১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পুলিশের ওপর হামলা ভোটের জন্য অশনি সংকেত ॥ জাসদ

পুলিশের ওপর হামলা ভোটের জন্য অশনি সংকেত ॥ জাসদ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিনা উস্কানিতে হঠাৎ পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, সাধারণ মানুষের গাড়ি ভাংচুরসহ জ্বালাও-পোড়াওয়ের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছেন।

এক বিবৃতিতে তারা বলেন, বিএনপির লোকজনের এই জ্বালাও-পোড়াও, ভাংচুরের ঘটনা আগামী নির্বাচন সামনে রেখে একটি অশনি সংকেত। ঘটনাদৃষ্টে মনে হচ্ছে অন্ধকারের শক্তি নির্বাচন বানচালের জন্য আবারও বিএনপির কাঁধে আঁচড় করেছে। জাসদ নেতৃদ্বয় নির্বাচন বানচালের সব ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

বাম জোটের উদ্বেগ ॥ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিএনপির নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যকার সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাম গণতান্ত্রিক জোট নেতারা। জোটের সমন্বয়ক মোঃ শাহ আলম এক বিবৃতিতে বলেন, বাম জোট নির্বাচনী মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময় প্রার্থীর শোডাউনকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। সেসময় ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা ব্যাপক শোডাউন করে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হয়নি। পরবর্তীতে অন্যান্য বিরোধী দল একইভাবে শোডাউন করে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে পরিপত্র প্রকাশ করে ইসি। এই পক্ষপাতমূলক আচরণ নিরপেক্ষতা নিয়ে ফের জনমনে প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।

ওয়ার্কার্স পার্টির ৩২ মনোনায়নপত্র সংগ্রহ ॥ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য গত দুদিন ওয়ার্কার্স পার্টির ৩২ প্রার্থী মনোনায়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ‘নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মল্লিক প্রার্থীদের দলীয় মনোনায়নপত্র প্রদান করেন। এ সময় বোর্ডের সদস্য কামরুল আহসান পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য অধ্যাপক ড. সুশান্ত দাস তাকে সহায়তা করেন। মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীদের মধ্যে পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, পলিটব্যুরোর সদস্য নূর আহমেদ বকুল, ইকবাল কবির জাহিদ, মোস্তফা লুৎফল্লাহ, এ্যাডভোকেট হাফিজ, ফিরোজ আলম, আব্দুল মজিদ, ইব্রাহিম খলিল, হাজী বশির, আবুল হোসাইন, মোস্তফা আলমগীর রতন, অধ্যাপক ইয়াসিন আলী এমপি, টিপু সুলতান এমপি, গোলাম নজব পাওয়ার চৌধুরী, মাসুকুল হক মুরাদ, হিমাংশু সাহা প্রমুখ।

সিপিবির সুপারিশ ॥ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাস্তে মার্কার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নের জন্য তৃণমূল থেকে সুপারিশের মাধ্যমে নাম আসতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে প্রার্থী হিসেবে যেসব কেন্দ্রীয় নেতার নাম এসেছে, তারা হলেন সিপিবির সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান খান (জামালপুর-২), সহকারী সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন (নরসিংদী-৪), প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ (গাইবান্ধা-২), আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন (কুমিল্লা-৫) রফিকুজ্জামান লায়েক (ফরিদপুর-৩), কেন্দ্রীয় নেতা দিবালোক সিংহ (নেত্রকোণা-১), ডাঃ ফজলুর রহমান (নওগাঁ-৪), এ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত (ময়মনসিংহ-৪), জলি তালুকদার (নেত্রকোণা-৪), আহসান হাবীব লাবলু (ঢাকা-১৩), আজহারুল ইসলাম আরজু (মানিকগঞ্জ-৩), সাজেদুল হক রুবেল (ঢাকা-১৫), এ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ (নারায়ণগঞ্জ-৫), মৃণাল চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১), আমিনুল ফরিদ (বগুড়া-৭), এ্যাডভোকেট সোহেল আহমেদ (ভোলা-১), লীনা চক্রবর্তী (ঢাকা-১৯) প্রমুখ। আগামী ১৮ নবেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হবে। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে তৃণমূল থেকে যথা নিয়মে অর্থাৎ শাখা পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের কমিটির মতামতরে ভিত্তিতে আবেদন পাঠাতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান হয়েছে।