১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রসঙ্গ ইসলাম ॥ কাদিরীয়া তরিকা

  • অধ্যাপক হাসান আবদুল কাইয়ূম

ইসলাম বিদ্যা অর্জনকে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য অবশ্য কর্তব্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। বিদ্যা বা জ্ঞান-বিজ্ঞানের নানা শাখা-প্রশাখা-উপশাখা রয়েছে। জ্ঞান-বিজ্ঞান বা ইল্ম সম্পর্কে বলা হয়েছে : ইল্ম হচ্ছে মহাশক্তি, বড় সম্পদ এবং আল্লাহ্্র নিয়ামত।

ইসলামে জ্ঞান-বিজ্ঞানকে সমষ্টিগতভাবে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে আর তা হচ্ছে : ইলমে জাহির অর্থাৎ প্রকাশ্য বিদ্যা এবং ইলমে বাতিন অর্থাৎ গুপ্ত বিদ্যা। এর বহু বিষয়ভিত্তিক শাখা-প্রশাখা রয়েছে। সমস্ত জ্ঞান-বিজ্ঞানের আকর হচ্ছে ইলমে তাসাওউফ। এই তাসাওউফ বিজ্ঞান মূলত শরিয়ত, তরিকত, হকিকত ও মারুফতের সমন্বয়ে একটি অনন্য বিজ্ঞান।

ইলমে তাসাওউফ এমন এক বিজ্ঞান যা শরিয়তকে সুসংহত করে এবং ইনসানে কামিল বা পূর্ণমানব হওয়ার কার্যকর দিশা প্রদান করে। এ জন্য রয়েছে তরিকত বা পন্থা। সেই পন্থা অনুযায়ী যিকর-আজকার, গভীর অনুধ্যান তথা মুরাকাবা-মুশাহাদার মাধ্যমে হকিকত বা প্রকৃত দশায় উপনীত হয়ে অতি সহজে সত্যকে অবলোকন করে মারুফাত হাসিল করা সম্ভব হয়। সাধারণ বিদ্যা অর্জনের জন্য যেমন শিক্ষকের প্রয়োজন হয়, তেমনি ইলমে তাসাওউফ অর্জনের জন্য পীর-মুরশিদের প্রয়োজন হয়। তাসাওউফকে বাদ দিয়ে সত্যের প্রকৃত সন্ধান পাওয়া যায় না। তাসাওউফবিহীন বিদ্বান হচ্ছেন মূলত খুশবুবিহীন ফুলের মতো, কিংবা সাগর তলায় পড়ে থাকা নুড়ির মতো।

হযরত ইমাম মালিক রহমাতুল্লাহি ‘আলায়হি বলেছেন : মান তাফাক্কাহ ওয়ালাম ইয়া তাসাওউফ ফাকাদ তাফাস্সাকা, ওয়া মান তাসাওউফা ওয়ালামা ইয়া তাফাক্কাহ্ ফাকাদ তাযান্দাকা, ওয়া মান জামা’আ বায়নাহুমা ফাকাদ তাহাক্কাকা। কেউ ফিক্হ আমল করল অথচ তাসাওউফ বাদ দিল সে ফাসিক আর তাসাওউফ আমল করল অথচ ফিক্হ বাদ দিল সে যিন্দিক, আর যে দুটোই একত্রে আমল করল সে মুহাক্কিক বা প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ।

ইসলামে যেমন সুষ্ঠুভাবে বিধিবিধান পালন করার জন্য বিভিন্ন মযহাব রয়েছে, তেমনি ইলমে তাসাওউফ সুষ্ঠুভাবে ও সুশৃঙ্খল পন্থায় অর্জনের জন্য বিভিন্ন তরিকা রয়েছে। এই তরিকাগুলোর মধ্যে প্রধান তরিকা হিসেবে গণ্য করা হয় কাদিরীয়া তরিকাকে। এই তরিকার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে, এই তরিকায় আল্লাহর রিদা বা সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আল্লাহর নাম মুবারক বেশি বেশি যিকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এই যিকর কিভাবে করতে হবে, কিভাবে মুরাকাবা-মুশাহাদা করতে হবে তার নিয়ম-পদ্ধতি রয়েছে। আল্লাহ্ আল্লাহ্ যিকর নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী কলেবর দিকে গভীরভাবে মনোনিবেশ করে খেয়ালের সঙ্গে মনে মনে করা যায়, যাকে খফী বা শব্দবিহীন বা অনুচ্চস্বরে যিকর বলা হয়। আবার সশব্দ উচ্চারণে যে যিকর করা হয় তাকে জলী যিকর বলে। জলী যিকর এতটুকু উচ্চৈঃস্বরে করার পদ্ধতি রয়েছে যাতে তা চিৎকারে পর্যবসিত না হয়। কুরআন মজীদে ইরশাদ হয়েছে : ওয়াযকুরিস্মা রব্বিকা ওয়া তাবাত্তাল ইলায়হি তাবতীলা- সুতরাং তুমি তোমার রবের নামে যিকর কর এবং একনিষ্ঠভাবে তাতে মগ্ন হও। (সূরা মুয্যাম্মিল : আয়াত ৮)। কাদিরীয়া তরিকার নিস্বত (সম্বন্ধ) একই উৎস থেকে তিন ধারায় বিকশিত হতে হতে গওসুল আজম আবূ মুহম্মদ মুহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি ‘আলায়হি পর্যন্ত এসে কাদিরীয়া তরিকা নামে সমন্বিত ও বিন্যাসিত হয়েছে।

