১৫ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মি টু আন্দোলনের উপদেষ্টা কমিটি গঠন করবে ভারত

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ কর্মক্ষেত্রে নারীদের যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার একের পর এক অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। উপদেষ্টা কমিটিতে জ্যেষ্ঠ বিচারক এবং আইন কর্মকর্তারা থাকবেন। যারা মি টু আন্দোলনে উঠে আসা সব অভিযোগ খতিয়ে দেখবেন। খবর এনডিটিভি’র

এছাড়া ওই কমিটি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে কিভাবে আইনগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় সে সম্পর্কে নারী ও শিশু উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেবে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইউনিয়ন মন্ত্রী মানেকা গান্ধী বলেন, ‘অভিযোগকারী প্রত্যেকের কষ্ট এবং আতঙ্ক আমি বিশ্বাস করি। কর্মক্ষেত্রে যৌন নিপীড়নের প্রতিটি মামলার বিচার অবশ্যই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে হবে।’ ভারতে গত এক সপ্তাহে ‘মি টু’ আন্দোলনে একের পর এক নারী যৌন হয়রানির শিকার হওয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন। সবচেয়ে বেশি অভিযোগের তীর শক্তিশালী দুই ক্ষেত্র বিনোদন এবং সংবাদ মাধ্যমের দিকে। আন্দোলনের ধাক্কা লেগেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভাতেও। নারী ও শিশু উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী মানেকা এ সপ্তাহের শুরুর দিকে বলেছিলেন, ১০/১৫ বছর আগে যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন এমন অভিযোগও গ্রহণ করা উচিত। নারীদের এভাবে কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার মতো বিষয় নিয়ে মুখ খুলতে দেখে তিনি খুশি হয়েছেন বলেও জানান এই মন্ত্রী।

প্রায় ১০ বছর আড়ালে থাকা সাবেক মিস ইন্ডিয়া তনুশ্রী দত্ত সম্প্রতি অভিনেতা নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও হামলার অভিযোগ এনে ভারতে ‘মি টু’ আন্দোলনের সূচনা করেন। তারপর থেকে নামে বা বেনামে অনেক নারী কর্মক্ষেত্রে যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়া নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। যা নিয়ে ভারতে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। কেউ কেউ ওই সব নারীদের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন। কারও কারও মতে সস্তা জনপ্রিয়তার লোভে নারীরা এ কাজ করছেন।