২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজধানীতে ছিনতাইকারী 'কল্যাণ ফান্ডের’ সন্ধান

রাজধানীতে ছিনতাইকারী 'কল্যাণ ফান্ডের’ সন্ধান

অনলাইন রিপোর্টার ॥ ছিনতাইকারী চক্রের কোনো সদস্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলে তার আইনি সহায়তার খরচ প্রয়োজন। কিংবা কোনো সদস্য গণধোলাইয়ের শিকার হলে চিকিৎসাতেও প্রয়োজন আর্থিক সহায়তা। আর এসব সহায়তার কথা বিবেচনা করে একে অপরের বিপদে এগিয়ে আসার প্রয়োজনে ছিনতাইকারীরাও গড়ে তুলেছেন কল্যাণ ফান্ড।

রাজধানীতে পেশাদার ছিনতাইকারী একটি চক্রের এমনই 'কল্যাণ ফান্ডে'র সন্ধান পেয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ইতোমধ্যে চক্রের আট সদস্যকে আটকসহ এই ফান্ডে জমা নগদ ৮ লাখ টাকাও জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. আব্দুল বাতেন।

তিনি জানান, শুক্রবার (১৭ আগস্ট) থেকে শনিবার (১৮ আগস্ট) ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর নিউমার্কেট ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই করা ১২টি মোবাইল সেট, একটি চাপাতি, দুইটি চাকু ও একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।

আটকেরা হলেন- মো. সাজ্জাদ হোসেন ওরফে সাগর, আলী হাসান, সবুজ বিশ্বাস, রকি ওরফে নুরুজ্জামান, মুক্তা বেগম, বেবি আক্তার, নুপুর ওরফে ঝুমুর ও লিটন মিয়া।

আব্দুল বাতেন বলেন, ছিনতাইয়ে গিয়ে চক্রের কোনো সদস্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে গ্রেফতার হয় অথবা গণধোলাই খেয়ে যদি আহত হয় তবে ওই ব্যাকআপ ফান্ড থেকে অর্থ নিয়ে তার মামলা পরিচালনা ও চিকিৎসার জন্য ব্যয় করা হয়। এজন্য চক্রের সদস্যরা তাদের প্রতিদিনের ছিনতাই করা অর্থের একটি অংশ ওই ফান্ডে জমা রাখে। আটকেরা পেশাদার ছিনতাইকারী। তাদের মধ্যে নারী সদস্যও রয়েছে। তারা একাধিক ছিনতাই মামলার আসামি, যাদের মধ্যে অনেকে ইতোমধ্যে ৭-৮ বার কারাগারেও গেছেন।

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, মাত্র কয়েক ঘণ্টায় তারা ৮-১০টি মোবাইল ছিনতাই করতে সক্ষম। দীর্ঘদিন ধরে তারা ছিনতাই পেশায় জড়িত। তাদের পোশাক দেখে খুব ভদ্র মনে হলেও আসলে তারা ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। তাদের এই চক্রের আরও সদস্য রয়েছে যাদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নির্বাচিত সংবাদ