১৮ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

টু ক রো খ ব র ॥ আগামী বছর জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক সরবরাহ বাড়বে

২০১৯ সালজুড়ে জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি থাকবে। বৈশ্বিক অর্থনীতির গতি শ্লথ হওয়ার বিপরীতে বিভিন্ন দেশে পণ্যটির উত্তোলন বাড়তে থাকায় এ অবস্থা তৈরি হবে। গত বুধবার প্রকাশিত ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ফ্রান্সের প্যারিসভিত্তিক সংস্থাটি ২০১৮ ও ২০১৯ সালের জন্য বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দৈনিক চাহিদার প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন যথাক্রমে ১৩ লাখ ব্যারেল ও ১৪ লাখ ব্যারেলে অপরিবর্তিত রেখেছে। তবে সংস্থাটি অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি)-বহির্ভূত দেশগুলোর জন্য জ্বালানি তেলের চাহিদার প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন কমিয়ে এনেছে। এ দেশগুলোকে জ্বালানি তেলের চাহিদার বৃদ্ধির প্রধান অনুঘটক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

গত অক্টোবরের প্রথম দিকের পর থেকে জ্বালানি তেলের দাম এক-চতুর্থাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে, যা আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। আইইএ জানিয়েছে, পণ্যটির এ দরপতন চাহিদাকে চাঙ্গা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। গত অক্টোবরে ওপেকভুক্ত দেশগুলোয় জ্বালানি তেলের দৈনিক উৎপাদন ২ লাখ ব্যারেল বেড়ে ৩ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেলে উন্নীত হয়েছে, যা এক বছর আগের উৎপাদনের তুলনায় ২ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল বেশি। এ সময়ে ইরানে পণ্যটির দৈনিক উৎপাদন ৪ লাখ ব্যারেল ও ভেনিজুয়েলায় ৬ লাখ ব্যারেল কমেছে। তবে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে উত্তোলনে বড় ধরনের উত্থান ঘটায় সামগ্রিক উত্তোলন বেড়েছে। আইইএ জানিয়েছে, জ্বালানি তেল উৎপাদন বৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দেবে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে দেশটিতে দৈনিক ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল বেশি হারে জ্বালানি তেল উৎপাদন হচ্ছে। চলতি বছর দেশটিতে জ্বালানি তেলের দৈনিক উৎপাদন ২১ লাখ ব্যারেল ও ২০১৯ সালে আরও ১৩ লাখ ব্যারেল বাড়তে পারে।