১৭ আগস্ট ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেষ হয়ে এসেছে মাস ব্যাপী সিয়াম সাধনা। আজ চাঁদ দেখা গেলেই কাল উদ্যাপিত হবে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। ইতোমধ্যে ঈদের আনন্দে মাতোয়ারা সারাদেশ। প্রাণের টানে প্রিয়জনের সান্নিধ্য পেতে ঘরের পানে ছুটছে সবাই। ঈদ উদ্যাপনের সকল প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে দেশবাসী। ঘরে ঘরে বইছে ঈদের খুশির বন্যা। এখন অপেক্ষা শুধু ঈদের। এদিকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বাণী প্রদান করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ। বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। এদিকে ঢাকাসহ সারা দেশে ঈদ জামাতের পুরো প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। এবার দেশের প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিচারপতি, কূটনীতিক, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এই জামাতে শরিক হবেন। সকাল সাড়ে ৮টায় দেশের প্রধান ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে এবারে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে।

এদিকে ঈদ-উল-ফিতর বা শাওয়ালের চাঁদ দেখতে আজ সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। আজকে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ঈদ-উল-ফিতর উদ্যাপনের চূড়ান্ত ঘোষণা দিবেন কমিটি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭.১৫ মিনিটে (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। বাংলাদেশ এ্যাস্ট্রোন-মিক্যাল সোসাইটি জানিয়েছে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। তাদের এই হিসাব অনুযায়ী আগামীকাল শনিবারই অনুষ্ঠিত হচ্ছে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। তারা বলছেন, গত ১৩ জুন বুধবার দিবাগত রাত ১টা ৪৩ মিনিটে বর্তমান চাঁদের অমাবস্যা কলা পূর্ণ করে নতুন চাঁদের জন্ম হয়েছে। চাঁদটি পরদিন ১৪ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৬ মিনিটে সূর্যাস্তের সময় দিগন্ত রেখা হতে ৬ ডিগ্রী উচ্চতায় ২৮৯ ডিগ্রী দিগন্তে অবস্থান করে, ৩৪ মিনিট দেশের আকাশে অবস্থান শেষে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে অস্ত যায়। এদিন চাঁদের শতকরা ১ ভাগ অংশ আলোকিত থাকায় দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল না।

নতুন জন্ম নেয়া চাঁদটি আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে সূর্যাস্তের সময় দিগন্ত রেখা থেকে ১৯ ডিগ্রী উপরে ২৮৪ ডিগ্রী দিগন্তে অবস্থান করবে। প্রায় ১ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট দেশের আকাশে অবস্থান শেষে রাত ৮টা ২৩ মিনিটে ২৯২ ডিগ্রী দিগন্তে অস্ত যাবে। এই সময় চাঁদের ৪% অংশ আলোকিত থাকবে। দেশের আকাশ মেঘমুক্ত এবং পরিষ্কার থাকলে একে বেশ স্পষ্টভাবেই দেখা যাবে। এই সন্ধ্যায় উদিত চাঁদের বয়স হবে ৪১ ঘণ্টা ৪ মিনিট এবং সবচেয়ে ভালভাবে দেখা যাবে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। সুতরাং ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী আজ সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামীকাল ১৬ জুন শনিবার থেকে আরবি ১৪৩৯ হিজরির ‘শাওয়াল’ মাসের গণনা শুরু হবে। এদিনই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদ্যাপিত হবে।

ঈদ-উল-ফিতর (আরবি ঈদ-উল-ফিতর অর্থ রোজা ভাঙার দিবস) ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দুু’টি সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের একটি। ধর্মীয় পরিভাষায় ঈদ-উল-ফিতরকে পুরস্কার দিবস হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে। দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখা বা সিয়াম সাধনার পর বিশ্বের মুসলমানেরা এই দিনটি ধর্মীয় কর্তব্যপালনসহ খুব আনন্দের সঙ্গে উদ্যাপন করে থাকে। ধনী গরিব, ছোট বড়, আশরাফ-আতরাফ সবাইকে এক কাতারে দাঁড় করায় ঈদ। সম্প্রীতি ও সৌহার্দের বন্ধনেও আবদ্ধ করে। হিজরি বর্ষপঞ্জী অনুসারে রমজান মাসের শেষে শাওয়াল মাসের ১ তারিখে ঈদ-উল-ফিতর উদ্যাপন পালন করা হয়। চাঁদ দেখাসাপেক্ষে রমজানের সমাপ্তিতে শাওয়ালের মাসের গণনা শুরু হয়। ঈদের আগের রাতটিকে ইসলামী পরিভাষায় জায়জা (বা পুরস্কার রজনী) এবং চলতি ভাষায় চাঁদ রাত (বা চান রাইত) বলে অভিহিত করা হয়। ঈদের চাঁদ স্বচক্ষে দেখে তবেই ঈদের ঘোষণা দেয়া ইসলামী বিধান। তবে বর্তমানে অনেক দেশে গাণিতিক হিসেবে ঈদের দিন নির্ধারিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশে ঈদের দিন নির্ধারিত হয় দেশের কোথাও না-কোথাও চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে। ইসলামী নিয়ম অনুসারে ঈদের পূর্বে পুরো রমজান মাস রোজা রাখা হলেও ঈদের দিনে রোজা রাখা নিষিদ্ধ বা হারাম।

এক বছর পরে মুসলমানদের ঘরে আসে ঈদ। ঈদের আনন্দ থেকে কেউ বঞ্চিত হতে চায় না। তাই কষ্ট করে হলেও প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছেড়ে চলে গেছে লাখ লাখ মানুষ। বাংলাদেশসহ অন্যান্য মুসলিম প্রধান দেশে ঈদ-উল-ফিতরই হলো বৃহত্তম বার্ষিক উৎসব। তাই ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সারা রমজান মাস ধরেই চলেছে কেনাকাটা। অধিকাংশ পরিবারে ঈদের সময়েই নতুন পোশাক কেনা হয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এখন সবাই রয়েছে বাড়ির পথে। ঈদে প্রিয়জনের সান্নিধ্য পেতে গত ১০ জুন থেকে শুরু হয়েছে ঘরে ফেরার পালা।

ফিতরা ॥ ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। এটি এক ধরনের সাদাকা বা দান। যা রোজার ভুলত্রুটি দূর করার জন্যে আদায় করা হয়। ঈদের নামাজের পূর্বেই ফিতরা আদায় করার বিধান রয়েছে। ফিতরার ন্যূনতম পরিমাণ ইসলামী বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা থাকে। সাধারণত ফিতরার পরিমাণ আটা বা অন্য শস্যের (যব, কিশমিশ) মূল্যের ভিত্তিতে হিসাব করা হয়। সচরাচর আড়াই সের আটার স্থানীয় মূল্যের ভিত্তিতে ন্যূনতম ফিতরার পরিমাণ নিরূপণ করা হয়। এবার জন প্রতি ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিম্ন ৭০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩১০ টাকা। নির্ধারিত এই হারের মধ্যে যে কেউ তার ইচ্ছে অনুযায়ী ফিতরা আদায় করতে পারবেন। নিয়ম অনুযায়ী ঈদের নামাজের পূর্বেই ফিতরা আদায় করতে হয়। তবে ভুলক্রমে ঈদের নামাজ পড়া হয়ে গেলেও ফিতরা আদায় করা যায়।

জাতীয় ঈদগাহের প্রস্তুতি ॥ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ইতোমধ্যে জাতীয় ঈদগাহের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দেশের প্রধান ঈদ জামাত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ঈদের এই প্রধান জামাতে এবার একসঙ্গে একলাখ মুসল্লি নামাজ আদায় করবেন। এছাড়াও প্রধান জামাতে প্রায় ৫ হাজার নারী একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, ডিএসসিসির পক্ষ থেকে জাতীয় ঈদগাহের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে মহিলা মুসল্লিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। প্রধান জামাতে অজু, পানযোগ্য পানিসহ পর্যাপ্ত টয়লেট, মুসল্লিদের জরুরী স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে মেডিক্যাল টিম, জেনারেটর স্ট্যান্ডবাই থাকবে। এছাড়া সার্বক্ষণিক নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে প্রধান জামাতের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ শেষে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নামাজ আদায় করতে আগত মুসল্লিরা এবার জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু সঙ্গে আনতে পারবেন না। সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া দেখা দিলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত।

