১৫ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইমরুল-মাহমুদউল্লাহ জুটিতে গতি বাংলাদেশের

ইমরুল-মাহমুদউল্লাহ জুটিতে গতি বাংলাদেশের

অনলাইন ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ ৪৭ ওভারে ২১৬/৬ । দলের বিপদে আরও একবার হাল ধরলেন মাহমুদউল্লাহ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুললেন বাংলাদেশকে। ৫৯ বলে পঞ্চাশে পৌঁছান মাহমুদউল্লাহ। ওয়ানডেতে এটি তার ২০তম ফিফটি। পঞ্চাশ ছোঁয়ার পথে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকান এই অভিজ্ঞ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান।

৪১ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১৭৮/৫। মাহমুদউল্লাহ ৫৩ ও ইমরুল কায়েস ৪১ রানে ব্যাট করছেন।

ইমরুল-মাহমুদউল্লাহ জুটির পঞ্চাশ

দ্রুত ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে পথ দেখাচ্ছে ইমরুল কায়েস ও মাহমুদউল্লাহ। ষষ্ঠ উইকেটে গড়েছেন পঞ্চাশ রানের জুটি।

৬৫ বলে আসে ইমরুল-মাহমুদউল্লাহ জুটির পঞ্চাশ। ক্রিজে আসার পর থেকে দ্রুত রান তোলার দিকে মনোযোগী মাহমুদউল্লাহ। তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন গত অক্টোবরের পর প্রথমবারের মতো ওয়ানডে খেলতে নামা ইমরুল।

৩২ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১৩৯/৫। ইমরুল ২৫ ও মাহমুদউল্লাহ ৩০ রানে ব্যাট করছেন।

বাংলাদেশের একশ

দ্রুত তিন উইকেটের ধাক্কা সামলে ইমরুল কায়েস, মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। ২৫ ওভার ২ বলে তিন অঙ্কে গেছে দলটির রান।

গুলবদিন নাইবকে চার হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ একশতে নিয়ে যান মাহমুদউল্লাহ।

২৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১০৪/৫। ইমরুল ১১ ও মাহমুদউল্লাহ ১০ রানে ব্যাট করছেন।

মুশফিকও রান আউট

পাঁচ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে দিশেহারা বাংলাদেশ। রান আউট হয়ে ফিরে গেলেন মুশফিকুর রহিম।

রশিদ খানের গুগলি স্কয়ার লেগে খেলার পর এক-দুই পা সামনে আসেন ইমরুল কায়েস। ততক্ষণে পূর্ণ গতিতে রানের জন্য ছুটেছেন মুশফিক। ইমরুল যখন ফিরে যেতে বলেন তখন কিপার ব্যাটসম্যান বেশ এগিয়ে গেছেন। সেখান থেকে আর ফেরা সম্ভব হয়নি।

৫২ বলে ৩৩ রান করে ফিরে যান মুশফিক। ২১ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৮৭/৫। ক্রিজে ইমরুলের সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ।

সাকিবের বিদায়

এলেন আর গেলেন সাকিব আল হাসান। তার অহেতুক রান আউটে বিপদে বাংলাদেশ।

রশিদ খানের বল মিডউইকেটে খেলেই দৌড় দেন সাকিব। রান নেওয়ার কোনো সুযোগই ছিল না। অনেকটা এগিয়ে ফেরার চেষ্টা করার সময় পা পিছলে যায় এই অলরাউন্ডারের। ততক্ষণে বল কুড়িয়ে থ্রো করছেন ইহসানউল্লাহ, হাল ছেড়ে দাঁড়িয়ে যান সাকিব। ফিল্ডারের থ্রো স্টাম্প ভেঙে দিলে ফিরে যান সাকিব।

২ বল খেলে শূন্য রানে আউট সাকিব। ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৮২/৪। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী ইমরুল কায়েস।

উইকেট ছুড়ে এলেন লিটন

থিতু হয়ে উইকেট ছুড়ে এলেন লিটন দাস। নিজের প্রথম ওভারে বাংলাদেশের প্রতিরোধ ভাঙলেন রশিদ খান।

