২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গরমে শীতল পরশ এয়ার কুলার

বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে তীব্রতা বাড়ছে গরমের। গরমে শীতল পরশ দিতে আছে প্রযুক্তির উপহার এয়ার কন্ডিশনার। কিন্তু খরচের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনেকেই কুলিয়ে উঠতে পারেন না। এয়ার কুলার মূলত একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যা ইভাপোরেটিভ পদ্ধতিতে স্বাভাবিকের থেকে কম তাপমাত্রার বাতাস দিয়ে থাকে। এটি ঘরের আর্দ্রতা সহনীয় মাত্রায় রাখতে সাহায্য করে। ডিভাইসটিতে থাকে পানি বা বরফ দেওয়ার একটি পাত্র। ট্যাংক হতে পাম্পের সাহায্যে হানিকোম্ব ফিল্টারে পানি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ফিল্টার দিয়ে অতিক্রম সময় বাতাসের তাপ পানি দ্বারা শোষিত হয়। ফলে খুব সহজেই মেলে ঠাণ্ডা বাতাস। এয়ার কুলার দামে সাশ্রয়ী। এটি পরিবেশ বান্ধব। বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। সাধারণ এসির চেয়ে ৭০%-৮০% কম বিদ্যুৎ খরচ করে এয়ার কুলার। ইন্সটল করারও ঝামেলা নেই। কিনে নিয়েই ব্যবহার করা যায়। এয়ার কুলার স্থানান্তরযোগ্য। এক ঘর থেকে আরেক ঘরে নেওয়া যায় সহজেই। যাদের ঘন ঘন বাসা পরিবর্তন করতে হয়, তাদের জন্য সুবিধা। ওয়ালটন সূত্রে জানা যায়, এয়ার কুলার খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ম্যানুয়াল ছাড়াও ওয়ালটন এয়ার কুলারে রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেম রয়েছে। আছে ডিজিটাল এলইডি ডিসপ্লে প্যানেল। ওয়ালটন এয়ার কুলার হাই, মিডিয়াম, লো স্পিডে ব্যবহার করা যায়। আছে স্লিপিং মোডে ব্যবহারের সুবিধাও। পুরো ঘরে ঠাণ্ডা বাতাস ছড়িয়ে দিতে আছে সুইং অপশন। ওয়ালটন বর্তমানে ৮ লিটার ও ৩০ লিটার পানি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি মডেলের এয়ার কুলার বাজারজাত করছে। এর মধ্যে ৮ লিটার পানি ধারণ ক্ষমতার ডজঅ-১১৮১ মডেলের এয়ার কুলারটি রিচার্জএবল। একবার ফুল চার্জ দিলে লো স্পিডে ৭ ঘন্টা পর্যন্ত ঠাণ্ডা বাতাস দিতে পারে। এটি চালাতে মাত্র ৬০ ওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। এতে এলইডি লাইট আছে, যা লো ও হাই পাওয়ার মোডে ব্যবহার করা যায়।। ডজঅ-১১৮১ মডেলের রিচার্জএবল এয়ার কুলারটির দাম ৭ হাজার ৯০০ টাকা। অন্যদিকে ৩০ লিটার ধারণ ক্ষমতার ডঊঅ-ঝ১০০ মডেলের ইভাপোরেটিভ নন-রিচার্জএবল এয়ার কুলারটি বেশি শক্তিসম্পন্ন। এটি ৪০০ স্কয়ার ফুট পর্যন্ত আয়তনের ঘরে ব্যবহার উপযোগী। এই এয়ারকুলারটি সেকেন্ডে ১২.৫ মিটার গতিতে ২৫ ফুট পর্যন্ত দূরত্বে বাতাস ছড়াতে পারে।

এতে ওড়হরুবৎ ভঁহপঃরড়হ থাকায় ধুলিকণামুক্ত বাতাস পাওয়া যায়। এক থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত টাইমার সেট করা যায়। ডঊঅ-ঝ১০০ মডেলের এয়ার কুলারটির পানির ট্যাংক আলাদা করা যায়। ধারণ ক্ষমতাও বেশি। ফলে একটু পর পর পানি দেওয়ার ঝামেলা নেই। প্রতি ঘণ্টায় মাত্র ৮০০ মিলি পানি শোষণ করে বলে একবার ওয়াটার ট্যাংকটি পূর্ণ করলে ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত নিশ্চিন্ত থাকা যায়। পানির লেবেল ইন্ডিকেটর দেওয়া আছে। পানি কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এলার্ম বেজে ওঠে। এই মডেলটির দাম ১৪ হাজার টাকা।