১৯ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকার দিনরাত

  • মারুফ রায়হান

গত সপ্তাহে একাধিক দিন তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশের ওপর উঠেছিল। গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। শ্রমজীবী মানুষের বেশি কষ্ট। রমজান মাসের শেষ সপ্তাহে পৌঁছে গেছি। এখন ঈদের কেনাকাটায় চলছে চূড়ান্ত সময়। আয়োজন কি আর একটা? পয়লা নম্বরেই আছে নতুন জামাকাপড় আর জুতা কেনা। শুধু জামা-জুতাই কি? গহনা-অলঙ্কারও এর ভেতর পড়ে। অনেকে বলতে পারেন প্রথম রোজা থেকেই ঢাকায় বসে যায় ঈদের বাজার। নামী-দামী শপিং মলগুলো আরও ঝলমলে হয়ে ওঠে। সাজ সাজ রব পড়ে যায়। এক মার্কেটের সঙ্গে অন্য মার্কেটের একটা অলিখিত প্রতিযোগিতাও চলে। কোন্ মার্কেট কত বেশি পরিমাণে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে পারে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা। ব্যবসায়ীরা ভাল করেই বেচা-বিক্রির হিসাব জানেন বছরের এগারো মাস এক দিকে আর এই একটি মাস আরেক দিকে। রমজান তাদের জন্য বাড়তি রহমতের মাস। তাই এ নিয়ে তাদের পরিকল্পনা আর উত্তেজনা থাকে অনেক। তবে এটাও সত্যি যে এখন এক এলাকার মানুষ আরেক এলাকার মার্কেটে গিয়ে সাধারণত ঈদের শপিং করেন না। নিজেদের এলাকার মধ্যেই কেনাকাটার কাজটা সারেন। রমজানে ঢাকার যানজট পরিস্থিতি সহনশীলতার সকল সীমা ছাড়িয়ে যায় বলেই বাধ্য হয়ে নিজের এলাকা কিংবা নিকট দূরত্বের ঈদ মার্কেটের বিষয়টি তারা বিবেচনায় রাখেন। এটা অবশ্য সাধারণ হিসাব। ব্যতিক্রম তো আছেই। ধরা যাক উত্তরায় একাধিক বিশাল শপিং কমপ্লেক্স থাকতেও যারা যাতায়াতের হিসাবে দু-তিন ঘণ্টা দূরত্বের নিউমার্কেট কিংবা পান্থপথের সুবিখ্যাত বিপণি কেন্দ্র বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে আসেন, তাদের সংখ্যাও একেবারে কম নয়। আস্তে আস্তে নতুন নতুন ডিজাইনের পোশাক মার্কেটে আসতে শুরু করে। ক্রেতারাও দেখেশুনে কিনতে শুরু করতে রমজানের প্রথম কি দ্বিতীয় সপ্তাহ গড়িয়ে যায়। সে বিবেচনায় এখন রাজধানীর ঈদের বাজারের চূড়ান্ত ও মোক্ষম সময় যাচ্ছে। বড় বড় প্রতিটি মার্কেটেই ভিড় হচ্ছে প্রতিদিনই। বিশেষ করে ইফতারির পর মধ্যরাত পর্যন্ত এসব মার্কেটে ভিড় যেন উপচে পড়ে। অবশ্য মানতে হবে যে অনলাইন শপিং কিছুটা হলেও ঈদ কেনাকাটায় স্বস্তি এনে দিয়েছে। যাহোক, আমার এক নিকটাত্মীয়ার বিক্রয়কেন্দ্র আছে টুইন টাওয়ার শপিংমলে। কাছের মানুষ বলেই আসল খবরটা দিলেন, এবারের ব্যবসা গত ঈদের তুলনায় খারাপ।

ঈদ উপলক্ষে ঢাকা ত্যাগ শুরু হয়ে গেছে। বাস ও ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি হয়েছে। এই টিকেট সংগ্রহের কাজে ছিল বিড়ম্বনা ও ভোগান্তি, তবু কাক্সিক্ষত টিকেট পাওয়া গেলে যে আনন্দ লাভ ঘটে তাতে সব কষ্ট ও ভোগান্তি উবে যায়। ঢাকা যে আসলে ‘অভিবাসনকারীদের’ শহর, সেটা ঈদ মৌসুমেই বোঝা যায়। আমরা বলি ঢাকায় এখন প্রায় দুই কোটি মানুষের বাস। কিন্তু ঈদের সময় এই সংখ্যা বিপুলভাবে কমে আসে। রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যায়, ট্রাফিক জ্যাম উধাও হয়ে যায়।

