২১ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি ॥ বিচারকের প্রতি দুই আসামির অনাস্থা

দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি ॥ বিচারকের প্রতি দুই আসামির অনাস্থা

অনলাইন রিপোর্টার ॥ ন্যায়বিচার ‘না পাওয়ার’ আশঙ্কার কথা জানিয়ে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচারকের প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন এ মামলার দুই আসামি।

আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানের পক্ষে আইনজীবী আমিনুল ইসলাম ও মো. আক্তারুজ্জামান সোমবার ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামানের প্রতি এই অনাস্থার কথা জানান।

আদালত ও বিচারক পরিবর্তনের জন্য হাই কোর্টে আবেদন করা হবে জানিয়ে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট মামলার শুনানি ২০ কার্যদিবস মুলতবির আবেদন করেন তারা।

বিচারক আখতারুজ্জামান বিষয়টি শুনে মঙ্গলবার আদেশের জন্য রেখেছেন। সেই সঙ্গে আসামি মুন্নার জামিন বাড়ানোর আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এদিন এ মামলার প্রধান আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার আবেদন করলে বিচারক আগের মতই কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

এ মামলার কার্যক্রম চলছে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে বসানো পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে।

এই কারাগারেই আরেকটি ভবনে গত ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

‘অসুস্থতার কারণে’ তাকে গত সাত মাসে একবারও আদালতে হাজির করতে না পারায় জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ করতে সরকারের নির্দেশে সেপ্টেম্বরের শুরুতে আদালত স্থানান্তর করা হয় কারাগারের ভেতরে।

কিন্তু তারপরও খালেদাকে আদালতে আনতে না পেরে গত ২০ সেপ্টেম্বর তার অনুপস্থিতিতেই বিচার চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত দেন বিচারক মো. আখতারুজ্জামান।

সেদিন এ মামলার অসমাপ্ত যুক্তিতর্ক শুনানি আবার শুরু করার জন্য ২৪, ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর তারিখ রেখে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুনানির সময় ঠিক করে দিয়েছিলেন বিচারক।

সে অনুযায়ী সোমবার আদালত বসলেও আসামিপক্ষের অনাস্থা নিয়ে আলোচনায় যুক্তিতর্ক শুনানি আর শুরু হয়নি।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন তার দুই আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও সানাউল্লাহ মিয়া। আর মামলার বাদী ও তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। এছাড়া ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি আবদুল্লাহ আবু রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন।