১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

না ফেরার দেশে গণসংগীত শিল্পী অশোক সেনগুপ্ত

না ফেরার দেশে গণসংগীত শিল্পী অশোক সেনগুপ্ত

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের গণসংগীত জগতের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা নাম অশোক সেনগুপ্ত। চট্টগ্রাম সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম পুরোধা এই ব্যক্তিত্ব চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

বেশ কয়েকদিন ফুসফুসের ক্যানসারে ভোগার পর কলকাতার টাটা মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার, ৫ ডিসেম্বর ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

অশোক সেনগুপ্তের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আগামী শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় তাঁর মরদেহ রাখা হবে চট্টগ্রাম শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবে। এরপর অভয়মিত্র মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে।

অশোক সেনগুপ্তের জন্ম বোয়ালখালীর খিতাপচর গ্রামে ১৯৪৯ সালে। মা মৃণালিনী সেনগুপ্তা ও পিতা যতীন্দ্রলাল সেনগুপ্ত। মাত্র ১৩ বছর বয়সে সঙ্গীত জীবনের শুরু।

৬৯ এর গণ-আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে গণসংগীত নিয়ে সাহসী ভূমিকা রাখেন অশোক সেনগুপ্ত। অশোক সেনগুপ্ত এ পর্যন্ত চার শতাধিক গণসংগীত রচনা করেছেন। দিয়েছেন সুর, গেয়েছেনও। নিজের লেখা প্রায় শতাধিক আধুনিক ও ধর্মীয় গানের স্রষ্টা তিনি।

এছাড়া পরিবেশন করেছেন গীতিআলেখ্য- ‘বিক্ষুব্ধ বাংলা’, ‘দিন বদলের পালা’, ‘সর্বনাশী রাঙ্গাবলী’। সুরারোপ করেছেন সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘অভিযান’ নৃত্যনাট্যের।

তাঁর স্ত্রী নৃত্যশিল্পী রত্না সেনগুপ্তা। দুই সন্তান কত্থক নৃত্যশিল্পী তিলোত্তমা সেনগুপ্তা এবং অভিনয় ও আবৃত্তিশিল্পী ইমন সেনগুপ্ত (প্রয়াত)। তাঁর মেয়ের জামাতা প্রখ্যাত নাট্যনির্দেশক অসীম দাশ।