১৪ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্বর্ণ আমদানি-রফতানিতে যৌক্তিক ভ্যাট নির্ধারণে কমিটি

স্বর্ণ আমদানি-রফতানিতে যৌক্তিক ভ্যাট নির্ধারণে কমিটি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ স্বর্ণ আমদানি-রফতানিতে যৌক্তিক ভ্যাট নির্ধারণে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাণিজ্য সচিবকে প্রধান করে এই কমিটির অন্য সদস্যরা হবেন- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের একজন করে প্রতিনিধি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একজন ও বাংলাদেশের ব্যাংকের একজন প্রতিনিধি। এ কমিটি ব্যাগেজ রুলসের বিষয়েও মতামত প্রদান করবে। সবকিছু বিচার বিশ্লেষণ করে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটি অর্থমন্ত্রীর কাছে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবে।

সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় উপস্থিতি ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বাণিজ্য সচিব সুভাশীষ বসু, অর্থ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার প্রমুখ।

এদিকে, বাংলাদেশে স্বর্ণের বাজারের আরও উন্নয়ন চায় সরকার। এ জন্য স্বর্ণ আমদানি ও রফতানিতে কী পরিমাণ মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) আরোপ যুক্তিযুক্ত হবে তা নির্ধারণে বাণিজ্য সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি ভ্যাট প্রদান না করে দেশে আসা স্বর্ণকে মূল ধারায় নিয়ে আসতে কী পরিমাণ অর্থ ভ্যাট হিসেবে আদায় করা যায়, সে বিষয়ও সুপারিশ করবে।

সূত্রমতে, স্বর্ণ আমদানিতে ভরি প্রতি ১ হাজার টাকা ভ্যাট আরোপ করতে চান অর্থমন্ত্রী। কিন্তু বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ভ্যাটের পরিমাণ আরও কমানোর আবেদন করে। এছাড়া ইতোমধ্যে যেসব স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা ভ্যাট না দিয়ে স্বর্ণ আমদানি করে স্টক করে রেখেছে তাদের স্বর্ণ বৈধ করার জন্য ভরি প্রতি ১ হাজার টাকা করে সরকারী কোষাগারে জমা দেয়ার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। কিন্তু বাজুস এর হার ৩০০ টাকা করার আবেদন জানায়। এরই প্রেক্ষিতে নব গঠিত কমিটিকে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় বাজারদর বিশ্লেষণ করে এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মতামত দিতে বলেছে।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে স্বর্ণ নীতিমালা প্রণয়নে তাগিদ দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেন অর্থমন্ত্রী। ওই চিঠিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতি ভরি স্বর্ণ আমদানির ওপর ১ হাজার টাকা করে মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) আরোপ করা উচিত। আর বর্তমানে যাদের কাছে স্বর্ণ আছে, তাদের কাছ থেকেও প্রতি ভরিতে ১ হাজার টাকা করে নিতে হবে।