১৯ আগস্ট ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জ্যাকলিনের ‘এক দো তিন’ নিয়ে আপত্তি

জ্যাকলিনের ‘এক দো তিন’ নিয়ে আপত্তি

অনলাইন ডেস্ক ॥ পুরোনো জনপ্রিয় গানকে নতুন করে দর্শকের সামনে হাজির করার ট্রেন্ড চলছে বলিউডে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি প্রকাশিত হয় ‘এক দো তিন’ গানের রিমেক। কিন্তু জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের এই গানটি নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট নয় আগের গানের নির্মাতারা। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার পরিকল্পনা করছেন তারা।

১৯৮৮ সালে মুক্তি পায় বলিউড সিনেমা ‘তেজাব’। এ সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় গান ‘এক দো তিন’। মুক্তির পর দর্শকের মাঝে বেশ সাড়া ফেলে এটি। বিশেষ করে এ গানে মাধুরীর নাচ আজও দর্শকের মনে দোলা দেয়। এবার এই গানে নাচের পাশাপাশি রূপের দ্যুতি ছড়িয়েছেন জ্যাকলিন। বাঘি-টু সিনেমায় ব্যবহার হয়েছে গানটি।

মাধুরীর ‘এক দো তিন’ গানে কোরিওগ্রাফার ছিলেন সরোজ খান। সহকারী ছিলেন আহমেদ খান। কোরিওগ্রাফার গণেশ আচার্য ছিলেন ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সার। জ্যাকলিনের গানেও আছেন মূল গানের সদস্যরা। বাঘি-টু সিনেমার পরিচালক আহমেদ খান। অন্যদিকে নতুন গানটির কোরিওগ্রাফার গণেশ আচার্য। তবে মূল গানের কোরিওগ্রাফার নতুন সংস্করণটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

নতুন সংস্করণ নিয়ে সরোজ খানের অসন্তোষ প্রসঙ্গে তেজাব সিনেমার পরিচালক এন চন্দ্র ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘শ্রীদেবীর জন্য প্রার্থনার অনুষ্ঠানে সরোজজির সঙ্গে আমার দেখা হয়। সে সময় তিনি আমাকে গানের নতুন সংস্করণ নির্মাণের বিষয়ে জানান। ভাবতে পারেন বিষয়টি তাকে কতটা মর্মাহত করেছে যে কারণে এ রকম একটি অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছেন?’

তিনি আরো বলেন, “সরোজজি আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আপনি কি জানেন, তারা কীভাবে এক দো তিন গানটি নির্মাণ করছে?’ কিন্তু আমি কিছুই জানতাম না। সরোজজি বললেন বাঘি-টু নির্মাতারা নতুন করে এক দো তিন গানটি নির্মাণ করছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘তিনি এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।”

জ্যাকলিনের ‘এক দো তিন’ গানটি প্রসঙ্গে এন চন্দ্র বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করতে পারছি না তারা এক দো তিন গানের এ ধরনের সংস্করণ নির্মাণ করেছে। এটা ধারণার বাহিরে। মাধুরী অত্যন্ত সরলতার সঙ্গে গানটিতে নেচেছিলেন। এই গানটি মনে হয়েছে সেক্স অ্যাক্ট।’