১৬ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বগুড়ায় ৯৯ ভাগ সিএনজি অটোরিক্সার ফিটনেস নেই

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া অফিস ॥ বগুড়ায় কমপ্রেসড নেচারাল গ্যাসে (সিএনজি) চালিত অটোরিক্সার ৯৯ শতাংশেরই গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষা করা হয়নি। কোন ফিটনেস সার্টিফিকেট নেই। ভয়াবহ ঝুঁকি নিয়ে অটোরিক্সাগুলো সড়কে চলাচল করছে। যে কোন সময় দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটতে পারে। রূপান্তরিত পশ্চিমাঞ্চলীয় গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) ও তার অনুমোদিত টেস্টিং প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি ৫ বছর অন্তর গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষার পর প্রত্যয়নপত্র নেয়া বাধ্যতামূলক। এই প্রত্যয়ন ছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ফিটনেস সনদ মেলে না।

হালে বিভিন্ন স্থানে মাঝে মধ্যেই গ্যাস সিলিন্ডারে বিভ্রাট ঘটছে। গত ৬ অক্টোবর শহরতলির সাবগ্রাম এলাকায় পথের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটোরিক্সায় বিস্ফোরণ ঘটে। যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের অঘটন ঘটেনি। এরপরও মালিক ও চালকদের টনক নড়েনি। ২০০৫ সালে বগুড়ায় পাইপ লাইনে প্রাকৃতিক গ্যাস আসে। এরপর বাসা বাড়িতে গ্যাসের চুলার গ্রাহক বাড়তে থাকে। একই সময়ে বগুড়ায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চলে আসে। বিক্রি বেড়ে যায়। সড়কে চলাচল শুরু হয়। ২০০৬ সালে বগুড়ার মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়কের ধারে সিএনজি ফিলিং স্টেশন স্থাপন শুরু হয়।

বিআরটিএর হিসেবে প্রায় এক যুগ ধরে বগুড়ার প্রতিটি এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চলাচল করছে। রেজিস্টার্ড অটোরিক্সার সংখ্যা ৫ হাজার ৪শ’ ৫৮। এর বাইরে রেজিস্ট্রেশন বিহীন সিএনজি অটোরিক্সা চলছে আরও প্রায় ১৫ হাজার। বিআরটিএ সূত্র জানাচ্ছে, মাত্র ১ শতাংশ অটোরিক্সার ফিটনেস সনদ আছে। বাকিগুলোর নেই।

বগুড়া বিআরটিএর পরিদর্শক ফয়েজ আহমেদ বলেন, সিলিন্ডার টেস্ট করে ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে মালিকদের বহুবার সতর্ক করা হয়েছে। কোন কাজ হচ্ছে না। সিএনজি চালিত অটো টেম্পো ও অটোরিক্সা যানবাহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ শেখ জানান, মালিকদের অজ্ঞতা মূল কারণ। তাদের সচেতন করে তোলা হচ্ছে।