২১ জুলাই ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কমছে ৩০ হাজার কোটি টাকা

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কমছে ৩০ হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চলতি অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা আগের চেয়ে ২৫-৩০ হাজার কোটি টাকা কমবে।ইতোমধ্যে অর্থ বছরের প্রথম ৯ মাসে রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি পড়েছে। ফলে সংশোধিত বাজেটে এ লক্ষ্যমাত্রা কমানো হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, ‘রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৪০ শতাংশ বেশি ধরা হয়েছিল। এটি অর্জন করা সম্ভব হবে না। এজন্য চলতি অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা আগের চেয়ে ২৫-৩০ হাজার কোটি টাকা কমবে’।

সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বৃহৎ করদাতা ইউনিটে (এলটিইউ) রাজস্ব হালখাতা ও বৈশাখী উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এলটিইউ কমিশনার অপূর্ব কান্তি দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। ৯ মাসে আদায় হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩১১ কোটি টাকা। সে হিসেবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে এনবিআরকে বাকি ৩ মাসে বিশাল অর্থ সংগ্রহ করতে হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজস্ব হালখাতায় ৪০৩ কোটি ১৬ লাখ টাকার বকেয়া আয়কর আদায় হয়েছে। ভ্যাটের হিসাবটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে এটি প্রায় ৩০০ কোটি টাকা হতে পারে। আর কাস্টমসে তা ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা হবে’।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) আয়কর শাখা হালখাতায় ৬৫ কোটি টাকার বকেয়া কর আদায় করেছে। ভ্যাট আদায় এখনও প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে। করের আওতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। উৎসে করের মনিটরিং আরও বাড়ানো হবে’।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেন, ‘এনবিআরে আইটির যত প্রয়োগ হবে, রাজস্ব সংগ্রহ তত বাড়বে। দেশে স্বচ্ছতা বাড়বে, দুর্নীতি কমবে। এনবিআরের নীতি আরও সহজ ও করবান্ধব করা দরকার। শেয়ারবাজারকে আরও চাঙ্গা করতে হবে’।

তিনি বলেন, ‘মাত্র ৩৫ লাখ লোক আয়কর নিবন্ধিত। ১৬ কোটি মানুষের দেশে এটা অন্তত ১ কোটি হওয়া উচিৎ। মাত্র ১৫ লাখ লোক আয়কর দেয়, এটা বাড়ানো দরকার’।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে প্রায় ৩০ লাখ বাস ট্রাক রয়েছে। করের আওতা বাড়াতে বাস-ট্রাকের মালিক-ড্রাইভারদের করের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে গ্রামের দোকানগুলোকেও করের আওতায় আনতে হবে’।

এই মাত্রা পাওয়া