১৩ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিশাল শোডাউনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু

 বিশাল শোডাউনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ॥ প্রথম দিনেই ১৭০০ ফরম বিক্রি

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ পূর্ণ নির্বাচনী মুডে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েই শুক্রবার দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেছে দলটি। প্রথমদিনেই বিশাল বিশাল শোডাউন, বাদ্য-বাজনার তালে তালে, স্লোগানে স্লোগানে চারপাশ মুখরিত করে রীতিমত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দলটি। তিন শ’ আসনেই এবার দলের প্রার্থিতার ছড়াছড়ি লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম দিনেই ১৭০০ মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে।

ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের পাশে নতুন নির্বাচনী অফিসে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার পক্ষে গোপালগঞ্জ-৩ ও পীরগঞ্জ-৬ আসনের জন্য প্রথম দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই কার্যক্রম। স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষে পীরগঞ্জ-৬ আসনের জন্য তৃতীয় মনোনয়ন ফরমটি সংগ্রহ করা হয়। আট বিভাগের আটটি পৃথক বুথে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের তদারকিতে মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু হয়। এ জন্য দলের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। প্রথম দিনের চিত্র দেখে ধারণা করা হয়, সারাদেশের তিন শ’ আসনের বিপরীতে এবার মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

শুক্রবার সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জন্য দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। এর মধ্যে একটি ফরম কেনা হয়েছে শেখ হাসিনার নিজের আসন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের জন্য। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ফরমটি কিনে আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহর কাছে হস্তান্তর করেন। শেখ হাসিনার জন্য কেনা অন্য ফরমটি কোন্ আসনের তা পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। তবে দলটির একাধিক সূত্রে জানা গেছে, অপর ফরমটি তার শ্বশুরবাড়ি রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের জন্য কেনা হয়েছে।

গত নির্বাচনে এই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। পরে আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে এমপি হন বর্তমান স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এবারও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর জন্য রংপুর-৬ আসনের মনোনয়ন ফরম কিনে তা ডেপুটি স্পীকার ড. ফজলে রাব্বি মিয়া, চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজের কাছে হস্তান্তর করেন ওবায়দুল কাদের। এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের জন্য নোয়াখালী-৬ আসনের একটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। জানা গেছে, প্রথম দিনই প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ছাড়াও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, মৎস্যমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দসহ অনেক সিনিয়র নেতার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে।

ধানম-িতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয় এবং পাশের নির্বাচন পরিচালনা অফিসে ফরম বিতরণ কার্যক্রমের সূচনা করে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রচ- আগ্রহ ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে আমাদের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কতদিন পর্যন্ত কেনা যাবে জানতে চাইলে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১১ নবেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভা হবে। সেখানেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

সর্বশেষ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট দুই হাজার ৬০৮ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিল। এবার সেই সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন দলটির নেতারা। এবার মনোনয়ন ফরমের দাম ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে। মনোনয়ন ফরম বিক্রি থেকে গতবার আওয়ামী লীগের তহবিলে জমা পড়েছিল প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা। এবার তা দশ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে দলটির নেতাদের প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রীর জন্য দুটি আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের বাসিন্দা দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ফরমটি তাঁদের হাতে তুলে দেন। এ সময় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে মাহবুবুল আলম হানিফ, আবদুর রহমান, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, আবদুস সবুর, সুজিত রায় নন্দী, দেলোয়ার হোসেন, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, এসএম কামাল হোসেন, রেমন্ড অরেং প্রমুখ।

আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা অফিসে মনোনয়ন ফরম বিক্রির জন্য খোলা হয়েছে আট বিভাগের আটটি বুথ। সারা দেশ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা তাঁদের কর্মীসমর্থক নিয়ে ধানম-িতে ভিড় করায় বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই সেখানে চলছে উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা আওয়ামী লীগ কর্মীরা ধানম-ির ৩ নম্বর সড়ক ও আশপাশের এলাকা সরগরম করে রেখেছেন ঢাক-ঢোল ও গানবাজনায়। পছন্দের নেতাদের প্রার্থী করতে দিনভর স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত করে রাখে চারদিক। মনোনয়ন ফরম বিক্রি ঘিরে এই ভিড়ের কারণে সিটি কলেজ থেকে জিগাতলা মোড় পর্যন্ত রাস্তার একপাশে দেখা দেয় ব্যাপক যানজট। ফলে ছুটির দিনের সকালেও অনেককে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছতে হয়েছে।

