১৮ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকার দিনরাত

  • মারুফ রায়হান

ঢাকার রাস্তায় বেরুলে চারদিকে তাকালে পরিবর্তনটা চোখে পড়বেই। রঙিন সব পোস্টার শোভা পাচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে সামনে একটা উৎসব আসছে। জ্বি, ঠিকই ধরেছেন, সামনে ভোট উৎসব। তফসিল ঘোষণার তর সইছে না কিছু কিছু ভোটপ্রার্থীর। তাছাড়া তারা দলের মনোনয়ন পাবেন কি, পাবেন না, তার কোন ঠিকঠিকানা নেই। তবু তাদের মনোভাব এমন, হয়ে যাক না এই সুযোগে কিছুটা আত্মপ্রচার! এতে শহরের শোভাবর্ধন হলো, নাকি শোভা হরণ হলোÑ এই ভাবনা কি আর তাদের আছে?

ঢাকায় শনিবার বেশ ভালই বৃষ্টি হলো। আশ্বিনে বৃষ্টি হতেই পারে। তবে ঢাকায় এমন সময় বৃষ্টি হলো যখন গরমে মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল। আকস্মিক জোরেশোরে বৃষ্টি অবশ্য অনেক পথ চলতি মানুষকে কিছুটা বিপদেই ফেলে দেয়। এই বৃষ্টিকে মানুষ সুসংবাদ হিসেবেই দেখছে। তাই দুঃসংবাদে ভরা সংবাদপত্রেও সুসংবাদটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে দেখা গেল। অবশ্য বৃষ্টিশেষে তারপরের দিন থেকে আবার সেই অসহনীয় গরম।

গ্যাস লিকেজে মহাসড়ক বন্ধ

শুক্রবার রাতে ফেসবুকে আমাদের এক উত্তরাবাসীর পোস্ট দেখে শঙ্কিত হয়ে উঠলাম। উত্তরা হাউস বিল্ডিং এলাকায় গ্যাসলাইন লিকেজ (ছিদ্র) হয়ে প্রচণ্ড বেগে গ্যাস নির্গত হওয়ায় আশপাশের সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পরিবারের একজন সদস্য উত্তরার বাইরে থেকে ফিরবেন, তাই দুশ্চিন্তাটা আরও বেশি। রাত পৌনে ৯টার দিকে র‌্যাপিড বাস ট্রান্সপোর্ট (বিআরটি) লাইন প্রকল্পের কাজ করার সময় এ ঘটনা ঘটে। পরদিন কাগজ পড়ে জানলাম তাৎক্ষণিকভাবে লাইনটি মেরামত করতে না পারায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। ৪ ঘণ্টা পর রাত সোয়া ১২টার দিকে গ্যাস লাইন মেরামত করা হয়। এরপর ওই সড়কে যান চলাচল শুরু হয়। এর আগে যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম বিপাকে পড়তে হয়।

অনেক যাত্রী বাস থেকে নেমে হেঁটে রওনা দেন গন্তব্যে। গ্যাস নির্গত হওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস, তিতাস গ্যাসের টিম এবং স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক টিম উপস্থিত হয়। এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে, সেজন্যে প্রস্তুতিও থাকা চাই। ভাগ্যিস কোথাও কোন আগুন লাগেনি বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে এটি ঢাকা নগর কর্তৃপক্ষের জন্য সতর্কসংকেত। মেট্রোরেলের কাজের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি চলছে বহু জায়গায়। তাই সচেতনতাই এড়াতে পারে উদ্ভূত বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

ফুচকা উৎসব

ঢাকায় কত ধরনের উৎসবই না হয়। এবার শোনা গেল ফুচকা উৎসবের কথা। আলাদাভাবে ফুচকা উৎসব না হলেও নারীকর্মীদের ওই মেলায় ফুচকাকেন্দ্রে ভিড় থাকায় এটিকে ফুচকা উৎসব বলা যেতেই পারে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জায়গায় স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ফুচকা পরিবেশনÑ লোকে তো ভিড় করবেই। কাগজে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জেনেছিলাম ৯৯ টাকায় যত খুশি খাওয়া যাবে ফুচকা। বাস্তবে তা নয়। ৫০ থেকে ২০০ টাকায় মিলছে ফুচকার প্লেট। বাংলাদেশের স্ন্যাক্সের যদি তালিকা করা হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে ফুচকার নাম থাকবে সবার ওপরে। নানা স্বাদের সংমিশ্রণই এর কারণ। মানুষের পছন্দের এই খাবারটি নিয়ে ঢাকায় আয়োজিত মেলায় রয়েছে নানা নামের ২০ রকমের ফুচকা। ফুচকায় আনা হয়েছে ফিউশন। গোলাকার মচমচে ফুচকার ভেতরে মসলাদার বুট, আলু, পেঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা আর তার ভেতর তেঁতুলের রস। মুখে দিতেই ফুচকা ভেঙ্গে যেন জিহ্বায় স্বাদের ঝড় তোলে। এই স্বাদের বৈচিত্র্যের কারণে বাংলাদেশের স্ট্রিট ফুডের মধ্যে ফুচকার জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে এই মুখরোচক খাবারটি বিভিন্ন নামে তাদের জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কোথাও এটি গোলগাপ্পা কোথাও বা পানিপুরি আবার কোথাও ওয়াটার বোলস।

একজন বিক্রেতার বক্তব্যÑ ‘আমরা সব বয়সীদের কথা ভেবে অনেক ধরনের আইটেম তৈরি করেছি। যেটার একেকটার স্বাদ একেক রকম। যেমন বেবি ফুচকা, এইটিন প্লাস ফুচকা, ইলিশ ফুচকা, বিফ ফুচকা, হট এ্যান্ড স্পাইসি ফুচকা। বেবি ফুচকায় আমরা রাখি বাদাম, দুধ, কিশমিশ, সেমাই। এক কথায় বাচ্চাদের টেস্ট আর স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে।’

জনবহুল সড়কে নবিস চালক

ঢাকা এখন প্রায় পৌনে দুই কোটি মানুষের বাস। এর নগণ্য সংখ্যকই প্রাইভেট গাড়ির সওয়ার অথচ সড়কের সিংহভাগই এসব গাড়ির দখলে। কোটি ঢাকাবাসীর চলাচলের জন্য যেসব গণপরিবহন রয়েছে তার সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সুষ্ঠু পরিকল্পনামাফিক এ মহানগরী গড়ে তোলা হয়নি বলে পর্যাপ্ত সড়কও এখানে অনুপস্থিত। গত কয়েক বছরে সরকার সড়কের সংখ্যা বাড়ানোর কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছেÑ বিশেষত ফ্লাইওভার নির্মাণ যান চলাচলে সহায়ক হয়েছে। আগামীতে নগরীতে মেট্রোরেল চলবে, পাতাল রেলও হবেÑ ঢাকা বেশ বদলে যাবে। কিন্তু সে তো ভবিষ্যতের কথা। এখন ঢাকাবাসীর হাঁসফাঁস অবস্থা। যানজটে নাকাল মানুষের বিরক্তি এবং কর্মঘণ্টার ক্ষতি নানা সময়ে খবরের কাগজে উঠে এসেছে। ঘটা করে ট্রাফিক সপ্তাহ পালিত হয়ে থাকে। জনসাধারণ ও যানচালকের ট্রাফিক আইন বিষয়ে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করা হয়। লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি তথা ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে কিছু অভিযানও পরিচালিত হতে দেখা যায়। কিন্তু বৈধ লাইসেন্সের অধিকারী না হয়েও গাড়ি চালানোর জন্য ক’জন চালককে নিবৃত করা হয়? গণপরিবহনের চালকের হাতে থাকে গণমানুষের জীবনÑ এটি বরং চাপাই পড়ে থাকে। কত হাজার নবিস চালক ঢাকার রাস্তাকেই তার ড্রাইভিং ট্রেনিংয়ের স্থান হিসেবে দোর্দ- প্রতাপে ব্যবহার করছে তার ওপর কোন প্রতিবেদন দেখি না। যে নবিস চালকটির স্বেচ্ছাচারী চালনায় কেউ শয্যাবন্দী হয়ে পড়ছেন, কারওবা চিরশয্যা পাততে হচ্ছে বাসের নিচে- সেই নবিস চালকদেরই শুধু দুষব আমরা? একটা সংসার চালানোর জন্য তরুণ-নবীন-যুবা তড়িঘড়ি হাতে তুলে নিচ্ছে স্টিয়ারিং আর অন্য পিঠে সেই তারই জন্য কত না সংসার বিপন্ন আর এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। এখানে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কোথায়? যে দফতর নিয়ম বহির্ভূতভাবে দেদার লাইসেন্স দিয়ে চলেছে; যে মালিক গাড়ির চাবিটি তুলে দিচ্ছে আনাড়ির হাতে; যে সংগঠন দোষী চালকের শাস্তি রুখে দিচ্ছে- এদের প্রত্যেকেই প্রতিটি সড়ক দুর্ঘটনার নেপথ্যকারিগর!

উৎসবমুখর শিক্ষাঙ্গন

ঢাকার বাইরের বহু শিক্ষার্থী নবীনের ঢাকায় প্রথম আগমন ঘটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে। সে চায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে। কিন্তু বেশির ভাগ তরুণেরই স্বপ্নভঙ্গ ঘটে। তারা ভর্তি হতে পারে না। কিছুকাল আগেই একটা খবর পেয়েছিলাম এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আসনের জন্য লড়বে ৩৮ জন ভর্তিচ্ছু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণীতে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ৫টি ইউনিটের মোট ৭ হাজার ১২৮টি আসনের বিপরীতে ২ লাখ ৭২ হাজার ৫১২ জন ভর্তিপ্রার্থী অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করেছে। যা হোক, যারা একদিন ভর্তি হতে পেরেছিল, লেখাপড়া করেছিল তাদের ভেতর যারা কৃতকার্য হয়েছে সেইসব উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর উৎসবের দিন ছিল শনিবার। অর্থাৎ সেদিন ছিল সমাবর্তন। অবশ্য একদিন আগেও বিপুল সংখ্যক উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর পদভারে কম্পিত হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। সেদিন তাদের সমাবর্তনের গাউন ও টুপি হস্তান্তর করা হয়। এবারের সমাবর্তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চসংখ্যক ২১ হাজার ১১১ জন গ্র্যাজুয়েট অংশ নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারী সাত কলেজের গ্র্যাজুয়েটরা প্রথমবারের মতো সমাবর্তনে অংশ নেন। সমাবর্তনে বিভিন্ন বিভাগের ৯৬ জন শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক, ৮১ জনকে পিএইচডি ও ২৭ জনকে এমফিল ডিগ্রী দেওয়া হয়। ঢাকায় সদ্যস্নাতকদের এত বড় উৎসব, যেখানে আবার উপস্থিত থকেন স্বয়ং রাষ্ট্রপতি, সেটি রাজধানীরই আরেকটি তারুণ্যের উৎসবই বটে।

প্রতিমা গড়ার প্রহর

শারদীয়া দুর্গোৎসবের সময় কাছে চলে আসছে। গতকাল ছিল মহালয়া। পনেরোই অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে পূজা। ঢাকের বাদ্য, পূজারীদের উলুধ্বনি, প্রসাদ বিতরণ আর আরতির অপেক্ষা চলছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দুর্গাপূজা শুরু হতে বেশি দেরি নেই। প্রতিমা কারিগররাও শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে বেশ ব্যস্ত। অচিরেই শুরু হয়ে যাবে মন্দিরে মন্দিরে প্রতিমার সাজসজ্জা ও প্যান্ডেল স্থাপনসহ অন্যান্য কাজ। চলছে মা দুর্গার লাল টুকটুকে বেনারসি শাড়ির জরির কাজ, গণেশের ধুতিতে নকশাদার পাড় বসানো, আর মহিষাসুরের জমকালো পোশাক তৈরির কাজ। তাঁতীবাজার আর শাঁখারীবাজার ঢাকার সবচেয়ে ঘিঞ্জি এলাকা। সেখানেই ঢাকার সবচেয়ে বেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীর বসবাস। প্রতিবছর পূজা এলেই এ এলাকার সরু অলিগলির ভেতরে দেখা যায় ৪০-৫০টি মণ্ডপ। প্রচলিত ম-পেই কারিগররা কাজ করে থাকেন। প্রতিমা তৈরির কাজটি দেখেও বড় আনন্দ। খড় ও বাঁশ দিয়ে প্রথমে বেণি বাঁধা হয়। এরপর কাঠামো নির্মাণ করে মাটি, পাট, সুতা ও খড় দিয়ে গড়া হয় পুরো প্রতিমা।

ঢাকেশ্বরী মন্দির চত্বরে আছে দুই ধরনের স্থাপত্য রীতির মন্দির। প্রাচীনতমটি পঞ্চরতœ দেবী দুর্গার যা সংস্কারের ফলে মূল চেহারা হারিয়েছে। মন্দিরের প্রাচীন গঠনশৈলী বৌদ্ধ মন্দিরের মতো। ধারণা করা হয়, দশম শতকে এখানে বৌদ্ধ মন্দির ছিল যা পরে সেন আমলে হিন্দু মন্দির হয়েছিল এবং ১১ বা ১২শ’ শতক থেকে এখানে কালী পূজার সঙ্গে দুর্গা পূজাও হতো। ইতিহাসবিদ দানীর মতে, প্রায় সাড়ে পাঁচ শ’ বছর আগে রমনায় কালী মন্দির নির্মিত হয়েছিল এবং এখানেও কালী পূজার সঙ্গে দুর্গা পূজাও হতো। যা হোক, আজ ঢাকায় বহু পূজাম-পেই পূজা হয়। ঢাকা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির শহর হিসেবে সুনাম অক্ষুণœ রেখেছে।

ফুটপাথে মোটরসাইকেল

ঢাকায় হোন্ডাঅলাদের দৌরাত্ম্য নিয়ে এর আগেও লিখেছি, পত্র-পত্রিকায় ছবিসহ এসব অনিয়মের খবর ছাপা হয়। তবু অবস্থার কোন উন্নতি ঘটেনি। ট্রাফিক পুলিশকে ব্যবস্থা নিতেও তেমন শোনা যায়নি। তীব্র হর্ন দিতে দিতে ফুটপাথের ওপর মোটরসাইকেল তুলে দেয়ার ফলে পথিকদের কী বিপন্ন দশায় পড়তে হয় সে কথা শুধু ভুক্তভোগীই জানেন। প্রধান প্রধান সড়ক ছাড়াও আবাসিক এলাকার ফুটপাথে মোটরসাইকেল আরোহীদের নির্বিচার বেপরোয়া চলাচলে বিরক্ত বিব্রত কোন কোন এলাকাবাসী উচিত জবাব দেবার পথ বের করেছেন। ফুটপাথের ওপর এমনভাবে প্রতিবন্ধক দিচ্ছেন যাতে সেটি সহজেই পথচারীরা পার হয়ে যেতে পারবেন, কিন্তু আটকা পড়ে যাবে মোটরসাইকেল। ফলে বাধ্য হয়ে তাদের ফুটপাথকে ছাড় দিয়ে মূল সড়কই ব্যবহার করতে হবে।

মোটরসাইকেল যাতে ফুটপাতের ওপর দিয়ে চলতে না পারে সেজন্য ২০১২ সালে হাইকোর্ট একটি নির্দেশনা দিয়েছিল। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ফুটপাতের ওপর যাতে মোটরসাইকেল উঠতে না পারে সেজন্য অনেক স্থানে স্টিলের পাইপ দিয়ে প্রতিবন্ধকতাও তৈরি করা হয়েছে। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় যানজটের কারণে সাবাই দ্রত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য ব্যাকুল। তাই যানজট সমস্যার সমাধান না হলে এ প্রবণতা ঠেকানো বেশ মুশকিল। পুলিশ বলছে, বেপরোয়া কিংবা ফুটপাথে মোটরবাইক চালানোর বিরুদ্ধে শহরের বিভিন্ন জায়গায় জরিমানা করা হচ্ছে। কিন্তু আরোহীদের সচেতনতা ও মানসিকতা না বদলালে এটি পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন। প্রায়শই রাস্তার এইসব লাটভাইদের দৌরাত্ম্যে ভুক্তভোগীরা বিপন্নতা প্রকাশ করেন, ফেসবুকে ছবি দেন। সেরকমই একটি ছবি দেখুন। এমন দৃশ্য নিশ্চয়ই পাঠকেরও পরিচিত। কবে এর অবসান হবে?

৭ অক্টোবর ২০১৮

marufraihan71@gmail.com