২৫ নভেম্বর ২০১৮

রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবেলায় জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানিং (জেআরপি) প্রণয়ন এবং রোহিঙ্গা ত্রাণ কর্মসূচী সমন্বয় প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের বর্তমান ভূমিকায় হতাশা প্রকাশ করেছে স্থানীয় এনজিও এবং সুশীল সমাজ সংগঠনগুলো। রবিবার কক্সবাজারে একটি হোটেলে ৪২টি স্থানীয়-দেশীয় এনজিও এবং সুশীল সমাজ সংগঠনের নেটওয়ার্ক কক্সবাজার এনজিও এ্যান্ড সিএসও ফোরাম (সিসিএনএফ) আয়োজিত রোহিঙ্গা রেসপন্স এ্যান্ড গ্রান্ড বারগেন কমিটমেন্ট: এইড ট্রান্সপারেন্সি এ্যান্ড

সলিডারিটি এপ্রোচ শীর্ষক আলোচনায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ত্রাণ কর্মসূচীর সকল পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং গ্রান্ড বারগেন প্রতিশ্রুতির আলোকে জাতিসংঘের সকল প্রক্রিয়ায় স্থানীয়দের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। অক্সফামের আর্থিক সহায়তায় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এনজিও এবং সুশীল সমাজ নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতিসংঘ অঙ্গসংস্থাগুলো এই পর্যন্ত যে ৬৮২ মিলিয়ন ডলার তহবিল পেয়েছে, এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এনজিও যে অর্থ সাহায্য পেয়েছে- সেগুলোর প্রকাশ্য স্বচ্ছতা বা জবাবদিহিতা এবং সুসমন্বয়ের অভাব আছে। অর্থ সাহায্য কমে যাওয়ার সম্ভাব্য ভবিষ্যত পরিস্থিতি মোকাবেলায় তারা ২০১৮ সালের জেআরপির পূর্ণ পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতে সকল অর্থ সহায়তার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি করেন।

সিসিএনএফ- কো চেয়ার আবু মুর্শেদ চৌধুরী এবং রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম, ইন্টার সেকটোরাল কোঅর্ডিনেশন গ্রুপ (আইএসজি)-এর উর্ধতন পরামর্শক আনিকা সুডল্যান্ড এবং পরামর্শক বারস মারগো, অক্সফাম ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি এবং গ্লোবাল লোকালাইজেশন ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য অনিতা কাট্টাখুজি বক্তব্য রাখেন। কোস্ট ট্রাস্টের মোঃ মুজিবুল হক মনির আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ হিসেবে রোহিঙ্গা ত্রাণ কর্মসূচীতে স্থানীয়কণের ওপর পরিচালিত একটি জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন।