব যেন আমাদের গা সওয়া হয়ে গেছে। রাজধানীর বায়ুদূষণের যে চিত্র আমরা পাই, তা উদ্বেগজনক। আর এই অবনতির অন্যতম কারণ পরিবেশ অধিদফতর, নগর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর নজরদারিহীনতা। পরিবেশ অধিদফতরের দায়িত্ব যেন গণবিজ্ঞপ্তি জারিতেই শেষ! দূষণ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ খুব কমই দেখা যায়। এক্ষেত্রে নগরবাসীও কি অসচেতন নয়? বাধ্য না করা পর্যন্ত কেউ আইন মানতে চায় না। আমরা নিজেরা অসুস্থ হচ্ছি, আমাদের সন্তানরাও শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানির মতো অসুখে পড়ছে। এর পরও আমরা সচেতন হব না?

ঢাকায় ফিরে সেই চিরচেনা দৃশ্য : ফুটপাথ ও রাস্তায় পিঁপড়ের সারির মতো মানুষের আনাগোনা সন্ধ্যাবেলা অফিস ছুটির পর। গায়ে গা লাগা দশা। চরম বিরক্তিকর। ঢাকা নগরীর অধিকাংশ বহিরাগতই এসেছেন গ্রাম থেকে। গ্রামে বাড়ি হলেই গ্রাম্য হবেন এমন কোন কথা নেই। আবার নগরে জন্ম নিলেও বহুজনই নাগরিক হয়ে ওঠেন না। ঢাকার রাস্তায় যারা পথ চলেন তাদের ভেতর নাক-ঝাড়া আর থুঁতু ফেলার রোগ আছে প্রচুর লোকের। তারা আড়াল আবডাল খোঁজেন না, গর্ত কিংবা নর্দমাও নয়। পথের ওপরেই নাক ঝাড়েন, থুঁতু ফেলেন। ঠিক পাশেই যদি আপনি থাকেন, তাহলে নিজেকে রক্ষার দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। তা না হলে গায়ে বা কাপড়ে এসে পড়তে পারে দেহ-বর্জ্য। গাড়ির ভেতরে থাকলে ধোঁয়া-ধুলো ছাপিয়ে দুর্গন্ধ নাকে আসে না। কিন্তু ঢাকার বড় বড় রাস্তায় হাঁটার সময় অবধারিতভাবে আপনার নাকে এসে লাগবে বিচিত্র দুর্গন্ধ। মানুষের মলমূত্র আর খাবারের পচনশীল উচ্ছিষ্টের দুর্গন্ধে ঢাকার নবাগত আগন্তুকের বমনের উদ্রেক হওয়া স্বাভাবিক। তবে অনেকেরই এসব সয়ে যায় কালে কালে। তা না হলে রাস্তায় নাক চেপে বা নাক ঢেকে ক’জনকেই বা আপনি পথ চলতে দেখেন!

সেদিনও প্রিয়জন কানে কানে বললেন- অপার্থিব আনন্দে ফুটছে ফাল্গুন। আর আজ করতে হচ্ছে কাউন্টডাউন! চৈত্র শুরু হয়ে গেছে যে! বিদায় নেবে বসন্ত। অনেকে বলতে পারেন, পঞ্জিকা মেপে বসন্ত আসে নাকি? কিংবা বিদায় নেয়! না, তা সত্য নয় বটে; তবু মিথ্যাও বা বলি কী করে জলবায়ু বদলে যাওয়া এই দেশে। ঢাকা এখন রীতিমতো হাঁসফাঁস করছে দিনের বেলার গরমে। পারদ পঁয়ত্রিশের দাগ ছুঁয়ে ফেলবে বলে মনে হচ্ছে। চৈত্র মাসের শুরুতে ঢাকা এত উষ্ণ হয়ে উঠলে জ্যৈষ্ঠে তার কী দশা হবে ভেবে শঙ্কিত বোধ করি। পরের কথা না হয় পরে ভাবা যাবে। আমাদের মনের ভেতর যে চিত্রল চৈত্র রয়েছে তার উদ্দেশ্যে বরং নিবেদন করি রবি-কবির কয়েকটি চরণ :

চিরকালের চেনা গন্ধ হাওয়ায় ওঠে ভরে।

মঞ্জরিত শাখায় শাখায়, মৌমাছিদের পাখায় পাখায়,

ক্ষণে ক্ষণে বসন্ত দিন ফেলেছে নিঃশ্বাস-

মাঝখানে তার তোমার চোখে আমার সর্বনাশ।

সাম্প্রতিক ঢাকার সংস্কৃতি, কলকাতায়

কলকাতায় ঢাকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গভীর আবেদন জাগাতে সক্ষম, তার আরেকটি প্রমাণ মিললো এই ফাল্গুনে নগরটির শোভাবাজারে আয়োজিত বসন্ত উৎসবে। ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’ শীর্ষক উৎসবে ‘সাম্প্রতিক ঢাকা’ সংগঠনটির রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও সংগীতাশ্রয়ী নিবেদন ‘চেনা ফুলের গন্ধ¯্রােতে’ দর্শক-শ্রোতারা পিনপতন স্তব্ধতার ভেতরে উপভোগ করেন। কলকাতার পাওয়ার ক্রিয়েটিভ মিডিয়া অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্টের উদ্যোগে ওই উৎসবে কলকাতার শিল্পীরা ছাড়াও অংশ নেন আসামের সাংস্কৃতিক দল। বিশেষ করে ব্রততী ভট্টাচার্য্য, সুমিত রায়, সঞ্জয় মুখার্জি ও শ্রেয়সী চৌধুরীর গান দর্শকেরা দারুণ উপভোগ করেন। কবি সুলতানা শাহরিয়া পিউয়ের নেতৃত্বে ‘সাম্প্রতিক ঢাকা’ দেশের গৌরবকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে ভুল করেনি। ফাল্গুন উৎসবখচিত হলেও বাংলাদেশের ফাল্গুন যে বায়ান্নো ও একাত্তরে রক্তরঞ্জিত হয়েছিল সেকথা উল্লেখ করা হয় সূচনা-বক্তব্যে। একাত্তরে ফাল্গুনে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ যে এতটা বছর পর জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করেছে এবং বাংলাদেশ সেই গৌরবময় ইতিহাস উদযাপন করেছে এবারের ফাল্গুনেÑ সে কথাও উল্লেখ করে। পাশাপাশি বায়ান্নোর আটই ফাল্গুন বা একুশে ফেব্রুয়ারি যে সারা পৃথিবীর সকল ভাষাভাষি মানুষের জন্য মাতৃভাষা দিবসের গৌরব অর্জন করেছে, সেটিও গর্বভরে উচ্চারণ করে। একইসঙ্গে কলকাতাবাসীদের কৃতজ্ঞতা জানায় একাত্তরে পাকিস্তানী বর্বর আর্মির তাড়া খেয়ে সীমান্ত পেরিয়ে তাদের শহরে আশ্রয় নেয়ার জন্যে।

সড়কের শরবত

এপ্রিল আসার ঢের বাকি। তন্দুর তৈরির উনুনের মধ্যকার গনগনে আঁচের মতো দিনগুলো এখনও আসেনি। তবু ঢাকা মহানগরীতে এসে পড়েছেন শরবত-মামারা। ফুটপাথের ওপর তাদের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। আগে গ্রীষ্মকালে রাজধানীর রাজপথে বেশি দেখা যেত আখের রস খাওয়ার তোড়জোড়। ছাল বের করে ফেলা কঞ্চিসম লম্বা লম্বা আখের ধড় ঢুকিয়ে দেয়া হতো একটানা বিচিত্র শব্দ তোলা দুই চাকাওয়ালা মাড়াই কলে। চিড়ে চ্যাপ্টা করে আখের সবটুকু রস নিংড়ে বের করে আনা হতো। সত্যি মিথ্যা জানি না, সেই ছেলেবেলাতেই শুনেছিলাম গ্লাসের মধ্যে স্যাকারিন দেয়া থাকে আগে থেকেই। তাই আখের রস এত মিঠা লাগে। দেখতে দেখতে ঢাকার রাস্তায় আখের রস বিক্রি কমে এলো। সেই জায়গা দখল করতে চলেছে বোধকরি লেবুর শরবত। কোন যন্ত্রের প্রয়োজন পড়ছে না। হাতেই তা তৈরি করা যায়। আখের বাতিল ছোবড়ার জঞ্জাল জমানো আর জায়গা মতো সেই আবর্জনা ফেলে দেয়ার ঝক্কি নেই। কচলানো লেবু আর কতটা জায়গা নেয়। অবশ্য বলছি বটে লেবু কচলানোর কথা, আসলে তার বালাই নেই। চাপ-দেয়া হ্যান্ডি কলের পেটে গোটা কিংবা আধ টুকরো লেবু ঢুকিয়ে এক চাপে তার রস বের করে ফেলা সম্পূর্ণ ঝক্কিহীন। চাকা লাগানো কাঠের পাটাতনের ওপর শরবতের দোকান সাজিয়ে বসতে আলাদাভাবে লাগে কেবল পানির ফিল্টার; অবশ্য তার ওপরের কম্পার্টমেন্টে একতাল জমাট বাঁধা বরফ থাকা চাই। প্রচ- গরমে হিমশীতল না হোক মোটামুটি ঠা-া লেবুর শরবতের কদরই আলাদা। কোন কোন শরবতওয়ালা আবার চিনি দেয়া লেবুর পানির ভেতর সামান্য টেস্টিং সল্টও দিয়ে থাকেন। কাঠের পাটাতনের অনেকটা জুড়ে রাখা হয় সবুজ লেবুর স্তূপ।

ঢাকার মোড়ে মোড়ে এখন কলকাতার মতোই শরবতের পসরা। পার্থক্য এটুকুই : ওখানে লেবুর পাশাপাশি মালটাও রয়েছে। এখানে কেবল লেবু। শরবত বিক্রির জায়গা একটা ছোটখাটো অস্থায়ী দোকানের আদল পেয়েছে। মাত্র পাঁচ টাকায় ঠা-া এক গ্লাস লেবুর শরবত কেনার লোকের তেমন অভাব ঘটছে না (শুনেছি কোথাও কোথাও আবার দশ টাকায় বিকোচ্ছে এক গ্লাস)। রাজধানীর লাখো কর্মসন্ধানী ভাসমান গরিব মানুষের জীবন-সংগ্রামের ভেতর চৈত্র এসেছে দুঃসহ গরমের কঠিন কামড় নিয়ে। তাদের পাশে এই শরবত-মামারাও আছেন স্বস্তিদানকারী বান্ধব হয়ে। ঘর্মাক্ত মানুষকে সরাসরি তৃপ্তি দানের মতো পেশায় যুক্তদের মনের স্বস্তিটার খোঁজ কি কেউ রাখে?

ঢাকা কেমন ছিল বিগত সাতদিন? কখনও সে ছিল শোকবিহ্বল, কখনও বা উৎসবমুখর; কখনও উৎকণ্ঠিত, কখনও আবার উৎফুল্ল। আমাদের এক বন্ধু ঢাকার আবহাওয়া নিয়ে এক বাক্যে অনেক কথা বলেছেন, সত্যোচ্চারণ করেছেন। ঢাকায় সকালে বসন্ত, দুপুরে গ্রীষ্মকাল, আর শেষরাতে শীতকাল। এই পরিবেশবৈচিত্র্য আগে কখনও অনুভব করিনি।

ক’দিন পরই স্বাধীনতা দিবস

‘জয় বাংলা’! এক আশ্চর্য মন্ত্র! একাত্তরের মার্চের কথা স্মরণ করুন, প্রিয় পাঠক। এই মন্ত্র ছিল সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর হৃদয়ের কবিতা। এর উচ্চারণে অজান্তেই মুষ্টিবদ্ধ হতো হাত প্রতিজ্ঞায় অঙ্গীকারে; আর চোখে খেলে যেত এক অভূতপূর্ব ঝিলিক। সত্যি সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ! কালে কালে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির অপপ্রচারে একাত্তরের স্লোগানকে একটি দলের স্লোগান হিসেবে প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চলেছে। তা সত্ত্বেও আজকের অনেক তরুণ দেশের সুসংবাদে, ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক আসরে বিজয়ের উপলক্ষ পেলে বজ্র থেকে শক্তি ধার করে কণ্ঠে গৌরবদীপ্ত অহঙ্কারের স্বরভঙ্গিতে উচ্চারণ করেÑ জয় বাংলা।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুউচ্চ গ্লাস টাওয়ার অনেকেরই দৃষ্টি কেড়েছে। তরুণ মন কৌতূহলী হয়েছে। সে কথা মনে রেখেই ওই গ্লাস টাওয়ার সম্পর্কে রইল সামান্য আলোকপাত।

সবুজ উদ্যান ভেদ করে দাঁড়িয়ে আছে সুউচ্চ এক টাওয়ার। যেন আকাশ ছুঁতে চাইছে। দেশ ও দেশের বাইরে এমন দৃষ্টিনন্দন ও উচ্চতাসম্পন্ন গ্লাস টাওয়ার আর দ্বিতীয়টি রয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। রাতে কৃত্রিম আলোর প্রজেকশনে টাওয়ার ও জলধারায় এক স্বপ্নীল ও মায়াময় পরিবেশের জন্ম দেয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মিত স্বাধীনতা স্তম্ভ প্রকল্পের এক নান্দনিক সৃষ্টি এই গ্লাস টাওয়ার। দুই দিকে ১৬ ফুট প্রস্থের টাওয়ারটির উচ্চতা ১৫০ ফুট। এর উপরিভাগে রয়েছে স্বচ্ছ কাঁচ। এতে সূর্যের আলো প্রতিসরণ ও প্রতিফলন হয়। রাতে আলোকচ্ছটা তৈরির জন্য রয়েছে বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা। রাতেও কৃত্রিম আলোর প্রজেকশনে টাওয়ার ও নিচের জলধারায় সৃষ্টি হয় এক স্বপ্নীল মায়াময় পরিবেশের।

রমনা রেসকোর্স ময়দান বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত। এই উদ্যানে দাঁড়িয়ে উপস্থিত লাখো জনতার সামনে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ এখানেই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। আর সেই উদ্যানেই নির্মিত হয়েছে এ কাঁচের টাওয়ার। এ টাওয়ারের নিচেই রয়েছে ভূগর্ভস্থ মিউজিয়াম। এ মিউজিয়ামে স্থান পাবে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত নানা ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর ছবি। টাওয়ারের একপাশে রয়েছে শিখা চিরন্তন।

পরপর দুটি ম্যাচে গর্জে ওঠা টাইগার্স

শ্রীলঙ্কা ও ভারতÑ টুর্নামেন্টের দুই দেশের ক্রিকেট দলের সঙ্গেই দারুণ লড়াকু শ্বাসরুদবধকর ম্যাচ উপহার দিল টাইগাররা। ফাইনালে শেষ বলে ছক্কা না হলে আমরাই হয়তো চ্যাম্পিয়ন হতে পারতাম। তবু অর্জনের ঝুলিতে অনেক ইতিবাচক বিষয়। শেষ বলে ভাগ্যক্রমে ভারত জয় পাওয়ার পর যেভাবে উল্লাস প্রকাশ করেছে তাতে মনে হচ্ছিলো বিশ্বজয়ই করে ফেলেছে তারা। খুবই হাস্যকর। যাই হোক, বাংলাদেশের খেলা থাকলে ঢাকার টিএসসি ছাড়াও কোনো কোনো জায়গায় বড় পর্দায় খেলা প্রদর্শনের উদ্যোগ নেয়া হতো। এখন তেমন দেখি না। তবে এইবার অবম্য ঢাকার পুরনো একটি সিনেমা হল (জোনাকি) টিকেটের বিনিময়ে তারে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর ব্যবস্থা নেয়। আর তাতে সাড়াও জাগে। এখন দর্শক খরায় ভুগছে ঢাকার অনেক হল। তাই এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে লোকসান পুষিয়ে নেবার তৎপরতা।

১৮ মার্চ ২০১৮

marufraihan71@gmail.com