আগের বলে দুর্দান্ত এক শটে বাউন্ডারি তুলে নেন লিটন। পরের বলে রশিদকে সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন আকাশে। শরীর থেকে অনেক দূরের বলে টাইমিং একেবারেই করতে পারেননি, স্লিপে সহজ ক্যাচ মুঠোয় নেন ইহসানউল্লাহ।

৪৩ বলে ৪১ রান করে ফিরে ফিরে যান লিটন। তার বিদায়ের সময় ১৮.৪ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৮১/৩।

লিটন-মুশফিক জুটির পঞ্চাশ

মন্থর শুরুর পর রানের গতি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। আফতাব আলমের বলে তার ছক্কায় তৃতীয় উইকেট জুটির রান ছুঁয়েছে পঞ্চাশ।

৬৮ বলে আসে ম্যাচে মুশফিক-লিটনের দায়িত্বশীল জুটির ফিফটি। শুরু থেকে এক ছন্দে এগিয়ে যাচ্ছেন ওপেনার লিটন। একবার জীবন পাওয়া মুশফিক খেলতে শুরু করেছেন নিজের শট।

১৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৭২/২। লিটন ৩৫ ও মুশফিক ২৮ রানে ব্যাট করছেন।

জীবন পেলেন মুশফিক

জীবন পেলেন মুশফিকুর রহিম। মুজিব উর রহমানের বলে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে গেলেন এই কিপার ব্যাটসম্যান।

মুজিবকে কাট করতে চেয়েছিলেন মুশফিক। ঠিক মতো ব্যাটে খেলতে পারেননি। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে কিপার মোহাম্মদ শাহজাদের পায়ে লেগে ক্যাচ যায় প্রথম স্লিপে। দেরিতে প্রতিক্রিয়া দেখানো ফিল্ডার মুঠোয় নিতে পারেননি বল।

মুশফিক তখন ব্যাট করছিলেন ৯ রানে।

ওয়ানডেতে মুশফিকের পাঁচ হাজার রান

তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানের পর বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন মুশফিকুর রহিম। তার জন্য এই ব্যাটসম্যানের লেগেছে ১৭৬ ইনিংস।

মাইলফলক ছুঁতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৭ রান প্রয়োজন ছিল মুশফিকের। দ্রুতই এই কিপার ব্যাটসম্যান পৌঁছে যান ৫ হাজার রানের মাইলফলকে।

পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট

পাওয়ার প্লেতে উইকেট হারানোর ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। প্রথম দশ ওভারে আউট নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ মিঠুন।

১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৪ রান। লিটন দাস ২১ ও মুশফিকুর রহিম ৫ রানে ব্যাট করছেন।

বাজে শটে ফিরেছেন বাঁহাতি ওপেনার শান্ত। মুজিবের দারুণ একটি ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন মিঠুন।

নবম ওভারে প্রথম বাউন্ডারি

দুই দলের প্রথম দেখায় প্রথম পাওয়ার প্লেতে সীমানার বাইরে বল পাঠাতে পারেনি বাংলাদেশ। এবার নবম ওভারের শেষ বলে দলকে প্রথম বাউন্ডারি এনে দিয়েছেন লিটন দাস।

৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৩২/২। লিটন ২০ ও মুশফিকুর রহিম ৪ রানে ব্যাট করছেন।

টিকলেন না মিঠুন

প্রমোশন পেয়ে তিন নম্বরে নেমে ব্যর্থ মোহাম্মদ মিঠুন। ফিরে গেছেন মুজিব উর রহমানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে।

অনেকটা স্পিন করে ভেতরে ঢোকা বল পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন মিঠুন। ব্যাটে খেলতে পারেননি, বল লাগে প্যাডে। ২ বলে ১ রান করে ফিরে যান ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১৮/২। ক্রিজে লিটন দাসের সঙ্গী মুশফিকুর রহিম।