তবে ঈদ উপলক্ষে ঈদের আগে ঢাকায় আবার বহু মানুষের আগমনও ঘটে। মূলত শপিং ও নানা কাজে মানুষ আসে। সাময়িক পেশার কারণে আসেন বহু কর্মজীবী। শুনতে খারাপ শোনালেও এটা সত্য যে এ সময় ভিক্ষুকদের আনাগোনাও বাড়ে ঢাকা শহরে। রিক্সা ও বাসস্ট্যান্ডে চেনা ভিক্ষুকদের সঙ্গে যোগ হতে দেখলাম একঝাঁক নতুন মুখ। রিক্সার সংখ্যাও অনেক বেড়ে গেছে। সেদিন একটু রাত করে বাসায় ফেরার সময় রিক্সাওয়ালা ঘাম মুছতে মুছতে জানাল যে আজ অনেক গরম। মনে হলো সে বুঝি ঢাকার নয়। ঠিক তাই, নীলফামারী থেকে এসেছে ঈদ মৌসুমে রিক্সা চালিয়ে কিছু আয় করে দেশে ফেরার আশায়।

ঢাকায় রেস্তরাঁয় সেহরি

সময় বদলেছে। ঢাকার ভোজন রসিক এবং অভিনবত্ব সন্ধানী সচ্ছল মানুষ আজকাল মধ্যরাতে সেহরি খাওয়ার জন্য নামী-দামী হোটেল-, রেস্টুরেন্টের উদ্দেশে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ছেন। কেউ কিছু একটা শুরু করলে ঢাকায় তা ফ্যাশনে পরিণত হতেও খুব একটা সময় লাগে না। ফেসবুক সংস্কৃতির কল্যাণে এই হুজুগ বাড়তেও বিশেষ দেরি হয় না। অবশ্য শখের বশে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকেরাও রেস্তরাঁর সেহরি চাখায় শামিল হচ্ছে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বুয়েট-মেডিক্যালের ছাত্রাবাসগুলোয় অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা রোজা রাখেন সেহরির সময়ে তাদের খাবারের একটা সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। সাধারণত ছাত্রাবাসের ভেতর কিংবা ছাত্রাবাস সংলগ্ন রেস্টুরেন্ট ছাত্রদের প্রয়োজনের দিকটি বিবেচনা করে সেহরির বন্দোবস্ত করে থাকে। সে কথা আলাদা। এখন রেস্তরাঁর সামনে ঝুলন্ত ব্যানারে থাকে সেহরির বিজ্ঞাপন। প্রতি মধ্যরাতে ৬০ থেকে ১০০ লোক আসছেন একেকটি নামী রেস্তরাঁয়। রাতে ঢাকা শহরের ভিন্নরূপ, যানজটমুক্ত পরিবেশ। এ সময় সেহরি করতে বের হওয়াটা অনেকের কাছে রোমাঞ্চকরও বটে। নগরীর বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন কখনও বন্ধুরা মিলে কখনও পরিবারের সঙ্গে সেহরির স্বাদের বৈচিত্র্য আনতে শেষ রাতে ছুটে যাচ্ছেন নগরীর নামকরা হোটেল-রেস্তরাঁয়। ভোজনপিপাসু মানুষের এমন চাহিদার কথা মাথায় রেখে পুরান ঢাকাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকার হোটেল-রেস্তরাঁয় ইফতার-সেহরির সুব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রমজান উপলক্ষে রাজধানীর বেশকিছু হোটেল-রেস্তরাঁ সেহরির ও মজাদার ইফতারের ব্যবস্থা করেছে। এর মধ্যে স্টার হোটেল এ্যান্ড কাবাবের বনানী, ফার্মগেট, কাওরান বাজার, জয়কালী মন্দির, এলিফ্যান্ট রোড, জনসন রোড, ধানম-ি-২, মগবাজার ও গুলিস্তান শাখায় আছে সেহরি ও ইফতারের ব্যবস্থা। এ ছাড়া সেহরির আয়োজনে আলাউদ্দিন রোড, ঠাটারী বাজার, রায়সাহেব বাজার, চানখাঁরপুল, নাজিরাবাজার ও বংশাল এলাকার আল-ইসলাম, কালামস কিচেন, ঘরোয়া, ক্যাফে ইউসুফ, কামাল হোটেল, মামুন বিরিয়ানি, নাজিরিয়া, রাজধানী ও সোহাগ হোটেল এ্যান্ড রেস্টুরেন্টের বেশ নামডাক আছে। সেহরিতে মানসম্পন্ন খাবার পরিবেশনের দাবি সবারই। অনেকে স্বাস্থ্য সচেতন হয়েছেন আগের চেয়ে বেশি। তাই সেহরির খাবারে ভারি মসলার ব্যবহার কমানো হয়েছে। এদিকে কেউ কেউ আবার সেহরি খেতে চলে যাচ্ছেন পদ্মা নদীর মাওয়া ঘাটে। সাদা ভাত, ভর্তা, ইলিশসহ নদীর অন্যান্য মাছ ও মাংস দিয়ে সারছেন সেহরির আহার।

