১৯ আগস্ট ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজধানীর সড়ক দূঘর্টনায় এক শিশু নিহত

রাজধানীর সড়ক দূঘর্টনায় এক শিশু নিহত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর উত্তরায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদিকে শাহবাগ থানার সামনে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় এক পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছে।

সোমবার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সোমবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় জান্নাত (৭) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। নিহত শিশু জান্নাতের বাবার নাম ফারুক হোসেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ। তারা উত্তরার রেল লাইন বস্তিতে থাকেন। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মোঃ বাচ্চু মিয়া জানান, সকাল সাড়ে ১১টায় উত্তরা ৮নং সেক্টরের পল্লী কানন স্টাফ কোয়ার্টারের সামনে রাস্তায় দাড়িয়েছিল শিশু জান্নাত।

এ সময় একটি দ্রুতগামী প্রাাইভেটকার তাকে চাপা দেয়। পরে শিশুটি গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দুপুর ১টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে আনা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। উত্তরা পূর্ব থানার পরিদর্শক ওয়াহিদুর রহমান জানান, ঘটনার পর প্রাইভেটকারসহ তার চালক নজরুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে একইদিন সকালে শাহবাগ থানার সামনে সিএনজির ধাক্কায় পুলিশের গাড়িচালক আশরাফুল আলম (৪৫) গুরুতর আহত হয়েছে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শাহবাগ থানার এসআই সাইফুর রহমান জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে থাকা পুলিশের গাড়ির দরজা খুলে উঠার সময় পেছন থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়।

এতে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মাথায়, মুখে ও হাতে আঘাত পান। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০০ নম্বর ওয়ার্ডের বি-১৫ নম্বর বেডে ভর্তি করা হয়। সেখানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে। পুলিশ জানায়, আশরাফুল আলম পুলিশের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার সুতিয়াখালী গ্রামে। এক ছেলে ও এক মেয়ে এবং স্ত্রী তাহমিনা আক্তারকে নিয়ে খিলগাঁও এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন তিনি। ছেলে সিয়াম আরাফাত ৭ম শ্রেনি এবং মেয়ে সায়মা আক্তার নদী ৪র্থ শ্রেনির শিক্ষার্থী। আহতের স্ত্রী তাহমিনা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে এসে দেখেন তার স্বামী অজ্ঞান।

এখনও জ্ঞান না ফেরায় তিনি শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। সবার কাছে স্বামীর সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ হাসান জানান, তার অবস্থা সম্পর্কে এখনও কিছু বলা যাচ্ছে না। চোখে ও মাথার বাম অংশে আঘাত লেগেছে। বাম হাতে এবং বাম মুখেও আঘাত রয়েছে। এগুলোর জন্য সিটি স্ক্যান ও এক্স-রে পরীক্ষা দেয়া হয়েছে। এখনও জ্ঞান ফিরেনি। তাই আগামী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখতে হতে পারে। তবে তার আগেই জ্ঞান ফিরতে পারে বলে জানান তিনি।