১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পুলিশের কাছ থেকে পালানো মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতেই গ্রেফতার

পুলিশের কাছ থেকে পালানো মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতেই গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ অবশেষে দীর্ঘ পাঁচ মাস পর পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়া কুখ্যাত ইয়াবা ব্যবসায়ী শাহেদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ পাঁচ মাস এই ইয়াবা ব্যবসায়ী বেশভূষা পরিবর্তন করে ছদ্মবেশে ইয়াবা ব্যবসা করে আসছিল।

বুধবার সন্ধ্যায় পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রোর একটি দল রাজধানীর কদমতলী থানাধীন শনিরআখড়ার চব্বিশ ফিট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক মামলার পলাতক আসামী কুখ্যাত ইয়াবা ব্যবসায়ী মোঃ শাহেদকে (৩৫) গ্রেফতার করে। তার পিতার নাম এসএম আলাউদ্দিন। মায়ের নাম মৃত খাইরুন নেছা বেগম। বাড়ি বংশাল থানাধীন হাজী ওসমান গণি সড়কের ৩০/২ নম্বরে।

পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রোর বিশেষ পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ জানান, শাহেদ কুখ্যাত ইয়াবা ব্যবসায়ী এবং পুলিশের দায়ের করা মামলার পলাতক আসামী। পুলিশের কাছ থেকে পালিয়েও গিয়েছিল সে।

তিনি জানান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগের স্পেশাল গ্রুপের পুলিশ পরিদর্শক আবুল বাশারের নেতৃত্বে চলতি বছরের ১ মে যাত্রাবাড়িতে একটি অভিযান হয়েছিল। ওইদিন দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে চালানো সেই অভিযানের সময় যাত্রাবাড়ি থানাধীন স্পীডবার্ড সিএনজি ষ্টেশন লিমিটেডের সামনে পুলিশের কাছ থেকে শাহেদ পালিয়ে গিয়েছিল। ওই সময় পুলিশের হাতে সাড়ে ২৯ হাজার ইয়াবাসহ ধরা পড়েছিল শাহেদের দুই সহযোগী মনির হোসেন (৩৮) ও মোঃ নবীন হোসেন (২৪)। গ্রেফতারকৃত মনির ঢাকা-কক্সাবাজার যাতায়াতকারী রয়েল পরিবহনের চালক আর নবীন হেলপার। তারা জবানবন্দিতে জানায়, তারা কক্সবাজার থেকে আব্দুল্লাহর কাছ থেকে ইয়াবা এনে শাহেদের কাছে পৌছে দিত।

শাহেদ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশ পরিদর্শক আবুল বাশার যাত্রাবাড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। শাহেদকে গ্রেফতার না করতে পারে তাকে পলাতক দেখিয়ে মামলাটি তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে পুলিশ। আদালত মামলাটি আবার তদন্তসহ আসামীকে গ্রেফতার করতে পিবিআইকে দায়িত্ব দেয়।

পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ জনকন্ঠকে জানান, শাহেদ পলাতক থাকার সময় নিজের বেশভূষা পরিবর্তন করে ফেলে। ছদ্মবেশে শেষে ইয়াবা ব্যবসা করছিল। অনেক চেষ্টার পর তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।