২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জঙ্গী তৈরির কারিগর আলোচিত ইসহাক খান গ্রেফতার

জঙ্গী তৈরির কারিগর আলোচিত ইসহাক খান গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ অবশেষে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর গ্রেফতার হলো জঙ্গী তৈরির কারিগর আলোচিত শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক খান ওরফে আব্দুল্লাহ। ২০১৩ সাল থেকে জঙ্গীদের হাতে দেশে একের পর ব্লগার, প্রকাশক, লেখক, বিদেশী, ধর্মযাজকসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ হত্যার পর নাম আসে এই শিক্ষকের। আলোচিত এসব হত্যাকা-ের পর নাম আসা নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের আধ্যাত্মিক নেতা মুফতি মাওলানা জসীমুদ্দিন রাহমানীর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ এই শিক্ষক। রাহমানী গ্রেফতারের পর থেকেই এই শিক্ষকই জঙ্গীবাদের নানাভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছিলেন। রাহমানীর সঙ্গে তার নাম আসার পর পরই তিনি আত্মগোপনে চলে গিয়ে সমস্ত প্রযুক্তির বাইরে ছিলেন। নাম পরিবর্তন করে গত দুই বছর ধরে মানিকগঞ্জে মাদ্রাসা গড়ে তুলে সেখানে জঙ্গী গড়ে তোলার কাজ করছিলেন। নিজস্ব দুইটি প্রকাশনা থেকে জিহাদী বইপত্র ছেপে তা জঙ্গীবাদের ট্রেনিং হয়, এমন মাদ্রাসাগুলোতে সরবরাহ করতেন। তার প্রকাশনা থেকে উদ্ধার হয়েছে শত শত জিহাদী বই। কারাবন্দী মুফতি জসীমুদ্দিন রাহমানী ও শিক্ষক ইসহাক খানের লেখা বই পড়েই হালে দেশীয় জঙ্গীরা নতুন করে জিহাদের ডাক দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গত ১০ জুলাই র‌্যাব-৩ এর একটি দল মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর থানাধীন ইরতা কাশিমপুর গ্রাম থেকে মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক খান ওরফে আব্দুল্লাহকে (৩২) গ্রেফতার করে। তার দেয়া তথ্য মোতাবেক তার নিজস্ব প্রকাশনা এবং মানিকগঞ্জ তার মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার হয়েছে শত শত জিহাদী বই।

বুধবার বিকেলে কাওরান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এমরানুল হাসান জানান, আব্দুল্লাহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন আনসার আল ইসলামের মিডিয়া বিভাগের সমন্বয়ক বলে দাবি করেছে। তার পিতার নাম মাওলানা আব্দুর রহমান খান। বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানাধীন বদরপুর গ্রামে। সে সংগঠনের পক্ষে উগ্রবাদী লেখনির মাধ্যমে যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করে কর্মী সংগ্রহ ও প্রচারণায় লিপ্ত।