তিনটি ধারার প্রথমটি সাইয়েদুল মুরসালিন খাতামুননাবিয়ীন নূরে মুজাস্সাম হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম থেকে হযরত আলী করমাল্লাহু ওয়াজহাহু লাভ করেন। তাঁর থেকে হযরত ইমাম হুসাইন রাদিআল্লাহু তা’আলা আন্হু প্রাপ্ত হন, তাঁর থেকে তা লাভ করেন হযরত ইমাম হাসান রাদিআল্লাহু তা’আলা আন্হুর সাহেবজাদা হযরত হাসান মুসান্না রাদিআল্লাহু তা’আলা আন্হু। এমনিভাবে পরম্পরাগতভাবে হযরত সৈয়দ আবূ সালেহ মূসা জঙ্গী রহমাতুল্লাহি ‘আলায়হির সাহেবজাদা গওসুল আজম আবূ মুহম্মদ মুহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী (র)-এর প্রাপ্তি ঘটে।

কাদিরীয়া তরিকার দ্বিতীয় ধারা হযরত আবূ বকর সিদ্দীক রাদিআল্লাহু তা’আলা আনহু থেকে পরম্পরাগতভাবে হযরত সালমান ফারসী রাদিআল্লাহু তা’আলা আন্হু হয়ে হযরত র্সরি সাকতি রহমাতুল্লাহি ‘আলায়হি পর্যন্ত পৌঁছে। এমনিভাবে তা এগোতে এগোতে হযরত জুনায়েদ বাগদাদী (র) পর্যন্ত এসে পৌঁছে। এখান থেকে হযরত শায়খ আবূ বকর শিবলী রহমাতুল্লাহি আলায়হি লাভ করেন। তাঁর থেকে ক্রমধারায় শায়খ আবুল ফযল আবদুল ওয়াহেদ ইয়ামনী লাভ করেন। এমনিভাবে এই সিদ্দীকী নিস্বত হযরত আবূ সাঈদ মাখরুমী রহমাতুল্লাহি ‘আলায়হি থেকে প্রাপ্ত হন গওসুল আজম আবূ মুহম্মদ মুহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি আলায়হি।

এই তরিকার তৃতীয় ধারা হযরত খিযির আলায়হিস্ সালামের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই তৃতীয় ধারার নিস্বতও লাভ করেন গওসুল আজম রহমাতুল্লাহি আলায়হি। এই তিনটি নিস্বত একত্র হয়ে কাইিরয়া তরিকার উন্মেষ ঘটে।

এই তরিকার মাধ্যমে শরিয়তের ওপর সামগ্রিকভাবে কায়েম থেকে মারুফাতে অতি সহজেই উত্তরণ করা যায়। যে কারণে মুসলিম জাহানের সর্বত্র এই তরিকা চর্চার বহু কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। গড়ে উঠেছে বহু খানকা শরীফ।