বাজে শটে ফিরলেন শান্ত

বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের ওপর চেপে বসা চাপটা সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। উল্টো দলকে চাপে ফেলে ফিরে গেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।

জায়গা করে নিয়ে আফতাব আলমকে উড়াতে চেয়েছিলেন শান্ত। ব্যাটের কানায় লেগে আকাশে উঠে যাওয়া ক্যাচ পয়েন্টে মুঠোয় নেন রহমত শাহ।

১৮ বলে ৬ রান করে শান্ত ফিরে যাওয়ার সময় ৫ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১৬/১। ক্রিজে লিটন দাসের সঙ্গী মোহাম্মদ মিঠুন।

আফগানিস্তান দলে নাজিবউল্লাহর জায়গায় সামিউল্লাহ

দুই দলের প্রথম ম্যাচে খেলা সামিউল্লাহ শেনওয়ারি খেলেননি পাকিস্তানের বিপক্ষে। বাংলাদেশের বিপক্ষে আবার তাকে একাদশে ফিরিয়েছে আফগানিস্তান। বাদ পড়েছেন নাজিবউল্লাহ জাদরান।

আফগানিস্তান একাদশ: মোহাম্মদ শাহজাদ, আসগর আফগান, রহমত শাহ, সামিউল্লাহ শেনওয়ারি, হাশমতউল্লাহ শাহিদি, মোহাম্মদ নবি, গুলবদিন নাইব, রশিদ খান, মুজিব উর রহমান, আফতাব আলম, ইহসানউল্লাহ জানাত।

স্কোয়াডে ফিরেই একাদশে ইমরুল, অপুর অভিষেক

লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে অভিষেকের আট বছর পর দেশের হয়ে ওয়ানডে খেলার সুযোগ পেলেন নাজমুল ইসলাম অপু। ২৭ বছর বয়সী বাঁহাতি এই স্পিনার একাদশে এসেছেন পেসার রুবেল হোসেনের বদলে।

নাজমুল গত ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও ওয়ানডে স্কোয়াডে। খেলার সুযোগ পাননি। এবার এশিয়া কাপেও প্রথম তিন ম্যাচে সুযোগ হয়নি। কিন্তু আবু ধাবির মন্থর ও স্পিন সহায়ক উইকেট সুযোগ করে দিল তাকে খেলানোর।

চলতির বফরের ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় নাজমুলের। এই সংস্করণে ১৩ ম্যাচ খেলে বাঁহাতি স্পিনার নিয়েছেন ৮ উইকেট। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৬৮ ম্যাচে তার উইকেট ৮৬টি। পাঁচ উইকেট নিয়েছেন দুইবার।

ইমরুল সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন গত অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। তিন ম্যাচের সেই সিরিজে একটি ফিফটি ছিল তার। এরপরও বাদ পড়েছিলেন। কিন্তু তামিম ইকবাল ছাড়া বাকি ওপেনারদের টানা ব্যর্থতায় আবারও ইমরুলকে ফেরানো হয় স্কোয়াডে।

আগের দিন সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে দুবাই সময় রাত ১১টার দিকে পৌঁছেছেন ইমরুল ও সৌম্য। পরদিনই এই দুজনকে মাঠে নামানো হবে কিনা, এই নিয়ে ছিল তুমুল কৌতুহল। একজনকে ঠিকই নিয়ে আসা হলো একাদশে

বাংলাদেশ দলে দুই পরিবর্তন

দুটি পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশ দলে। স্পিনে শক্তি বাড়িয়েছে দলটি। অভিষেক হচ্ছে বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপুর। একাদশে এসেছেন হঠাৎ ডাক ওপেনার ইমরুল কায়েস। বাদ পড়েছেন পেসার রুবেল হোসেন ও মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মোসাদ্দেক হোসেন।

বাংলাদেশ একাদশ: মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, নাজমুল হাসান শান্ত, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল ইসলাম অপু, মুস্তাফিজুর রহমান।