২৪ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল পরীক্ষামূলকভাবে শুরু

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল পরীক্ষামূলকভাবে শুরু

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ সাড়ে ১৫ ঘন্টা পর শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে পরীক্ষামূলক ভাবে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৭টায় মাওয়া প্রান্ত থেকে ফেরি কুমিল্লা এবং কাঠালবাড়ি প্রান্ত থেকে ফেরি ফরিদপুর পরীক্ষামূলক ভাবে অপেক্ষাকৃত কম লোড নিয়ে ঘাট থেকে ছেড়ে যায়। ফেরি দুটি এখনও গন্তব্যে পৌছেনি। গন্তব্যে পৌছার পর ফেরি চলাচল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিসির এজিএম সৈয়দ শাহ বরকতউল্লাহ।

তিনি জানান, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে লৌহজং চ্যানেলে নাব্য সংকটে বেশ কিছু দিন ধরে ফেরি চলাচল বিঘিœত হচ্ছিল। ডুবোচরে দফায় দফায় আটকা পড়ছে বড় ও ছোট ফেরি। হাফ লোড নিয়ে ফেরিগুলো চলাচল করলেও খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে নদীপথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। এতে ১ থেকে দেড় ঘণ্টা সময় বেশি লাগছিল। পদ্মায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ও উজানে ব্যাপকভাবে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় ¯্রােতে পলি এসে চ্যানেলের তলদেশে ভরাট হয়ে অসংখ্য ডুবোচরের সৃষ্টি হচ্ছে। চ্যানেলে নাব্য সংকট প্রকট আকার ধারণ করায় প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য ৫টি ডাম্ব ফেরি বন্ধ রাখা হচ্ছে। রাতে কেটাইপ ও রো রো ফেরি চলাচলে মারাত্মক বিঘœ সৃষ্টি হওয়ায় শত শত পণ্যবাহী ট্রাক ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। পরে সোমবার নাব্যতা সংকট বৃদ্ধি আরো বৃদ্ধি পায়। এতে ফেরিগুলো চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সেই সাথে চ্যানেলের মুখে ড্রেজার বসানোর ফলে চ্যানেলটি আরও সরু হয়ে যায়। চালকরা ফেরির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছিল সরু চ্যানেলের মুখে। ফলে বাধ্য হয়ে কর্তৃপক্ষ সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এতে উভয় ঘাটে আটকা পড়েছে কয়েকে শ’ যান। যানজটে আটকা পড়ে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন।

মাওয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্য এস আই আরমান জানান সোমবার ঘাটে আসা গাড়িগুলোকে বিকল্প পথে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিমুলিয়া ঘাটে এখন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ২ শতাধিক যান। এর মধ্যে ট্রাকের সংখ্যাই বেশি। ঘাটে নিরাপত্তায় পুলিশ কাজ করছে।

তবেসবিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী ( ড্রেজিং) আ.ফ.ম. মাশরিকুল আরেফিন জানান, চ্যানেলের মুখে ড্রেজার বসালেও ফেরি চলাচলের জন্য প্রায় ২শ ফিট জায়গা রেখে ড্রেজার বসানো হয়েছে। সেখান দিয়ে ফেরি চলাচল করিয়ে পরীক্ষা-নিরিক্ষাও করা হয়েছে। ইচ্ছে করলে ফেরি সার্ভিস কর্তৃপক্ষ একটু সাবধানতার সাথে ফেরি চালালে ফেরি সচল রাখা সম্ভব।