১৯ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঈদ আনন্দ পোশাকে

  • তৌফিক অপু

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ-উল-ফিতর। আর ঈদ মানেই তো নতুন পোশাক। প্রতি ঈদে এই ট্রেন্ডের কথা তো জানা আছে সবারই। ঈদের পোশাক কিনতে এরই মাঝে বিপণি বিতানগুলোতে নেমেছে মানুষের ঢল। বিক্রেতারাও ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতার চাহিদা মেটাতে। আপনি যদি এখনও ঈদের পোশাক না কিনে থাকেন তবে জেনে নিতে পারেন এবার ঈদে ঠিক কী ধরনের বা কী ডিজাইনের পোশাক চলছে। হালের ট্রেন্ডে জায়গা করে নিয়েছে কী ধরনের পোশাক। কিছুদিন আগেও ঈদ ফ্যাশন ডিজাইনে ভিন দেশী বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তানের প্রভাব পড়লেও, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের ফ্যাশন হাউসগুলোই তরুণ-তরুণীদের মাঝে প্রভাব বিস্তার করছে।

এবারের ঈদ এসেছে এমন এক সময়ে যখন-তখন নামে বৃষ্টির ঘনঘটা আর তীব্র গরম। তাই গরম এবং বর্ষা ঋতুর কথা মাথায় রেখেই ঈদের পোশাকের ডিজাইন করেছেন ফ্যাশন ডিজাইনাররা। বেছে নিয়েছেন একই সঙ্গে জমকালো আর স্বস্তিদায়ক কাপড়। গরমে আরাম আর বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেই এবার ঈদের পোশাকগুলোর ডিজাইন করা হয়েছে। উজ্জ্বল তবে তা অতিরঞ্জিত নয়, এমন সব কালার বেছে নেয়া হয়েছে। রাতে লাল, কালো, নীল, মেজেন্টা, কমলা এবং দিনে গোলাপি, বেগুনী, আকাশী, এ্যাশ রঙের প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। কাপড় হিসেবে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে শিফন, মসলিন, জর্জেট কাপড়কে। আর তাতে জমকালো ভাব ফুটিয়ে তুলতে করা হয়েছে জারদৌসির কাজ।

শাড়ি এবারের অন্য চমক সৃষ্টি করেছে। আবহওয়ার সঙ্গে মিল রেখে সফট শিফনের ওপর পেইন্টিং প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়া কারচুপি ও হাতের কাজ তো রয়েছেই।

ঈদে মেয়েদের পোশাকে এ্যাম্ব্রয়ডারির প্রাধান্য চোখে পড়েছে। প্রচুর এ্যাম্ব্রয়ডারির নকশা দেখা যাবে অঞ্জনসের ঈদ কালেকশনে। অন্য মাধ্যমেও বিভিন্ন সালোয়ার কামিজ করা হয়েছে। সালোয়ারের ক্ষেত্রে মূলত নরমাল ডিজাইনই প্রাধান্য পেয়েছে। সঙ্গে থাকছে ম্যাচিং ওড়না। উৎসবের আমেজ আনতে ওড়নাগুলোকেও বিশেষ যতœ নিয়ে করা হয়েছে। সালোয়ার কামিজ ছাড়াও ঈদ কালেকশনে থাকছে বিভিন্ন ডিজাইনের ফতুয়া, টপস, শাড়ি ইত্যাদি। মেয়েদের পোশাকে বৈচিত্র্য এসেছে কাটিংয়ে। লং কাটের একটি কামিজ যে কোন নারীকে সহজেই করে তোলে অনন্য। আড়ং, কে-ক্র্যাফট, অঞ্জনসসহ বেশ কয়েকটি ফ্যাশন হাউস লং কামিজের কালেকশন এনেছে। কামিজের ঝুল কখনও পেছনে বেশি থাকছে আর সামনে কমে যাচ্ছে। কখনও সামনে-পেছনে ঝুল ঠিক আছে কিন্তু সাইড থেকে নেমে গেছে। এভাবে নানা ডিজাইনে বৈচিত্র্য আনা হয়েছে ঈদ কালেকশনে।

