১৭ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভিন দেশের জার্সি জড়িয়ে

  • দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা একজন ফুটবলারের আজন্ম লালিত স্বপ্ন। কিন্তু এমন অনেক খেলোয়াড় আছেন, যারা নিজের তৃভূমির ডাক উপেক্ষা করে বেছে নিয়েছেন অন্য কোন দেশ। আসুন পরিচিত হই এমন কয়েক খেলোয়াড়ের সঙ্গে। লিখেছেন-আল মামুন

গঞ্জালো হিগুয়াইন

গনজালো হিগুয়াইনের জন্ম ফ্রান্সে। তার বাবা মিগুয়েল হিগুয়াইন একজন আর্জেন্টাইন। বাবার সুবাদে ২০০৭ সালে আর্জেন্টিনার নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন হিগুয়াইন। ফ্রান্স আর আর্জেন্টিনা দুই জাতীয় দল থেকেই ডাক পাওয়া হিগুয়াইন খেলছেন আর্জেন্টিনার হয়ে।

.

ডিয়েগো কস্তা

ডিয়েগো কস্তা। এবারের বিশ্বকাপ খেলছেন স্পেনের জার্সি গায়ে। কিন্তু ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে তিনি খেলেছেন দুটি ম্যাচও। ব্রাজিলে জন্মানো কস্তা স্পেনের হয়ে খেলতে যাচ্ছেন নিজের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ।

.

উইলিয়াম কারভালহো

উইলিয়াম কারভালহোর জন্ম এ্যাঙ্গোলার লুয়ান্ডায়। মাত্র ১৩ বছর বয়সে পাড়ি জমান স্পোর্টিং লিসবনের যুব দলে। ২০১২ সালে পর্তুগালের অনূর্ধ ২১ দলে খেলার সুযোগ পান। আর এবার আছেন পর্তুগালের বিশ্বকাপ দলে।

.

স্যামুয়েল উমতিতি

স্যামুয়েল উমতিতির জন্মস্থান ক্যামেরুন। জন্মের দুই বছর পর উমতিতি চলে আসেন ফ্রান্সে। ২০১৬ সালে ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয় তার। দারুণ ফর্মে থাকা উমতিতি এবারও আছেন দিদিয়ের দেশমের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে।

.

থিয়াগো আলকানতারা

থিয়াগোর বাবা ম্যাজিনহো ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। ২০০৫ সালে থিয়াগো যোগ দেন বার্সেলোনার বিখ্যাত একাডেমি লা মাসিয়ায়। সেখানে থাকতেই পান স্পেনের নাগরিকত্ব। নাগরিকত্ব পাওয়ার পরপরই স্পেনের জার্সি পরার সিদ্ধান্ত নেন থিয়াগো।

.

রাহিম স্টারলিং

রাহিম স্টারলিংয়ের জন্ম জ্যামাইকায়। কিন্তু বর্তমানে খেলছেন ইংল্যান্ডের হয়ে। ২০১২ সালে ডাক পান ইংল্যান্ডের জাতীয় দলে। স্টারলিং রাশিয়া বিশ্বকাপে থ্রি লায়ন্সের অন্যতম ভরসার প্রতীক।

.

রাফায়েল গুরেরো

ফ্রান্সে জন্ম রাফায়েল গুরেরোর। অবশ্য খেলছেন পর্তুগালের জার্সি গায়ে। ২০১৬ সালে ডাক পান জাতীয় দলে। রাশিয়া যাত্রায়ও রোনালদো, আন্দ্রে সিলভাদের সঙ্গী হয়েছেন তিনি।

.

পেপে

ব্রাজিলের মাসেইওতে জন্ম পর্তুগিজ ডিফেন্ডার পেপের। ২০০৬ সালে তার ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে খেলার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তা আর হয়ে ওঠেনি। পর্তুগালের হয়ে খেলেছেন ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপ। এবারের বিশ্বকাপেও খেলছেন পর্তুগালের হয়ে।

.

ইভান রাকিটিচ

ইভান রাকিটিচের জন্ম সুইজারল্যান্ডে। খেলেছেন সুইজারল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলগুলোতে। তার বাবা-মা ক্রোয়েশিয়ান। সেই সুবাদে ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলে খেলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

.

মাতেও কোভাচিচ

মাতেও কোভাচিচের জন্মভূমি অস্ট্রিয়া হলেও তিনি খেলছেন ক্রোয়েশিয়ার হয়ে। সার্বিয়ার বিপক্ষে ২০১৩ সালে ডেব্যু হয় তার। প্রতিভাবান এই মিডফিল্ডার আছেন ক্রোয়েশিয়ার বিশ্বকাপ দলেও।