সেহরিতে ঘুম ভাঙান যারা

রাজধানীর পুরান ঢাকায় রমজান মাসে সেহরিতে রোজাদারদের ঘুম ভাঙাতে পাড়ায় পাড়ায় দল বেঁধে কাসিদা গাওয়া দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। এখন হাতে হাতে মোবাইল, তাতে সেহরিতে এলার্ম দেয়ার সুবিধা। তার পরও পুরান ঢাকাবাসীর সংস্কৃতিতে জড়িয়ে থাকা কাসিদার কাফেলার হাঁকডাকে এখনও সেহরিতে ঘুম ভাঙে অনেকের। অলিগলি থেকে ভেসে আসে সুরেলা কণ্ঠ, ‘ওঠো, ওঠো, মুমিন বান্দা সেহরি খাবে, আতর-গোলাপ-চন্দন মাখায়ে দাও বন্ধুরও গায়।’ খবর নিয়ে জানা গেল এবারও পুরান ঢাকায় প্রথম রমজান থেকেই ছোট ছোট দলে পাড়া-মহল্লায় নামে কাসিদার কাফেলা। তবে আগের মতো সেই আমেজ এখন আর তেমনটা নেই। আধুনিকতার ছোঁয়ায় কিছুটা ধরন পাল্টালেও, নতুনরা যোগ হয়েছে কাফেলায়। এখন কাফেলা পুরোদমে রাস্তায় নামে ১৫ রোজার পর। চলে চাঁদ রাতের আগ পর্যন্ত। শেষ বেলায় এখন আর হয় না দলে দলে প্রতিযোগিতা। জনে জনে হাদিয়া আদায়ের মধ্যেই থাকে আয়োজন। পুরান ঢাকায় ঐতিহ্যবাহী কাসিদার প্রচলন কিছুটা কমে এলেও, দিনে দিনে তা ছড়িয়েছে নগরীর অন্য এলাকাতে। উল্লেখ্য, প্রায় বছর কুড়ি আগে ঢাকার মালিবাগ, খিলগাঁও ও রামপুরা এলাকায়ও কাসিদার প্রচলন শুরু হয়।

দূরের শহর

আমাদের নারী টাইগাররা দেশের জন্য সুসংবাদ বয়ে এনেছে সুদূর কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ক্রিকেটে এশিয়া কাপ জিতে। ঢাকায় রমজানের চিত্র মোটামুটি আমাদের সবার জানা। মুসলিমপ্রধান দেশ মালয়েশিয়ার ওই কুয়ালালামপুরে পরিস্থিতি কেমন থাকে রোজার মাসে? জানার জন্য সেখানে বসবাসকারী কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগমকে অনুরোধ করেছিলাম কিছু লিখতে। এ নিয়ে তিনি যা লিখেছেন তার অংশবিশেষ এখানে তুলে দিচ্ছি। তাতে দেখব রোজার মাসে সেখানকার মুসলমানরা বাড়াবাড়ি করেন না। বিব্রতকর প্রশ্নেরও সম্মুখীন হতে হয় না কাউকে। আর সঙ্গীত ও নৃত্য নির্বাসিত হয় না। তিনি লিখেছেন :

