২২ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মেক্সিকোয় জয় দিয়ে শুরু ম্যারাডোনার

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ মেক্সিকোর দ্বিতীয় বিভাগের দল ডোরাডোসের কোচ হিসেবে গত সপ্তাহেই দায়িত্ব শুরু করেছেন কিংবদন্তি আর্জেন্টাইন তারকা দিয়েগো ম্যারাডোনা। তার অধীনে দলটির শুরু হয়েছে দুর্দান্ত। ম্যারাডোনা দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম ম্যাচে ডোরাডোস ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে ক্যাফেটালেরোস। অথচ এই ম্যাচের আগ পর্যন্ত ১৫ দলের এ লীগে ১৩ নম্বর অবস্থানে ছিল। এ জয়ের পর ৫ ধাপ এগিয়ে এখন ১০ নম্বরে উঠে এসেছে ডোরাডোস।

আগের ৬ ম্যাচের ৩টিতেই ড্র করেছিল ডোরাডোস এবং হেরেছিল বাকি ৩ ম্যাচ। কিন্তু ম্যারাডোনা এসে যেন জাদুমন্ত্র দিয়ে দিলেন। নিজেদের সপ্তম ম্যাচে এসে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে সিনালোয়া রাজ্যের ক্লাবটি। রাজ্যের রাজধানী কুলিয়াকান ড্রাগ সাম্রাজ্য বলেই পরিচিত। এই ক্লাবের মালিকপক্ষের বিপক্ষেও আছে মাদক পাচারের অভিযোগ। সেই ক্লাবের কোচ হিসেবে যোগ দিয়ে সবাইকে বিস্মিত করেছিলেন ম্যারাডোনা। তবে তিনি অবশ্য জানিয়েছিলেন সবকিছুর উর্ধে এখন তিনি ফুটবল নিয়েই ভাবছেন। ম্যারাডোনার সেই ভাবনাটা বাস্তবেই দেখতে পেলেন ফুটবলপ্রেমীরা। ডোরাডোসের হয়ে হ্যাটট্রিক করেন ভিনিসিও এ্যাঙ্গুলো। ইকুয়েডরের এ তারকা ম্যারাডোনার বিখ্যাত করা জার্সি নম্বর ১০ পরিধান করেই যেন জ্বলে ওঠেন। ম্যাচের পর ম্যারাডোনা বলেন, ‘দারুণ একটা ম্যাচ গেল। অনেকেই বলে থাকেন যে ম্যারাডোনা অকর্মণ্য। কিন্তু যাদের আসলে কাজ নেই, সময় কাটানোর জন্য তারা টেলিভিশনে গিয়ে এসব কথা বলে। আমি আশা করব, তারা এখন মাঠে আসবেন এবং আমার রেকর্ডের দিকে খেয়াল করবে। তারা দেখুক আমরা আসলে কি করছি। কিভাবে কাজ করতে হয় সেটাও তারা দেখতে পাবে।’

অবশ্য এরপরও ডোরাডোসের এ জয়টিকে খুব বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে না। কারণ ম্যাচে নামার আগেও ১৫ নম্বর অবস্থানে ছিল ক্যাফেটালেরোস। কিন্তু ম্যারাডোনা দাবি করলেন এটা সবেমাত্র শুরু। তিনি বলেন, ‘এটা তেমন কিছুই নয়, মাত্র একটি ম্যাচ হলো। আমাদের আরও কয়েকটি ফাইনাল খেলতে হবে। এটা শুধু একটি সুন্দর স্বপ্নের প্রারম্ভিকা।’ মেক্সিকোয় ফুটবল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ জিতেছিলেন ম্যারাডোনা। কিন্তু কোচিং ক্যারিয়ার বড়ই বিবর্ণ তার। এরপরও মেক্সিকোয় এবার পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাজার হাজার সমর্থক এসেছিলেন। কিন্তু ম্যাচের দিন ২০ হাজার ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামে অনেক সিটই ছিল ফাঁকা। তবে আগে ডোরাডোসের ম্যাচে গড়ে ৪ হাজার দর্শক দেখা গিয়েছিল। এদিন ছিল ১০ হাজার ১৩৩ জন।