১৫ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মুন্সীগঞ্জে মা ইলিশ ছিনতাই করতে গিয়ে এএসআই আটক

মুন্সীগঞ্জে মা ইলিশ ছিনতাই করতে গিয়ে এএসআই আটক

স্টাফ রিপোর্টার,মুন্সীগঞ্জ ॥ মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের পদ্মা নদীতে জেলেদেরকে ভয় দেখিয়ে মা ইলিশ ছিনতাই কালে স্থানীয় জনতা ও জেলেরা মিলে এএসআই সোহেল রানাকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। সোহেল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দায়িত্ব পালন করে আসছে।

শুক্রবার ডিএমপির সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সোহেলকে লৌহজং থানায় সোপর্দ করা হয়। এ সময় তার দুই সহযোগী মো. মোহন (২৪) ও লিটন শেখকেও (২২) লৌহজং থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। তাদের বাড়ি সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার গ্রামে।

লৌহজং থানার ওসি মো. লিয়াকত আলি জানায়, পদ্মা নদীতে জেলেদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ইলিশ নেওয়ার সময় স্থানীয় জনতা ও জেলেরা তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এএসআই সাথে আরও দুইজন ছিল, তারাও আটক হয়েছেন। তিনি আরও জানান, তিনি এর আগেও এখানে এসে জেলে ও সাধারণ ক্রেতার কাছ থেকে মাছ ও টাকা নিয়ে গেছে। পরবর্তীতে জেলেরা খোঁজ নিয়ে দেখে সে মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ না। তিনিসহ তার দুই সহযোগির বিরুদ্ধে লৌহজং থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবারই তাদের কোট হাজতে পাঠানো হয়েছে।

শ্রীনগর ও লৌহজং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাকসুদা লিমা জানায়, প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সে জেলেদের কাছ থেকে জোরপূর্বক মা ইলিশ ও টাকা আদায় করাকালীন সময়ে জনতা ও জেলেরা তাকে পাকড়াও করে থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীরা থানায় অভিযোগ দিয়েছে।

উল্লেখ্য ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত নদীতে মা ইলিশ ধরা, সংরক্ষণ ও পরিবহন করা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। কিন্তু এক শ্রেনীর অসাধু জেলে এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ ধরছে নদীতে। আর এ ইলিশ বিক্রি হচ্ছে পদ্মার চরের অস্থায়ী কয়েকটি হাটে। প্রতিদিন শত শত লোক এ হাট থেকে ইলিশ কিনছে কম দামে। আর এ ইলিশ নিয়ে যখন ক্রেতারা বাড়ি ফিরছে তখন অসাধু এ রকম পুলিশ সদস্যের কাছে পড়ে ভয়ে ইলিশ রেখে চলে আসছে ক্রেতা ও জেলেরা।