২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জব্বার মন্ডল সহ ৫ রাজাকারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সুচনা বক্তব্য ৮ আগষ্ট

জব্বার মন্ডল সহ ৫ রাজাকারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সুচনা  বক্তব্য ৮ আগষ্ট

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার আব্দুল জব্বার মন্ডল সহ পাঁচ রাজাকারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সুচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহনেল জন্য ৮ আগষ্ট দিন নির্ধারন করা হয়েছে।

বুধবার মামলার দিন থাকলেও প্রসিকিউশনের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল -১ বুধবার এ আদেশ প্রদান করেছেন।

এ মামলায় ৬ আসামি থাকলেও আসামি মো: আজগর আলী খান মারা যাবার পর বর্তমান পাঁচ জন আসামি রয়েছেন। অন্য আসামিরা হলেন, মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল (৮৬), তার ছেলে মো. জাছিজার রহমান ওরফে খোকা (৬৪), মো. আব্দুল ওয়াহেদ মন্ডল (৬২), মো. মোন্তাজ আলী ব্যাপারী ওরফে মমতাজ (৬৮), মো. রনজু মিয়া (৫৯)। আসামিদের মধ্যে রনজু মিয়া বাদে বাকি সবাই পলাতক। ২০১৫ সালের ১২ অক্টোবর থেকে তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা ।

আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী চার অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে। অভিযোগ গুলোর মধ্যে রয়েছে ,প্রথম অভিযোগ : ১৯৭১ এর জুন মাসের প্রথম দিকে আজগর হোসেন খানের নেতৃত্বে ৮-১০ জন রাজাকার এবং ১৫-২০ জন পাকিস্তান দখলকার সেনাবাহিনী গাইবান্ধার সদরে সাহাপাড়া ইউনিয়নের বিঞ্চপুর গ্রামে হিন্দুদের বাড়িতে হামলা করে।

তারা অম্বিকা চরন সরকার, দ্বিজেন চন্দ্র সরকার ও আব্দুল মজিদ প্রধানকে নির্যাতন করে। আসামিরা ফুল কুমারী রানী ও তার জা সাধনা রানী সরকার (বর্তমানে মৃত) আটক করে নির্যাতন করে। তারা মুসলমান হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে কপালের সিদুর এবং হাতের শাখা ভেঙ্গে দিয়ে ছেড়ে দেয়।

দ্বিতীয় অভিযোগ : গাইবান্ধা জেলার সদর থানাধীন সাহাপাড়া ইউনিয়নের নান্দিনা গ্রামে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে আবু বক্কর, তারা আকন্দ, আনছার আলী এবং নছিম উদ্দিন আকন্দসহ মোট ৯ জনকে গুলি করে হত্যা করে এবং ৪০-৫০টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠন করে আগুনে পুড়িয়ে দেয়। তৃতীয় অভিযোগ : গাইবান্ধা জেলার সদর থানার সাহাপাড়া ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে লাল মিয়া বেপারী, আব্দুল বাকী এবং খলিলার রহমানসহ ৫ জনকে গুলি করে হত্যা করে। চতুর্থ অভিযোগ : গাইবান্ধার সাহাপাড়া ইউনিয়নের নান্দিনা, মিরপুর, সাহারবাজার, কাশদহ, বিসিক শিল্প নগরী, ভবানীপুর এবং চকগায়েশপুর গ্রামে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে নিরস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক, ইসলাম উদ্দিন এবং নবীর হোসেনসহ মোট ৭ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

নির্বাচিত সংবাদ