১৯ আগস্ট ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিএনপি অংশ না নিলে এটা হবে তাদের রাজনৈতিক আত্মহত্যা : বাণিজ্যমন্ত্রী

বিএনপি অংশ না নিলে এটা হবে তাদের রাজনৈতিক আত্মহত্যা : বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যদি বিএনপি না করে তাহলে তাদের অস্তিত্ব সংকট হবে। যা হবে তাদের জন্য রাজনৈতিক আত্মহত্যা। তিনি মনে করেন, নিশ্চয়ই বিএনপি এধরনের রাজনৈতিক আত্মহত্যা করতে চাইবেন না। বিএনপি নির্বাচন করলে তাদের আরো তৎপর হতে হবে। মওদুদ আহমেদ বলেছেন, কঠিন আন্দলন সংগ্রাম করবে। কিন্তু তাদের পক্ষে তা সম্ভব না। কারন তারা ২০১৩,১৪,১৫ সালে উপলদ্ধি করেছে। ৯৩ দিন হরতাল অবরোধের নামে দেশকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা ব্যার্থ হয়েছে। আগামীতেও ব্যার্থ হবে। যারা (আন্দলনে) ব্যর্থ হয় তারা নির্বাচনেও পরাজিত হয়। মন্ত্রী বুধবার দুপুরে ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভায় অসহায় নারীদের মাঝে নতুন শাড়ি বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, নির্বাচন যথা সময়ে সংবিধান অনুসারে যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। এই ক্ষমতাসীন দলের অধিনে নির্বাচন কমিশন দক্ষতার সাথে সততা ও নিষ্ঠার সাথে সেই নির্বাচন পরিচালনা করবে। নির্বাচন কমিশনকে যোগ্য ও দক্ষ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ নির্বাচন কমিশন খুলনা, গাইবান্ধা ও রংপুরসহ বিভিন্ন নির্বাচন পরিচালনা করে প্রমান করেছে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য কমিশন যোগ্য। তিনি বলেন, মওদুদ আহমেদরা যত কথাই বলুক না কেন বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহন করবে এবং সেই নির্বাচনের আগে তারা একটা গোলজোক সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে।

কিন্তু তারা জানে সেটা করে তারা সফল হতে পারবে না। মন্ত্রী আরো বলেন, বিগত দিনেও ব্এিনপি নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করে তারা ব্যার্থ হয়েছে, সুতারাং তারা ব্যার্থতার দিকে যাবে না। তাদের উচিত হবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করা। যেমন আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহন করছি, তাদেরও উচিত হবে গ্রামে গঞ্জে গিয়ে প্রস্তুতি গ্রহন করা। মন্ত্রী বলেন, বিএনপি’র মনে রাখতে হবে সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের অধীনে নির্বাচন হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে সরকার দৈনেন্দিন কাজ করবে এবং নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে অংশগ্রহন না করলে বিএনপি অস্তিত্বহীন দলে পরিনত হবে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বোরহানউদ্দিন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাব্বতজান চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুস, সহকারী পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান, পৌর মেয়র মো: রফিকুল ইসলাম, ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাসেল আহমেদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এর আগে মন্ত্রী উপজেলার কাচিয়া,কুতবা, পক্ষিয়া, টবগিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ১১ হাজার শাড়ি-লুঙ্গি বিতরন করেন।

এই মাত্রা পাওয়া