২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যুবলীগ নেতাকে গ্রেফতারের দাবিতে জলঢাকায় সড়ক অবরোধ

যুবলীগ নেতাকে গ্রেফতারের দাবিতে জলঢাকায় সড়ক অবরোধ

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ যুবলীগ নেতা আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর কর্তৃক হামলার অভিযোগ তুলে তাকে গ্রেফতারের দাবিতে নীলফামারী-৩ ( জলঢাকা আংশিক কিশোরীগঞ্জ) আসনের আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাপ মোস্তফা সড়ক অবরোধ করেছে।

বুধবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টা হতে তিনি জলঢাকা শহরের জিরো পয়েন্টে সড়কের উপর বসে পড়লে তার সমর্থকরা জলঢাকা রংপুর, নীলফামারী, ডোমার, ডিমলা ও পঞ্চগড় সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।

খবর পেয়ে জেলা শহর হতে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে এক প্লাটুন পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্যরা জলঢাকা ছুটে আসে।

এ সময় সংসদ সদস্য অভিযোগ তুলে বলেন ১৫ আগস্টের জাতীয় শোক দিবসে সন্ধায় জিরো পয়েন্টে উপজেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিজোটের আয়োজনে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠের আসর চলছিল। অধ্যাপক আব্দুল গফফারের সভাপতিত্বে উম্মুক্ত আলোচনায় তার বক্তব্য চলাকালীন সময় জলঢাকা উপজেলার সাবেক যুবলীগ সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর তার বক্তব্য প্রদানে বাধা দিয়ে আপক্তিকর কথা বলতে থাকে। এক পর্যায় আমার উপর হামলার চেস্টা করলে উপস্থিত লোকজন ও পুলিশ তাকে রক্ষা করে। এ সময় বিক্ষিপ্ত মানুষজনের উত্তেজনায় বাহাদুর পালিয়ে যায়। এতে ওই অনুষ্ঠান পন্ড হয়ে যায়।

এমপি বলেন এহেন পরিস্থিতিতে তার নিরাপক্তা সহ বাহাদুরের গ্রেফতার দাবি করে তিনি সড়কের উপর বসে পড়তে বাধ্য হন।

এদিকে এমপি সড়কের উপর বসে পড়লে জলঢাকা হতে বিভিন্ন জেলা ও ঢাকা সড়কটি এমপির সমর্থকরা অবরোধ করে। এতে শতশত যানবাহন সড়কের তিন ধারে আটকা পড়ে।

জেলা শহর হতে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের চেস্টা চালায়। ততক্ষনে সড়ক অবরোধের তিনঘন্টা অতিবাহিত হয়ে যায়।

এ সময় এমপি গোলাম মোস্তফা ঘোষনা দেন যুবলীগ নেতা বাহাদুর গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত সড়ক ছেড়ে যাবেন না।

রাত সোয়া ১২ টার দিকে ঢাকা হতে আওয়ামী লীগের কের্ন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারন স¤পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি জলঢাকার সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফার মোবাইলে কল দিয়ে কথা বলে সড়ক অবরোধ তুলে নেয়ার আহবান জানালে রাত সাড়ে ১২ টায় সড়ক অবরোধ তুলে নেন তিনি। এ সময় এমপি গোলাম মোস্তফা আজ বৃহ¯পতিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ১১টায় দলের নেতা কর্মীদের জলঢাকা কলেজ মাঠে সমবেত হবার ঘোষনা দিলে লোকজন স্থান ত্যাগ করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রুহুল আমিন বলেন আমরা সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফার নিরাপক্তায় পুলিশ পাহাড়া দিয়েছি।