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা রাখার জন্য গত সোমবার আট বিভাগের জন্য আটটি নতুন ট্রাঙ্ক কেনা হয়। নতুন নির্বাচনী অফিসের খোলা মাঠে আট বিভাগের জন্য টেবিল- চেয়ার সাজিয়ে আটটি বুথ করা হয়েছে। সাউন্ড সিস্টেমসহ নিরাপত্তা জোরদার করতে আর্চওয়ের মাধ্যমে সবার প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিশাল বিশাল শোডাউন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের বিষয়টিও সবার নজর কাড়ে। তবে বর্তমান মন্ত্রী-এমপিদের পরিবর্তে শোডাউন করা মমোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে নতুনদের আধিক্য লক্ষ্য করা গেছে।

দলীয় সূত্র জানায়, আগামীকাল রবিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় এই বৈঠকে মনোনয়ন ফরম যাচাই-বাছাইসহ প্রার্থী চূড়ান্ত করার কৌশল নির্ধারণ করা হবে। ইতোমধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ সংস্থা এবং দলীয় গোপন কমিটির মাধ্যমে তিন শ’ আসনের মাঠ জরিপের ফল এখন শেখ হাসিনার ল্যাপটপে বন্দী। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে আলোচনা, তৃণমূল নেতাদের প্রস্তাব এবং মাঠ জরিপের ফলের ভিত্তিতেই আসনগুলোতে দলের একক প্রার্থী ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ১৫ নবেম্বরের পর থেকে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের নাম ঘোষণা শুরু করতে পারে আওয়ামী লীগ। তার আগে সংসদীয় বোর্ডের সভায় নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। সেক্ষেত্রে এবার একযোগে না হলেও আট বিভাগে দুই দফায় নৌকার প্রার্থীদের নাম জানিয়ে দেয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত রয়েছে দলটির।

এদিকে, তফসিল ঘোষণার পর দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। মনোনয়ন ফরম বিক্রিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিশৃঙ্খল পরিবেশ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে শুক্রবার ওবায়দুল কাদের বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে দেখার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, এবার মনোনয়ন ফরম কেনায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করছি। আজ ডিসিপ্লিন রাখার মতো অবস্থা নেই। কারণ দেশের জনগণ এখন নির্বাচনী মুডে রয়েছে।

সৈয়দ আশরাফ ও তার ভাইয়ের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ॥ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতিম-লীর সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। একই আসন থেকে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন তার ছোট ভাই মেজর জেনারেল (অব) সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম। সৈয়দ আশরাফের পক্ষে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী তোফাজ্জল হোসেন। সাফায়েতুল ইসলামের পক্ষে সাবেক ছাত্রনেতা জহির মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুরের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ।

চাঁদপুর-২ আসনে বাবা-ছেলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ॥ জানা গেছে, চাঁদপুর-২ আসন থেকে মনোনয়ন পেতে ফরম সংগ্রহ করেছেন অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম এবং তার ছেলে সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু। মন্ত্রী মায়ার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তার রাজনৈতিক সচিব মাসুদ আহমেদ জামান ও তার ভাই মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হক চৌধুরী বাবুল। অপরদিকে সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপুর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুল হোসেন।