গরম আবহাওয়ায় সবাই চায় পোশাক পরে যেন স্বস্তি পাওয়া যায়। আর তাই এবার সবার পছন্দের শীর্ষে অবস্থান করছে পাকিস্তানী লন। বাহারি রং আর ডিজাইনের এসব লনের চাহিদা রয়েছে প্রায় সকল বয়সী নারীর মাঝে। সুতি ওড়না ও হাতার লনও যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে শিফন জর্জেটের ওড়না ও হাতার লন। আগেকার মতো বড়সড় ওড়না পরার চল নেই আর। সেই স্থান জায়গা করে নিয়েছে কেপ। কেপ হলো কামিজের ওপর এমন একটা কাপড় যেটি গলার চারপাশে গোল হয়ে অবিকল ওড়নার মতোই দেখায়। কেপ যে কোন আউটফিটে একটা মডার্ন লুক এনে দেয়। দোকান ভেদে এসব লনের দাম ওঠানামা করেছে ১২০০-৪০০০ টাকার মধ্যে। তবে, একটু কম দামে পেতে চাইলে যেতে পারেন ইসলামপুর বা নিউমার্কেটে।

তরুণীদের মাঝে এবার গাউন কেনার আগ্রহ বেশ দেখা যাচ্ছে। পশ্চিমা দেশের এই পোশাকটিকে দেশীয় চাহিদায় ক্রেতাদের কাছে নিয়ে আসার জন্য ইতোমধ্যেই দেশীয় বুটিক হাউসগুলো পার করছে ব্যস্ত সময়। আড়ং, কে ক্র্যাফট, রংসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসগুলো নিয়ে এসেছে সুতির গাউন থেকে শুরু করে জমকালো কাজ করা গাউন। কাটছাঁটে আছে ভিন্নতা। ক্রেতাদের স্বাস্থ্য, উচ্চতা সবদিক খেয়াল রেখেই বিক্রেতারা গাউনের যোগান রেখেছেন। আর তাই তো তরুণীরা লুফে নিচ্ছে নিজের পছন্দমতো গাউন। ফ্যাশন হাউস ভাসাবি তাদের এক যুগ পূর্তিতে বাজারে নিয়ে এসেছে চমৎকার সব গাউন।

ঈদের বাজারে এবারও সালোয়ার হিসেবে নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ‘পেলাজো’ বা চওড়া মুহুরির সালোয়ার। চুড়িদারের চাহিদা ইদানীং তুলনামূলক কম। ব্লকের সালোয়ার কামিজগুলোও এবার বেশ চলছে। ডিজাইনেও এসেছে নতুনত্ব। ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর শপিং মলগুলো ঘুরে দেখা যায়, এবার নারীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে শিফন জর্জেট, কাতান আর জামদানির শাড়ি। ব্লাউজে চলছে পেছন দিয়ে খোলামেলা কাট। শাড়িতে জরি, পুতি, ভারি স্টোনের কাজও এবার বেশ চোখে পড়ছে। এসব শাড়ির বেশির ভাগই ভারত থেকে আমদানিকৃত।

ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমলে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রং ও ডিজাইনের মনকাড়া সব আকর্ষণীয় পাঞ্জাবি। বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের কয়েকটি ফ্লোর ঘুরে দেখা যায় এমন সব চিত্র। মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত শ্রেণীর মানুষের জন্য রয়েছে এসব পাঞ্জাবি। পাঞ্জাবিগুলোর দাম রাখা হয়েছে ১৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪৫০০ টাকা পর্যন্ত। পাঞ্জাবিগুলোর মধ্যে বর্তমানে জয়শ্রী সিøম, সেমিলং, সিøমফিট, কারচুপি, এ্যাম্ব্রয়ডারি স্ক্রিন প্রিন্টের পাওয়া যাবে। এ ছাড়াও শেরওয়ানি স্টাইলের পাঞ্জাবিরও কদর রয়েছে। কটন, এ্যান্ডিকটন, এ্যান্ডিসিøক, মাইসরি কটন, কাতান ফেব্রিক্সের পাঞ্জাবি আপনি নিতে পারবেন। এ ছাড়াও বর্তমানে লিলেন কাপড়ের ওপর গর্জিয়াস কাজের পাঞ্জাবি বর্তমানে বেশি চলছে। এ ছাড়াও একটু লং পাঞ্জাবির কদর এবারের ঈদে একটু বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে।

ঈদ মানেই নতুনত্ব। ঈদ মানেই বাড়তি আনন্দ। ঈদ মানেই নতুন পোশাকে, নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলা। ছোট-বড় সবাই ঈদে নতুন পোশাকে নিজেদের সাজাতে চায়। তবে ঈদে সব বয়সী ছেলেদের বিভিন্ন স্টাইলের পাঞ্জাবি পরার প্রবণতা দেখা যায়। পাঞ্জাবিতে যেমন ফুটে ওঠে ব্যক্তিত্ব তেমন লুকেও আসে সৌন্দর্য। সুন্দর ডিজাইনের পাঞ্জাবি এখন ইয়াং জেনারেশনের প্রথম পছন্দ।

গরম ও বৃষ্টির এই ঋতুতে আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফ্যাশন হাউসগুলো সাজিয়েছে তাদের নানা আয়োজন। পাঞ্জাবি যদিও প্রতি বছর ঈদে সমান আকর্ষণ নিয়েই বাজারে আসে; তবে এর কাটিং, প্যাটার্ন, লেন্স, কালার এসবে কিন্তু প্রতিবারই কিছু না কিছু নতুনত্ব দেখা যায়। এবারের ঈদে সিøম ফিটিং পাঞ্জাবির প্যাটার্ন বেশি চলছে। সেই সঙ্গে লং, সেমি লং লেন্থ থাকছে। শর্ট পাঞ্জাবিও করা হয়েছে। তবে এর প্রচলনটা কম। রঙের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল রঙের পাশাপাশি স্টাইপ, হালকা প্রিন্ট এসবও থাকছে। তবে ম্যাটেরিয়াল হিসেবে সুতির কাপড়ই প্রাধান্য পেয়েছে। কারণ গরমের এই সময়ে সুতির মতো আরামদায়ক আর কোন কাপড় হতে পারে না। প্রতিটি ফ্যাশন হাউসেই আলাদা করে সাজানো হয়েছে পাঞ্জাবির ঈদ কালেকশন। ঈদে ট্র্যাডিশনাল পাঞ্জাবির পাশাপাশি হালকা কারুকাজ করা পাঞ্জাবি থাকছে। নানা ধরনের প্রিন্টের নকশা করা পাঞ্জাবিও থাকছে। এ ছাড়া টাইডাই করা পাঞ্জাবিও পাওয়া যাচ্ছে। হাতা গলায় ও বোতামের ধার ধরে হালকা কাজ করা পাঞ্জাবি বেশ চলছে। ফ্যাশন হাউস আটিজ্যানে আরামদায়ক কাপড়ে অ্যামব্রয়ডারি আর কারচুপির কাজে নান্দনিকতা নিয়ে উজ্জ্বল রং আর বৈচিত্র্যে সাজানো হয়েছে পাঞ্জাবি কালেকশন। এখানে সুতির পাশাপাশি আদি ও জামদানি কাপড়ের পাঞ্জাবিও করা হয়েছে। যারা একটু গর্জিয়াস পাঞ্জাবি চান তাদের জন্য রয়েছে সিল্ক, ভয়েল জর্জেট, অ্যান্ডি, জামেবার ইত্যাদি কাপড়ে তৈরি করা পাঞ্জাবি। সেই সঙ্গে জমকালো কাজ করা পাঞ্জাবিও রয়েছে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসের এক্সক্লুসিভ পাঞ্জাবি কালেকশনে। ঈদের দিনে পাঞ্জাবির সঙ্গে সাধারণত সবাই পায়জামা পরতেই বেশি পছন্দ করেন। আলিগড়ি, চুড়িদার ও ট্রাউজার স্টাইলের পায়জামা থেকে বেছে নিতে পারেন পাঞ্জাবির সঙ্গে মানানসই পায়জামা; তবে অনেকে পাঞ্জাবির সঙ্গে পরে থাকেন জিন্সের প্যান্ট। এ ছাড়া প্রিন্স কোট ও কটি পরতে পারেন পাঞ্জাবির সঙ্গে। কটি পাঞ্জাবির সঙ্গে যোগ করে নতুন লুক। ফ্যাশন হাউস ছাড়াও বিভিন্ন শপিংমলে রয়েছে নানা ডিজাইনের ও কাপড়ের তৈরি কটি, জ্যাকেট ও প্রিন্স কোট। পাঞ্জাবির সঙ্গে ম্যাচিং করে কিনে নিন আপনার পছন্দের কটি বা প্রিন্স কোট। কাপড় এবং কারুকাজের ওপর নির্ভর করে এই সকল পাঞ্জাবি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে আট থেকে দশ হাজার টাকার মধ্যে। এছাড়াও দেশীয় স্ট্যাইলের পাশাপাশি ইন্ডিয়ান স্ট্যাইলের কিছু যেমন- মান্নিস, কোশাল, খানসাব, মানজেনা, দরবার প্রভৃতি পাওয়া যাচ্ছে। পোশাকগুলোর দাম ১৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত।