‘মুসলিমপ্রধান দেশ হলেও তিন দিনের সরকারী ছুটি শুরু হয় ঈদের দিন থেকে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত কাজ করে তারা। দোকানে, অফিসে, অলিগলি রাস্তায় তখন এক রকমের গান বাজে। রোজার সামান্য আগে থেকেই ক্রমাগত এই গান বাজানো শুরু হয়। তারা বলে আইদিল ফিতরির গান। গানগুলো ঠিক আমাদের হামদ-নাতের মতো নয়। ঈদের আনন্দ-উত্তেজনার বিষয় সমৃদ্ধ গান। সাধারণত দ্রুত লয়ের এই গানে মূলত বেহালা, ব্যাঞ্জো আর হারমোনিয়ামের ব্যবহার দেখতে পাই। একই ছন্দে আর প্রায় একই ধরনের সুরের ওঠানামায় দিনভর গানগুলো ঈদের আগে আগে শহরে বা উপশহরে চলাফেরা করতে গেলে শুনতেই হবে। এতেই হয়ত তারা উৎসবের উত্তেজনায় উদ্দীপ্ত হয়। তা ছাড়া ভিড়ের জায়গায়, বাজারের মাঝখানে বা বড়ো বিপণি বিতানে সারাদিন ওই গান, সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী নাচের ধারাবাহিক অনুষ্ঠানও চলতে থাকে। নাচের শিল্পীদের পোশাক উজ্জ্বল ও কড়া রঙের; মাথার উপরে ময়ূরের ঝুঁটির মতো করে পালক গাঁথা কিংবা নানা নকশার টুপি বা মুকুট থাকে। নাচের মুদ্রা আমাদের দেশের আদিবাসীদের নাচের মতো। তবে সেই মুদ্রায় নানান কৌশলে ঈদের খুশি আর আপ্যায়নের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলে তারা। বিরতিহীন নাচের অনুষ্ঠান কাজকর্ম, চলাফেরার মাঝখানে কোন দর্শক হয়ত দাঁড়িয়ে কয়েক মিনিট দেখে-শুনে চলে গেল, পরমুহূর্তে সেখানে এসে দাঁড়াল অন্য কেউ। এভাবে রোজার পুরো সময়টাতেই ঈদ আনন্দটা সবখানে লেগে থাকে। যেহেতু বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বাস আর বছরজুড়ে পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে তাই রোজার মধ্যে খাবারের দোকান বা রেস্টুরেন্ট বরাবর খোলা। কাপড় দিয়ে বানানো কোন পর্দার বালাই নেই। তবে লক্ষ্য করে দেখেছি সেখানে কোন মুসলিমকে দেখা যায় না। এখানকার মুসলিমদের চিন্তায় রোজা না রাখাটা বাছাইয়ের জন্য কোন পছন্দ নয়। তাই রোজা আছি কি না, এ কথা কেউ কখনও জানতে চায় না।’

ঈদ মোবারক

ঈদের আগে এটি ঢাকার দিনরাতের শেষ লেখা। তাই কিছু কথা না বললেই নয়। আপনি নিকটজনের সান্নিধ্যে মহানন্দে ঈদ করছেন। অথচ অনেকেরই ঢাকা ছেড়ে যাওয়া হয়নি নানা কারণে। তার ঈদ নিরানন্দে-মেশা; এমন বন্ধু কিংবা পরিচিতজনের কাছে আপনার একটি টেলিফোনই হয়ে উঠতে পারে মহা খুশির ব্যাপার। আমার পরিবারের সবার জন্য নতুন পোশাক হয়েছে। খুব কাছেরই কোন বস্তিতে ঈদ এসেছে বছরের বাকি ৩৬৪ দিনের মতোই। হঠাৎ আপনি সেখানে গেলেন কয়েকটা নতুন পোশাক নিয়ে সেখানে। অচেনা বালক কিংবা মধ্যবয়সী কোন নারীর হাতে তুলে দিলেন তার কাছাকাছি মাপের কোন পোশাক। কেমন হবে? দেখুন ট্রাই করে তাদের আনন্দ আর হাসি দেখে আপনার নিশ্চয়ই মনে হবে, অপরকে সুখ দিতে পারলে এক ধরনের তৃপ্তি আর সুখ নিজের মনে এসেও ধরা দেয়। হাসপাতালে দুস্থদের ওয়ার্ডে যান দোকান থেকে দু’তিন পদের কেনা খাবার নিয়ে। কুড়িজনের জন্যই নিন খাবারটা। ঈদের দিন অনেক রোগীরই কাটে স্বজনদের মুখ দেখার আশায়। অথচ তার সেই আশা পূরণ হয় না। একবার গিয়েই দেখুন হাসপাতালে। দু’হাতে কয়েকটা খাবারের প্যাকেট নিয়ে। ঈদের দিন আপনার এই ‘বেড়ানোটি’ কিছুটা অস্বস্তিকর ও বেহুদা মনে হলেও আমার আবেদনে সাড়া দিয়ে যদি কাজটি আপনি করেন তাহলে আপনার অন্য ধরনের একটি অভিজ্ঞতা হবেÑ সেটা জোর দিয়েই বলতে পারি। মানুষ মানুষের জন্য। ঈদের আনন্দ যদি কিছুটা বাড়িয়ে নেয়া যায় অন্যকে আনন্দ দিয়ে তাহলে সেটা তো আপনি করতেই পারেন।

১০ জুন ২০১৮

marufraihan71@gmail.com

নির্বাচিত সংবাদ