২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নিত্যপণ্যের বাজারে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কিছুটা কমেছে

নিত্যপণ্যের বাজারে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কিছুটা কমেছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ নিত্যপণ্যের বাজারে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কিছুটা কমেছে। কেজিতে ৫-১০ টাকা দাম কমে মানভেদে প্রতিকেজি আমদানিকৃত বড় সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকায়। দেশীটি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকায়। গত সপ্তায় এই পেঁয়াজ ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নাড়ির টানে রাজধানী থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ গ্রামে ফিরে যাওয়ায় চাহিদা কমায় দামও কমেছে। এছাড়া বাজারে হঠাৎ করে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে গেছে।

সোমবার রাজধানীর সবগুলো বাজারে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কোরবানি ঈদ হলেও হঠাৎ করে বেড়ে গেছে ব্রয়লার মুরগি ও মাছের চাহিদা। এছাড়া মসলাপাতি বিক্রির দোকানে বিক্রি বেড়ে গেছে। প্রতিটি মুদি দোকান থেকে দুধ, চিনি ও সেমাইয়ের মতো পণ্য সংগ্রহ করছেন ক্রেতারা। এছাড়া সবজির বাজারেও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানি ঈদেও চিনি সেমাই বিক্রি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে কাপ্তান বাজারের জামশেদ স্টোরের কর্মকতা গনি মিয়া বলেন, কোরবানিতে গোস্ত পোলাওর সঙ্গে সেমাই খাওয়া হবে। এ কারণে ক্রেতারা সেমাই চিনি কিনছেন। একই কথা বললেন, র্যাঙ্কিন স্ট্রিটের নোয়াখারী স্টোরের ম্যানেজার শফিক আহমেদ। তিনি বলেন, ক্রেতারা তরল দুধ কিনছেন। এ কারণে বাজারে তরল দুধের চাহিদা বেড়ে গেছে।

এদিকে, পেঁয়াজের সঙ্গে দাম কমেছে রসুনের। প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৫০-৮০ টাকায়। গত সপ্তায় এই রসুন কিনতে ক্রেতাকে ৭০-৯০ টাকা খরচ করতে হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে গরম মসলা জাতীয় পণ্যের। কাওরান বাজারের মসলা বিক্রেতা ফরিদ জানালেন, কোরবানিতে মসলা বিক্রি বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। কোরবানির মাংস রান্নায় সব ধরনের মসলা প্রয়োজন হবে। এ কারণে ক্রেতারা এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোল মরিচসহ বিভিন্ন জাতের মসলা কিনছেন। কাওরান বাজারে মসলা কিনছিলেন জাহিদ শেখ। তিনি বলেন, কোরবানির মাংস রান্নার জন্য সব ধরনের মসলা কেনা হয়েছে। তবে এ বছর মসলার দাম একটু বেশি।

এদিকে, কোরবানি সামনে রেখে হঠাৎ করে মাছ ও ব্রয়লার মুরগির বিক্রি বেড়ে গেছে। মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, যারা কোরবানি দিচ্ছেন তারাও মুরগি কিনছেন। অনেকে গরু ও খাসির মাংস খেতে চান না। বিকল্প হিসেবে তারা মুরগি খান। এ কারণে সবাই কমবেশি মুরগি কিনছেন। একই অবস্থা মাছ বাজারেও। ক্রেতারা ইলিশ মাছের পাশাপাশি দেশীয় জাতের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সংগ্রহ করছেন। কাপ্তান বাজারের মাছ বিক্রেতা হোসেন জানান, ঈদেও সবাই মাছ কিনছেন।

মাংস একবেলা বা দুবেলা খাওয়া যায়, কিন্তু ভাতে-মাছে বাঙালীর পাতে মাছ থাকলে আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। এ কারণে সবাই কম বেশি মাছ কিনছেন। তিনি বলেন, ঈদের ছুটি শুরু হয়ে গেছে। ঢাকার কাঁচা বাজারগুলো এ সময় টাতে বন্ধ থাকবে। এ কারণে অনেকে বেশি করে বাজার করে রাখছেন। ওই বাজারের মাছ ক্রেতা হালিম জানান, কোরবানির সময় দোকানপাট বন্ধ থাকবে। এ কারণে মাছ, মুরগি ও বেশি করে সবজি কিনে রাখা হচ্ছে।