২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নেত্রকোনায় প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা ॥প্রেমিক আটক

নেত্রকোনায় প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা ॥প্রেমিক আটক

নিজস্ব সংবাদদাতা, নেত্রকোনা ॥ প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে জহির শেখ নামের এক পাষণ্ড। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জহিরের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে পুলিশ ওই কিশোরীর চুল এবং কাপড় উদ্ধার করে। এছাড়া শুক্রবার জহিরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে বুধবার তাকে রাজধানীর রামপুরা থেকে গ্রেফতার করে কলমাকান্দা থানা পুলিশ। ঘাতক জহিরের বাড়ি দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের চারিগাঁও গ্রামে। অন্যদিকে নিহত কিশোরীর বাড়ি কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে।

জানা গেছে, কলমাকান্দার কৃষ্ণপুর গ্রামের দিনমজুর ওয়াহেদ আলীর মেয়ে পারভীন আক্তারের (১৬) সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাশ্ববর্তী দুর্গাপুরের চারিগাঁও গ্রামের এক সন্তানের জনক জহিরুল ইসলাম ওরফে জহির শেখের (৩০) পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ১৭ জুলাই জহির পারভীনকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। তখন বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে জহির তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে। পরে নিজ বাড়ির পাশের একটি ডোবায় লাশ চাপা দিয়ে রাখে। এদিকে পারভীনকে না পেয়ে তার বাবা ওয়াহেদ আলী গত ৩০ জুলাই কলমাকান্দা থানায় একডি জিডি এবং পরবর্তীতে অপহরণ মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে জহির কাজের সন্ধানে ঢাকায় চলে যায়। প্রায় এক মাস পর জহির পরভীনের মোবাইল ফোনটি চালু করে। তখন কলমাকান্দা থানা পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান সনাক্ত করে এবং বুধবার রাতে ঢাকার রামরপুরা থেকে জহিরকে গ্রেফতার করে। কলামাকান্দায় থানায় আনার পর জিজ্ঞাসাবাদে সে পারভীনকে ধর্ষণ এবং হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে তার স্বীকারোক্ত অনুয়ায়ী ডোবা থেকে পারভীনের মাথার চুল ও কাপড়ের অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। ততদিনে লাশটি পচে মাটির সঙ্গে মিশে যায়। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কলমাকান্দা থানার ওসি মাজহারুল করিম জানান, শুক্রবার জহিরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

নির্বাচিত সংবাদ