২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সোহেল রানা বয়াতির দুই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী কাল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আন্তর্জাতিক সাহিত্য সংস্কৃতি সংযোগের উদ্যোগে আগামীকাল শুক্রবার শাহবাগের জাতীয় গণগ্রন্থাগার মিলনায়তনে তরুণ পরিচালক সোহেল রানা বয়াতির ‘সেলাই জীবন’ এবং ‘জল ও পানি’ দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী হবে। এ উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন সচিব আকতারী মমতাজ। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কবি ও সাংবাদিক সোহরাব হাসান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম এ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান জুনায়েদ আহমেদ হালিম, চলচ্চিত্র নির্মাতা মানজারে হাসিন মুরাদ, সাহিত্যিক ফারুক মঈনউদ্দীন, কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মাসুদ পথিকসহ আরও অনেকে।

সোহেল রানা বয়াতির দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মাসুদ পথিকের কবিতা ‘জল ও পানি’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘জল ও পানি’। মাসুদ পথিকের এই কবিতা ‘চাষার বচন’ গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন রাইসুল তমাল।

এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাপ্পিরাজ, নুসরাত জেরি, বদরুদ্দোজা, নিলুফার ওয়াহিদ, আ হ ম হাসানুজ্জামান, মাস্টার আপন প্রমুখ। চলচ্চিত্রের শিরোনাম সঙ্গীতে কণ্ঠ দিয়েছেন আদনান রুশদি ও নাদিয়া ডোরা। বরিশালের প্রত্যন্ত গ্রামে ‘জল ও পানি’ চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ফারুক মইনউদ্দিনের ‘শরীরবৃত্তীয়’ ছোট গল্প অবলম্বনে ‘সেলাই জীবন’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন তরুণ নির্মাতা সোহেল রানা বয়াতি।

চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন অনিক কান্তি সরকার। চিত্রগ্রহণে ছিলেন ফরহাদ হোসেন। এই চলচ্চিত্রের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিমুল খান, সাজু আহমেদ, জয়িতা মাহলানবিশ, নীলা, পাপিয়া, সাদিয়াসহ আরও অনেকে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ইপিজেড ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে চলচ্চিত্রের শূটিং হয়েছে।

চলচ্চিত্রটি দুটি প্রসঙ্গে নির্মাতা সোহেল রানা বয়াতি বলেন, ‘জল ও পানি’ চলচ্চিত্রে কবিতার মতো সহজ-সরল ও কাব্যিক চিত্রে কাজটি উপস্থাপন করতে চেয়েছি। চলচ্চিত্রে সাম্প্রদায়িক মনস্তত্ত্বের গভীরতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। প্রতিটি চিত্র বাস্তব করে তোলার সকল চেষ্টা করেছি। ‘সেলাই জীবন’ চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে বয়াতি বলেন, গার্মেন্টস খাত আমাদের জাতীয় আয়ের একটি বিশাল অংশ সরবরাহ করে। কিন্তু যেসব কর্মী এই আয় করে তাদের জীবন স্বাভাবিকভাবে চলে না। আমরা দেখি প্রতিবছর ঈদের সময় তারা বেতন ভাতার জন্য আন্দোলন করে। আবার বিভিন্ন গার্মেন্টসে শিশুরা কাজ করে। তবে তারা কেন কাজ করে, কিভাবে কাজ করে তা শরীরবৃত্তীয় গল্পে লেখক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। মানবিক এই গল্পটি আমি সহজ সরলভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। দুটি চলচ্চিত্রই দর্শকদের ভাল লাগবে বরে আমার বিশ্বাস।