এদিকে পবিত্র ঈদের দিন ভোর ছয়টা থেকেই জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের আশপাশের রাস্তায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যানবাহনগুলোকে ময়দানের খুব কাছাকাছি রাস্তা পরিহার করে বিকল্প রাস্তায় চলতে বলা হয়েছে। এছাড়া যানবাহনগুলোকে নির্ধারিত জায়গায় পার্কিং করতে নির্দেশ জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।

যানবাহন চলাচল ॥ জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিকটবর্তী নির্ধারিত পার্কিংয়ে শুধু ভিভিআইপি ও ভিআইপিগণের গাড়িসমূহ মৎস্য ভবন হয়ে প্রবেশ করবে। অন্যদের গাড়ি এবং বাণিজ্যিক যানবাহনসমূহ সরকারী কর্মচারী হাসপাতাল মোড়-প্রেসক্লাব লিংক রোড-পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পেছনের গলি-সাব কন্ট্রোল রুম গ্যাপ-ইউবিএল ক্রসিং-দোয়েল চত্বর ক্রসিং-মৎস্য ভবন ক্রসিং-এ স্থাপিত ব্যারিকেডের বাইরে পার্কিং ও চলাচল করবে।

ভিআইপিসহ বিশিষ্ট জনদের গাড়ি পার্কিং এলাকা ॥ সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের আশপাশের নিম্নবর্ণিত স্থানসমূহ পার্কিং এলাকা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে সুপ্রীমকোর্টের অভ্যন্তরে গোল চত্বরের নিকট রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর (ভিভিআইপি অ্যালাইটিংয়ের পশ্চিম পার্শ্ব)। সুপ্রীমকোর্টের ভেতরে দক্ষিণ-পশ্চিম কর্নারে (মাজার সংলগ্ন উত্তর পার্শ্বে) বিচারপতিগণের গাড়ি পার্কিং। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের প্রধান গেটের উত্তর-পশ্চিম দিকে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যসহ ভিআইপিদের গাড়ি পার্কিং। গণপূর্ত ভবনের আঙ্গিনা ও অভ্যন্তরে সরকারী কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের গাড়ি পার্কিং।

সাধারণ পার্কিং এলাকা ॥ জিরো পয়েন্ট ও ইউবিএল ক্রসিংয়ের (মুক্তাঙ্গন) উভয় পার্শ্ব, দোয়েল চত্বরের দক্ষিণ-পশ্চিম-উত্তর পার্শ্ব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল থেকে বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেট ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্ব, মৎস্য ভবন ক্রসিংয়ের পূর্ব দিকে কার্পেট গলি রোড ক্রর্সিং পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্ব।

বায়তুল মোকাররমে জাতীয় মসজিদে ঈদ জামাতের সময়সূচী ॥ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে প্রথম জামাত সকাল ৭টা, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টা, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টা এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০.৪৫ টায় অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় সংসদ ॥ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ঈদের দিন সকাল ৮টায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনস্থ দক্ষিণ প্লাজায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের হুইপ, সংসদ সদস্য ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীসহ এলাকার মুসল্লিরা এ জামাতে অংশ নেবেন।

ঢাকার অন্যান্য জামাত ॥ মীর বাড়ি আদি জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়, পল্লীমা সংসদ ময়দানে প্রতিবারের ন্যায় এবারও সকাল পৌনে ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এখানে মহিলাদের জন্য বিশেষ নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। পল্লবী থানাধীন মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনে ‘এ’ ব্লকে হারুন মোল্লাহ ইদগাহ পার্ক ও খেলার মাঠে সকাল পৌনে ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেট জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, দেওয়ানবাগ দরবার শরীফে প্রথম জামাত সকাল ৮টায়, দ্বিতীয় জামাত সাড়ে ৯টায় এবং তৃতীয় জামাত ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। মিয়া সাহেব ময়দান শাহ সাহেব বাড়ি মসজিদে সকাল ৭.১৫ টায়, পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারস্থ নূরানী জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায়, এ্যালিফেন্ট রোডস্থ এরোপ্লেন মসজিদে সকাল ৮টায়, আবুজর গিফারী কলেজ মাঠে সকাল ৮টায়, টোলারবাগস্থ খানকায়ে মশুরিয়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।