১৫ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

২০ বছর আগের ‘কুছ কুছ হোতা হ্যয়’ ছবিটির অজানা কিছু তথ্য

২০ বছর আগের ‘কুছ কুছ হোতা হ্যয়’ ছবিটির অজানা কিছু তথ্য

অনলাইন ডেস্ক ॥ সেই ছবি। যে ছবিতে কাজল, রানি মুখোপাধ্যায় আর শাহরুখ খানের বন্ধুত্বের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন সিনে প্রেমীরা। দেখতে দেখতে ২০ টা বছর পার করে ফেলল ১৯৯৮ সালের সুপার-ডুপার হিট ছবি ‘কুছ কুছ হোতা হ্যয়’। একনজরে দেখে নেওয়া যাক ‘কুছ কুছ হোতা হ্যয়’ ছবিটির অজানা কিছু তথ্য।

রানি নয়, টিনার চরিত্রের জন্য পরিচালক কর্ণ জোহরের প্রথম পছন্দ ছিলেন টুইঙ্কল খন্না। আর টুইঙ্কলেরই ডাক নাম টিনা, যেটা ছবিতেও একই রেখে দিয়েছিলেন কর্ণ। কিন্তু টুইঙ্কলই সেই অফার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। আর তার পরেই শাহরুখের কথা মতো রোলটা চলে যায় রানি মুখোপাধ্যায়ের কাছে।

ছবির শুটিংয়ের সময়ে রানি মুখোপাধ্যায়ের বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। তবে রানির হাস্কি ভয়েস এক্কেবারেই পছন্দ ছিল না পরিচালকের। তাই অন্য কাউকে দিয়েই ডাব করতে চেয়েছিলেন কর্ণ।

ছোট্ট অঞ্জলি অর্থাৎ শাহরুখের মেয়ের চরিত্রে যাকে দেখা গিয়েছিল, সেই সানা সঈদ ছবিতে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে চাননি। আর তাই পরিচালক কর্ণকে সানাকে কাঁদানোর জন্য নানারকম ফন্দি আঁটতে হত।

‘তুম পাস আয়ে’ গানটির টিউন আসলে তৈরি করেছিলেন অভিনেতা যুগল হংসরাজ। আর তা তৈরি করেই শুনিয়েছিলেন কর্ণকে। কর্ণর তো বেজায় পছন্দ হয়ে গিয়েছিল। তার পর তো সেই গানই কয়েকদিনের মধ্যেই সুপার ডুপার হয়ে গেল।

বাস্কেট বল খেলার দৃশ্যগুলিতে জাম্প করার জন্য ট্রাম্পোলাইনের ব্যবহার করতে হত শাহরুখ এবং কাজলকে। ‘কোই মিল গ্যায়া’ গানটিতে শাহরুখ যে পোলো স্পোর্টের টি-শার্টটি পরেছিলেন তার দাম সে সময়েই ছিল প্রায় ৫,৫০০ টাকার কাছাকাছি। আর এমন দামি টি-শার্ট কেনার জন্য পরিচালকের বকুনিও খেয়েছিলেন ডিজাইনার মণীশ মলহোত্র।

ছবিটি দেখার পর এক্কেবারে পছন্দ হয়নি শাহরুখের। শেষের দৃশ্যগুলো এত দুঃখের হওয়ার কারণেই মূলত তা অপছন্দ হয়েছিল শাহরুখের। তবে শাহরুখের অভিনয়ে ফিদা হয়ে গিয়েছিলেন সুস্মিতা সেন। শাহরুখকে বলেছিলেন, ‘এ বার অভিনয় ব্যাপারটাকে আমি সিরিয়াসলি নিতে চাই।’

টিনা অর্থাৎ রানি মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর গল্প প্রথমে ছবির স্ক্রিপ্টে ছিল না। পরে কাজলেরই মাথা থেকে এই আইডিয়া আসে। কাজলের সেই আইডিয়া খুব পছন্দ হয়ে যায় কর্ণ জোহরের।

ছবির সেই ছোট্ট পঞ্জাবী বাচ্চাটি, অর্থাৎ পারজান দস্তুরের কেবল একটি ডায়লগই ডাবিং করেছিল আর একটি বাচ্চা। কৈবাল্য চেডা নামের আর একটি বাচ্চার গলাতেই শোনা গিয়েছিল, ‘তুসসি যা র্যাহে হো? তুসসি না যাও!’

মণীশ মলহোত্র, ফারহা খান, কোরিওগ্রাফার গীতা কপূর এবং পরিচালক নিখিল আডবাণী এমনকি কর্ণ জোহরের মা হিরু জোহরকেও ‘কুছ কুছ হোতা হ্যয়’ ছবিতে ক্যামিও করতে দেখা গিয়েছে।

আমানের চরিত্রটির অফার প্রথমে গিয়েছিল সাইফ আলি খানের কাছে। কিন্তু সেই অফার ফিরিয়ে দেন সাইফ। তার পরে কর্ণ জোহরের বাড়িতে একটি অনুষ্ঠানে সালমান এসেছিলেন। তখনই সালমানকে আমানের চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন কর্ণ।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা