১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শেখ হাসিনা ॥ এক অনন্য সাধারণ রাজনীতিবিদ

  • প্রফেসর ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী

দেশের মানুষের কল্যাণে, সামাজিক অর্জনে শেখ হাসিনা অনন্য সাধারণ। এ মহতী নেত্রীকে হত্যাচেষ্টায় যারা ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার করেছিল, ১০ অক্টোবর সেই ঘাতকদের রায় দিয়েছে আদালত। ১৪ বছর পর এই রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। এই মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, সাবেক সাংসদ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। এর রায়ের মধ্য দিয়ে নৃশংস-বর্বর এই হামলার বিচার বিচারিক আদালতে শেষ হলো। তবে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী তারেক রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা ছিল দেশবাসীর। শুনেছি সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপীল করা হবে।আসলে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাটি এদেশের রাজনীতিতে একটি কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। যারা এ ঘৃণিত হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের মধ্যে কেউ কেউ বিদেশে খুব আরাম-আয়েশে জীবনযাপন করছে। অন্যদিকে যারা জননেত্রীর সঙ্গে আক্রান্ত হয়েছিলÑ তাদের কেউ কেউ আবার স্পিøন্টারের আঘাতে আহত। ঘাতকরা সেদিন আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করে চিরতরে নির্বাসনে পাঠাতে চেয়েছিল। সত্যিকার অর্থে কোন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল এ ধরনের কর্ম করতে পারে নাÑ যা বিএনপি-জামায়াত ও জঙ্গী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দলগুলো করেছিল। সেদিনের হামলায় ২৪ জন মারা যান এবং ৫০০-এর অধিক আহত হোন। শেখ হাসিনা নিজেও হামলায় কানে আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং শ্রবণজনিত সমস্যায় পড়েনÑ এখনও চিকিৎসা নিচ্ছেন। তারপরও তিনি কিন্তু দেশের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। গত দশ বছর ধরে জনসেবায় নিজেকে বৃহত্তর পরিসরে ব্রতী করেছেন। আসলে যে অন্যায় সে দিন তারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে করেছেন তার ধিক্কার জানাই। এদিকে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় কিন্তু তার দল করা খুনী মোশতাক বাকশালে যোগদানকারী জিয়ার পাশাপাশি অতি উৎসাহী বামদের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু কন্যার ওপর হামলাকারীদের মধ্যে হরকত-উল-জিহাদের ভূমিকা ছিল। এখন দেশে আবার প্রকাশ্যে মহীয়সী নেত্রীর বিরুদ্ধে কামাল-মান্না-বদরুদ্দোজা এবং পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে একজন নোবেল জয়ী। পাশাপাশি ইদানীং তথাকথিত অতি প্রগতিশীল বাম ঘরানার একদল বুদ্ধিজীবী যেভাবে নেত্রীর বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখছেন, সেই পঁচাত্তরের সময়কার কুৎসা রটনা করে চলেছেনÑ তা সত্যি দুঃখজনক। এই বুদ্ধিজীবীর একাংশ বর্তমান সরকারের সঙ্গে আছেÑ সত্যি কি তারা ভোল পাল্টাচ্ছে কিনা, তাদের কেবলা আবার পরিবর্তন করছে কিনা সে ব্যাপারে গোয়েন্দা নজরদারিতে নেয়া ভাল, নচেৎ এটি একটি বীভৎস ঘটনার রূপরেখা হয়ে পড়তে পারে। বাঙালীদের মধ্যে ছড়িয়ে আছে মীরজাফর, ঘসেটি বেগমের রক্তবীজ। এরা অন্যায় কর্মকা-ে লিপ্ত হতে সময় নেয় না। বাম ঘেঁষা বুদ্ধিজীবীদের কেউ কেউ পূর্বতন ইতিহাস টেনে আবোল-তাবোল বোঝাতে সচেষ্টÑ যা কিনা বিএনপি-জামায়াতী ঘৃণ্যচক্র আর ধর্ম ব্যবসায়ীদের মিথ্যে প্রোপাগান্ডাকে ছাড়িয়ে যায় না। তারা আবার এসকে সিনহাকে কাজে লাগাতে চায়। অথচ কথায় আছে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। সে জন্যই দেখা যায় বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা পর্যন্ত এসকে সিনহার বিরুদ্ধে দুটি মামলার ঘটনায় ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ এনেছেন। আসলে মিথ্যাচারণ করে কেবল থুতু ফেলার ব্যবস্থা সিনহা বাবু করেছেন। এখন দেখা যাচ্ছে সিনহা বাবু নিজেই থুতু গায়ে মাখার ব্যবস্থা করেছেন। যারা সিনহা বাবুর বই লেখার কাজে সহযোগিতা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। ড. কামাল কখনও একজন সফল রাজনীতিবিদ ছিলেন না। মোশতাকের পদলেহন করেছেন। মান্না দিক্্ভ্রষ্ট একজন রাজনীতিবিদ। আর বদরুদ্দোজা চৌধুরীর লজ্জা-শরমের বালাই নেই। যুবরাজ তারেক কর্তৃক অপমান অপদস্ত হয়েও আবার তিনি চলেছেন তারেক বন্দনায়। অথচ ঐ তিনজনই কিন্তু কখনও জনকল্যাণ করেননি। গত দশ বছর ধরে তারা রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না বললেই চলে।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানে মানবিক ও দায়িত্বশীল নীতির জন্য প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ‘ইন্টারন্যাশনাল এ্যাচিভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড এবং ২০১৮ স্পেশাল ডিস্টিংকশন এ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্যান্ডির এ্যাচিভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড’ পাওয়ায় আমরা গর্বিত। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কথার মর্যাদা রেখে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারী চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ সব কোটা বাতিলের সুপারিশ মন্ত্রিসভা করেছে। আসলে গুটিকয়েক রাজাকার ও পাকিস্তানপন্থী ছাড়া সবাই বাংলাদেশী। এদিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুণে এখন ইমরান খানকে পাকিস্তানীদের বলতে হয়েছে বাংলাদেশকে সমমর্যাদায় নেয়ার কথা। আবার বিদ্যুত ক্ষেত্রে ২০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছার গর্বের বিষয়। জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার এখন ৮% এর উপর। অর্থনৈতিক সূচকগুলো ইতিবাচক দেখাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তার বীরোচিত নেতৃত্বগুণে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছেন। সর্বজনীন কর্মসংস্থানের প্রয়াস নিয়েছেন। দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ক্রমান্বয়ে উপরের দিকে নেয়ার উদ্যোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ যাতে বিদ্যুতে সাফল্য অর্জিত হয়, উৎপাদন ব্যবস্থায় লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটে, প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্যাভাব না থাকেÑ তার জন্য প্রধানমন্ত্রী দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তাঁর সাফল্য, কর্মোদ্যমকে শ্রদ্ধা করি। তাঁর মধ্যে মাতৃত্বসুলভ যে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আছে তার পরিস্ফুটন অব্যাহত থাকুক। ছড়িয়ে পড়ুক আলোর দীপ্ত মশালে। দেশ ও জাতির কল্যাণে শেখ হাসিনার সীমাহীন পরিশ্রম সার্থক হোক। একই সঙ্গে ঘরের শত্রু বিভীষণকে চিহ্নিত করে নির্বাচনের আগেই তাদের ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া জরুরী। শেখ হাসিনার নেতৃত্ব মানেই বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা। জনকল্যাণের জন্যই ধারাবাহিকভাবে শেখ হাসিনার আবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া দরকার। শেখ হাসিনা টানা দুই মেয়াদ রাষ্ট্র পরিচালনায় আছেন। এই প্রায় ১০ বছরে দেশের যে অগ্রগতি হয়েছে তা কেবল তার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বগুণে সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের মহাসড়কে যাত্রা করেছে। আমি মাঝে মধ্যে অবাক হয়ে ভাবি, বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছরে যে অর্থনৈতিক দর্শন দিয়ে গেছেন। তিন হাজারের বেশি খাতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা করেন। অথচ সেগুলো মোশতাক জিয়া গং বন্ধ করে দেয়ায় দেশ পিছিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে যখন শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করেন, তিনি আবার বঙ্গবন্ধুর দর্শন বাস্তবায়নে হাত দেন। তখন তিনি সঙ্গে একজন যোগ্য অর্থমন্ত্রী পেয়েছিলেন।

বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী যেসব কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন, তাতে প্রতিটি মানুষের কর্মস্পৃহা ও কর্মোদ্যম বেড়ে যাচ্ছে। তিনি মানুষের মৌলিক অধিকার যা সংবিধানে রয়েছে তা বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে চলেছেন। এটি অব্যাহত রাখতে হলে আরও একবার শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনে ভোট দিতে হবে। তবে এর বিরোধিতায় শুধু যে বিএনপি-জামায়াত চক্র সক্রিয় তা নয়, একদল বাম তারা তলে তলে আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করেই ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর। এই নব্য রাজাকারদের থেকে আওয়ামী লীগকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, বামেরা গাছেরটাও খায় তলাটারও কুড়ায়। এ জন্য গোয়েন্দা নজরদারিতে বাম বুদ্ধিজীবীদের আনা উচিত।

একজন বামের কথা বলি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অর্থনীতিতে পুরস্কার নিয়েছেন। এখন আবার জাতীয় দৈনিকে সরকারের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডামূলক বক্তব্য লিখছেন। এদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে। আমি আরেকজন অর্থনীতির শিক্ষকের কথা বলতে পারি যিনি নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সারাক্ষণ বলে চলেন, প্রফেসর, প্রভাষক আর কর্মকর্তা-কর্মচারী ভাই ভাই। অথচ উনি অবৈধভাবে আট বছর চাকরি করে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩০ বছরের বেনিফিট আদায়ে সক্রিয় আছেন।

আমরা জানি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোনোদিন জনগণের সেবায় পিছপা হননি। তিনি কর্মে বিশ্বাসী। তাই তো ১০টি মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে পদ্মা সেতু, ঢাকায় মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণ উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার দাবি থাকবে, যাতে কুমিল্লা, ঠাকুরগাঁও ও খুলনায় তিনটি বিমানবন্দর নির্মাণের প্রকল্প আগামী পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় গ্রহণ করা হয়। আবার কুমিল্লা থেকে দাউদকান্দি, মেঘনা, কাঁচপুর হয়ে রেললাইন নির্মাণ করলে ঢাকা ওপর চাপ কমবে বলে আমি বিশ্বাস করি। কেননা, অনেকেই তখন ঢাকার বাইরে থেকে অফিস করতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক দর্শনের কারণেই গ্রামীণ অর্থনীতি মজবুত হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবশ্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর বদলে অপ্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কাজ করে চলেছে। গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে বাংলাদেশ যদিও রোল মডেল তবুও সমন্বিত উপায়ে কাজ করার জন্য ইধহশরহম ংবপঃড়ৎ আরও প্রয়াস দরকার।

একথা অপ্রিয় হলেও সত্যি যে, ব্যাংকিং সেক্টরে ড. আতিউর রহমানের চলে যাওয়ার ফলে এক ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর যে সুচিন্তিত পরিকল্পনাগুলো ছিল ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ে আমি বলব তা আজ কিছুটা হলেও পিছু হটেছে। এই সেক্টর এখন আমলানির্ভর হওয়ায় ব্যাংক-ব্যবস্থাপনায় কিছুটা দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, ব্যাংকিং সেক্টরের উন্নয়নে যাতে তিনটি কাজ করা হয় :

প্রথমত. প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক অর্থনৈতিক দর্শনের সঙ্গে বাস্তবেই সহমত পোষণ করে এমন কেউ যেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর হতে পারেন। দ্বিতীয়ত. বাংলাদেশ ব্যাংকের চারটি ডেপুটি গবর্নর পদের মধ্যে একটি পদ খালি আছে। সেই পদে বাণিজ্যিক ব্যাংকিংয়ে দক্ষ এবং এমডি পর্যায়ে ন্যূনপক্ষে পাঁচ বছর কোনরকম কালিমা ছাড়া কাজ করেছেন এমন কাউকে ডেপুটি গবর্নর নিযুক্ত করা। তৃতীয়ত. আমার আবেদন হচ্ছে একই ব্যক্তি যেন একাধিক ব্যাংকের মালিকানা না পায়। আর একই পরিবার থেকে এক মেয়াদের বেশি দু’জন সদস্য যেন না থাকতে পারে। সে জন্য ব্যাংকিং আইন সংশোধন করতে হবে।

এটা মানতেই হবে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বগুণে জাতীয় পর্যায়ে আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। এটিকে ধরে রাখতে হলে কর্মসংস্থানকেও প্রাধান্য দিতে হবে। বিবিএসের হিসেবে দেখা যায়, উচ্চশিক্ষিত বেকারের হার বেশি। এই ধারা থেকে বের হয়ে আসতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেসব উদ্যোগ নিয়েছেন সেগুলোকে কার্যকরী করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী যে দৃষ্টি নিয়ে এদেশের প্রতিটি মানুষের মানবিক মর্যাদা বাড়াতে কাজ করছেন, তার বিপরীতে বিএনপি-জামায়াত তো ষড়যন্ত্র করছেই, তার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ধারার উগ্ররাও সক্রিয়। অনেক ক্ষেত্রেই বেহলা-লখিন্দরের বাসর ঘরের ছোট্ট ছিদ্র দিয়ে এই অতি বামরা ঢুকে যাচ্ছে। অথচ প্রকৃত আওয়ামী লীগাররা অনেক ক্ষেত্রে দেশকে ভালোবেসে, প্রধানমন্ত্রীকে ভালবেসে নানা অপমান-অত্যাচার সহ্য করেছে। আমি বলব, শেখ হাসিনা দেশের কল্যাণে যে কাজ করছেন তা প্রকারান্তরে তাদেরই বিজয়। আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অচিরেই কর্মঠ ও ত্যাগী আওয়ামী লীগারদের তার অর্থনৈতিক দর্শনের বাস্তবায়নে আরও সুযোগ দিবেন। আবার নির্বাচনে বিজয়ী হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ দেশকে নিয়ে যাবেন উন্নয়ন থেকে আরও উন্নততর দেশে। আমরা চাই প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ভিশন-২০২১ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হোক।

লেখক : শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদ