২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নরসিংদীর শিবপুরে হাইওয়ে পুলিশ ও গ্রামবাসী সংঘর্ষ ॥ গুলিবিদ্ধ ২

নরসিংদীর শিবপুরে হাইওয়ে পুলিশ  ও গ্রামবাসী সংঘর্ষ ॥ গুলিবিদ্ধ ২

স্টাফ রিপোর্টার, নরসিংদী ॥ নরসিংদীর শিবপুরে মহাসড়কে ট্রলি উঠাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর সাথে হাই-ওয়ে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই পুলিশ সদস্য সহ চার জন আহত হয়েছে। এর মধ্য এক কলেজ ছাত্র ও গ্রামবাসী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আহতবস্থায় সকলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

শুক্রবার ১১টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুর উপজেলার চৈতন্যা বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে গ্রামবাসীর দাবী মহাসড়কের পাশে বসা বিভিন্ন ফলের দোকান থেকে প্রতিদিন ৫শত টাকা করে চাঁদা দাবী করেন হাইওয়ে পুলিশ। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ তাদের উপর লার্ঠিচাজ করে।এ সময় দু’ পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে হাইওয়ে পুলিসের কন্সটেবল মাহাবুব,কন্সটেবল বিল্লাল হোসেন আহত হয়। পুলিশ ক্ষিপ্ত হয়ে গুলি ছুড়লে দুই পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়। এরা হলো সবুজ পাহার কলেজের শিক্ষার্থী অহিদ্দুল্লাহ (১৯) ও মোহন মিয়া (৪০)। তাদের বাড়ী শিবপুর উপজেলার চৈতন্যা গ্রামে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায় ,সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইট বোঝাই একটি ট্রলি মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। টহলরত হাইওয়ে পুলিশ ট্রলিটিকে আটক করে সাত হাজার টাকা আদায় করেন। এরই মধ্যে ট্রলিটি সাইড করতে গিয়ে রাস্তার পার্শ্বে গর্তে পড়ে যায়। এসময় পুলিশ গাড়ীটিকে মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে নিতে চালককে তাড়া করে। কিন্তু কোন ভাবেই ট্রলি গাড়িটিকে উঠাতে পারছিলনা চালক। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাইওয়ে পুলিশ সদস্যরা ট্রলির চালককে মারপিট শুরু করে। এসময় মহাসড়কের পাশে বসা ফলের দোকানদারা এগিয়ে এসে মারপিটের প্রতিবাদ করে। এরই এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা ফল দোকানির উপর লাঠিচাজ করেন। এখবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামববাসী একত্রিত হয়ে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় পুলিশের ছোড়া গুলিতে কলেজ ছাত্র সহ দুই গ্রামবাসী আহত হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন,সরকারের চলমান কর্মসূচি ও দূর্ঘটনা রোধের অংশ হিসেবে মহাসড়কে থ্রিহুইলার সহ নসিমন করিমন ও ট্রলি বন্ধের অভিযান চলছিল। এরই মধ্যে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলামিন মেম্বারের একটি ট্রলিতে ইট বোঝাই করে মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশ ট্রলিটিকে আটক করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা পুলিশের উপর হামলা চালায়। অবস্থার অবনতি হলে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।