প্রথমদিন যারা মনোনয়নপত্র নিলেন ॥ ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার প্রথমদিনে আরও ফরম সংগ্রহ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী (ফরিদপুর-২), উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত (সিলেট-১), কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান (খুলনা-৬), মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), ডেপুটি স্পীকার ফজলে রাব্বী মিয়া (গাইবান্ধা-৫), আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম (মাদারীপুর-৩), কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী (লক্ষ্মীপুর-৪), সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী (চাঁদপুর-৩), কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যাপক রফিকুর রহমান (মৌলভীবাজার-৪), উপাধ্যক্ষ ড. আবদুস শহীদ (মৌলভীবাজার-৪), এ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু (পাবনা-১), এ এইচ আজম খান (বগুড়া-৭), ক্যাপ্টেন (অব) এবি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), শেখ হেলাল উদ্দীন (বাগেরহাট-১), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), হাবিবুর রহমান মোল্লা (ঢাকা-৫), অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), শফিকুল ইসলাম শিমুল (নাটোর-২), তানভীর ইমাম (সিরাজগঞ্জ-৪), অধ্যাপক আবু সাইয়ীদ (পাবনা-১), তানভীর শাকিল জয় (সিরাজগঞ্জ-১), ইসহাক আলী পান্না (পিরোজপুর-১), আবদুল হাই (ঝিনাইদহ-১), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আনোয়ারুল আজীম আনার (ঝিনাইদহ-৪), ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন (বাগেরহাট-৪), গোলাম সারোয়ার কবির (মুন্সীগঞ্জ-২), মনিরুজ্জামান মনির (ঝালকাঠি-১), তাজউদ্দীন আহমেদ (পিরোজপুর-৩), জিয়াউল হক জুয়েল (পটুয়াখালী-২), বাহাদুর বেপারী (শরীয়তপুর-৩), ফরিদা ইয়াসমীন ঝুমা (ঢাকা-৫), মুরসালিন আহমেদ (পটুয়াখালী-৪), কাজী সরোয়ার হোসেন (নড়াইল-১), আবদুল হান্নান খান (নেত্রকোনা-৫), এস এম ইয়াকুব আলী (যশোর-৫), এম ইসফাক আহসান (চাঁদপুর-২), মুহাম্মদ বদিউল আলম (চট্টগ্রাম-১২), গিয়াস উদ্দিন সরকার পলাশ (ঢাকা-৯), ড. আশিকুর রহমান শান্ত (ভোলা-২), কাজী শহিদ ইসলাম পাপলু (লক্ষ্মীপুর-২), সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু (ফেনী-১), সেলিনা ইসলাম (কুমিল্লা-১), ইঞ্জিনিয়ার মেজবাহউদ্দিন (প্রিন্স) ফকির (পিরোজপুর-৩), মাকসুদুল ইসলাম (ঢাকা-১৬), এ কে এম আবু সুফিয়ান (নারায়ণগঞ্জ-৫), এনামুল হক (রাজশাহী-৪), মশিউর রহমান মোল্লা সজল (ঢাকা-৫), ইঞ্জিনিয়ার এম এ মান্নান (কিশোরগঞ্জ-২), কায়সার হাসনাত (নারায়ণগঞ্জ-৩), হাবিবুর রহমান খান (বরিশাল-২), সখিনা সিদ্দিক (নওগাঁ-৩), এ এইচ এম মাকসুদ দুলাল (নারায়ণগঞ্জ-৩), এ্যাডভোকেট হারুন-অর-রশিদ (বরগুনা-২), অধ্যক্ষ আবদুল আহাদ চৌধুরী (মৌলভীবাজার-৪), আবদুল মান্নান (ঝিনাইদহ-৪), মোস্তাফিজুর রহমান বিজু (ঝিনাইদহ-৪), তোফাজ্জেল হোসেন বাবু (ঝিনাইদহ-৪), শরিফুল ইসলাম মিন্টু (ঝিনাইদহ-৪), এ্যাডভোকেট সোহরাব আলী সানা (খুলনা-৬), এ্যাডভোকেট নুরুল হক (খুলনা-৬), এ এইচ এম মাসুদ দুলাল (নারায়ণগঞ্জ-৩), আবদুল্লাহ আল মাহমুদ (খুলনা-৬), গাজী মোহাম্মদ আলী (খুলনা-৬), আ. রশিদ মোড়ল (খুলনা-৬), ভবেশ^র রোয়াজা নিকি (খাগড়াছড়ি), দীপক চৌধুরী (সুনামগঞ্জ-২), ব্যারিস্টার অনুকুল ডালটন (সুনামগঞ্জ-২) প্রমুখ।