ঈদের আনন্দ সবচেয়ে বেশি চুয়ে যায় ছোটদেরই। শিশুদের জন্য ঈদের বাজারে উঠেছে বৈচিত্র্যময় পোশাক। মেয়ে শিশুদের জন্য ঘের দেয়া লম্বা কামিজ যেমন চলছে, তেমনি ছেলে শিশুদের পাঞ্জাবিতে লাইন কাটের ব্যবহার বেশি। শিশুরা সারাদিন জমকালো পোশাক পরে থাকতে পারে না। সেজন্য সুতি, ডেনিম বা জিনসের প্যান্ট, খাটো হাতার শার্ট ও ফতুয়া দেয়া যেতে পারে। এবার মেয়ে শিশুদের জন্য পার্টি ফ্রক, ঘাগড়া চোলি ও লেগিংসের চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি সালোয়ার-কামিজও পরতে পারে এবারের ঈদে। কাতান, টিস্যু, মসলিন ও সার্টিনের ব্যবহার ভাল লাগবে পার্টি পোশাকে। এছাড়া সুতির কাপড় তো রয়েছেই।

বড়দের মতোই ছোটদের পোশাকের নকশায় প্রাধান্য পাচ্ছে কারচুপি, এমব্রয়ডারিসহ হাতের কাজ। এছাড়া রয়েছে সিল্ক, মসলিন কাপড়ের পার্টি পোশাক। বাচ্চাদের জন্য বরাবরের মতো এবারও বেছে নেওয়া হয়েছে উজ্জ্বল রং। আড়ং, রঙ, নিত্য উপহার, মেঘ, বরণ, যাত্রাসহ ছোট-বড় সব ফ্যাশন হাউস ঈদকে সামনে রেখে তাদের নিজেদের ডিজাইন মেলে ধরেছে শিশুদের রং-বেরঙের পোশাক দিয়ে। ছেলে শিশুদের জন্য প্রচলিত চেক ডিজাইনের টি-শার্টের পাশাপাশি বিভিন্ন রং ডিজাইনের টি-শার্ট বিক্রি হচ্ছে শোরুমগুলোতে। গরমে শিশুদের প্রশান্তির কথা ভেবে গেঞ্জি কাপড়ের টপ, টি-শার্ট, প্যান্ট এনেছে বিভিন্ন ব্যান্ড। মেয়ে শিশুদের জন্য সুতির টু-পিস, থ্রি-পিস, ফ্রকের বড় সংগ্রহ এনেছে ফ্যাশন হাউসগুলো মেয়েদের আনারকলি, একটু ঘের দেয়া লম্বা কামিজ যেমন চলবে, তেমনি ছেলেশিশুদের পাঞ্জাবিতে এ লাইন কাটের ব্যবহার বেশি এবার। তবে ছেলেদের বিশেষ আয়োজনে রয়েছে জিন্স, টি-শার্ট, ফতুয়া ও পাঞ্জাবি। ঈদটা হবে খানিকটা গরমেই। তাই এ সময় দরকার আরামদায়ক পোশাক। গরমকে বিবেচনা করে হাতাসহ ও হাতা কাটা দুই ধরনের পোশাকই থাকছে। ছেলেমেয়ে উভয়ের জন্য থাকবে থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট। দাওয়াতে যাওয়ার সময় বেছে নিতে পারেন জমকালো সিল্ক, এ্যান্ডির পাঞ্জাবি। গরমের কারণে হাল্কা সুতি কাপড়ের প্রাধান্য বেশি থাকলেও জমকালো পোশাকগুলোতে থাকছে কাতান, টিস্যু, মসলিন ও সার্টিন কাপড়ের ব্যবহার। ডিজাইনেও রয়েছে ভিন্নতা। আর বাচ্চাদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে বরাবরের মতো এবারও গাঢ় উজ্জ্বল রঙের প্রতি বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। সাইজ আর রঙের ভিন্নতা অনুসারে এসব পোশাকে রয়েছে বেশ হেরফের। কেউ চাইলেই রাজধানীর নিউমার্কেট, মৌচাক, টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, বেইলি রোড, সুবাস্তু টাওয়ার, কর্ণফুলী মার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেট, বসুন্ধরা ও গাউছিয়া মার্কেটের বিভিন্ন দোকান থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন শিশুদের বাহারি পোশাক।

নির্বাচিত সংবাদ