যতদূর জানা যায়, বাংলাদেশে এই তরিকার ব্যাপক চর্চা শুরু হয় হযরত শাহ্ জালাল রহমাতুল্লাহি ‘আলায়হি ও তাঁর সঙ্গী পীর দরবেশগণের দ্বারা। হযরত গওসুল আজম (র)-এর বংশধর বলে পরিচিত শাহ্ মখ্দুম রূপোশ (র)-এর প্রসার ঘটান। হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (র)-এর দরগাহ্ ঢাকার মিরপুরে রয়েছে। আমাদের নিকটকালে ফুরফুরা শরীফের পীর মুজাদ্দিদে যামান আমীরুশ্ শরীয়াত হযরত মাওলানা শাহ্ সুফী আবূ বকর সিদ্দিকী রহমাতুল্লাহি ‘আলায়হি অন্যান্য তরিকার পাশাপাশি কাদিরীয়া তরিকার সব্ক ও তালিম প্রদানে গুরুত্ব প্রদান করতেন। তাঁর খলিফাগণও সেই নীতি গ্রহণ করেন। তাঁর প্রধান খলিফা দ্বারিয়াপুর শরীফের আলা হযরত পীর কুত্বুল আলম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফী আলহাজ তোয়াজউদ্দীন আহমদ রহমাতুল্লাহি আলায়হি প্রাথমিকভাবে মুরিদদের কাদিরীয়া তরিকার নিস্বত অনুযায়ী সাধারণত তালিম-তালকীন দিতেন। সুফী সদরুদ্দীন (র), মাওলানা নিসারুদ্দীন আহমদ (র), যশোরের মাওলানা আহমদ আলী ইনায়েতপুরী (র), খুলনার মাওলানা ময়েজুদ্দীন হামিদী (র) সহ অনেক পীর কাদিরীয়া তরিকার সবক দিতেন। যশোরের খড়কী শরীফের পীর মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ আবদুল করীম (র) ঊনবিংশ শতাব্দীতে মূলত-নকশবন্দীয়া ও মুজাদ্দিদীয়া তরিকার সবক দিলেও কাদিরীয়া তরিকারও সবক দিতেন। তিনিই সর্বপ্রথম বাংলা ভাষায় তাসাওউফের ওপর মৌলিক ও বিস্তারিত গ্রন্থ রচনা করেন যার নাম এরশাদে খালেকিয়া বা খোদা প্রাপ্তি তত্ত্ব (প্রথম প্রকাশ ১৮৯৯ খ্রিঃ)। হযরত মাওলানা আবদুল করীম (র)-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র মাওলানা শাহ্ আবূ নঈম (র) কাদিরীয়া তরিকার তালিম দিতেন। কাদিরীয়া তরিকার ওপর বিভিন্ন ভাষায় বহু গ্রন্থ রচিত হয়েছে। হযরত আবদুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি আলায়হির বেশ কয়েকখানি গ্রন্থ রয়েছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : আল গুনিয়াতুত্ তালিবীন, আল ফত্হুর রব্বানী, ফুত্হুল গায়ব, হিযবুল শা’ইরিল খায়রাত প্রভৃতি। তাঁর রচিত কাসিদাও (কাব্য) রয়েছে যা মুসলিম বিশ্বে বহুল পঠিত কাব্য কর্ম।

কাদিরীয়া তরিকায় জরবী যিক্্র করার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। জরবী শব্দের অর্থ আঘাত করা। বিশেষ প্রক্রিয়ায় আল্লাহ্ নাম দ্বারা কলবের ওপর আঘাত করা হয় যে কারণে একে র্জবী যিকর বলে। এক জরবী, দুই জরবী, তিন জরবী ও চার জরবী যিক্্র রয়েছে। হাদিস শরীফে আছে, প্রতিটা জিনিস পরিষ্কার করার শানযন্ত্র আছে। কল্ব পরিষ্কার করার শানযন্ত্র হচ্ছে আল্লাহ্্র যিক্্র। এই যিক্্র বাদ ফজর ও বাদ মাগরিব পীরের নির্দেশ মোতাবেক করলে খুবই ফায়দা পাওয়া যায়।

এই তরিকার দরুদ শরীফ যেটা বাদ ফজর বিশেষ খতম শরীফ ও সওয়াব রিসানীর পর কলেবর দিকে মনোনিবেশ (মুতাওয়াজ্জাহ) করে মনে মনে কমপক্ষে এক শ’ বার পাঠ করতে হয়। আর তা হচ্ছে: আল্লাহুম্মা সল্লি আলা সাইয়িদিনা মুহাম্মাদিন সাইয়িদিল্ মুরসালিন ওয়া আলা আরশাদে আওলাদিহিশ্ শায়খে আবদুল কাদির জিলানী ইমামিত তরিকাতে ওয়াল আওলিয়ায়েল কামিলীন।

এই দরুদ শরীফে তাঁকে তরিকতের এবং কামিল ওলীগণের ইমাম বলা হয়েছে। সত্যিকার অর্থেও তিনি বিভিন্ন ধারার নিস্বতকে এক মোহনায় এনে আল্লাহ্ প্রাপ্তির যে সহজ এবং প্রবল শক্তিসম্পন্ন তরিকা বা পদ্ধতি সফলভাবে বিন্যাসিত করেছেন তা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়েছিল তাঁর কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতার ফলেই। জানা যায় যে, তিনি আল্লাহ্ ছাড়া কারও কাছে কোন কিছু চাননি। তিনি প্রায় উপোস থাকতেন। পয়সার অভাবে খাদ্য কিনতে পারতেন না, গাছের পাতা খেয়েও তিনি দিন গুজরান করেছেন বহুকাল। একবার তিনি এক উঁচু টিলার ওপর একটি জীর্ণ কুটিরে ১২ বছর ইবাদত বন্দেগী, যিকর-আজকর, মুরাকাবা-মুশাহাদার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করেন। তিনি একবার সঙ্কল্প করেন যে, ৪০ দিন পানাহার করবেন না। যদি আল্লাহ্ কারও মাধ্যমে তাঁর মুখে খাবার তুলে দেয়ার ব্যবস্থা করেন তাহলেই কেবল তিনি তা খাবেন, নইলে অনাহারেই কাটাবেন। এভাবে ৪০ দিন অতিবাহিত হলে এক ব্যক্তি তাঁর সামনে কিছু খাবার ও পানীয় রেখে গেলে তিনি ছুঁলেন না এই কারণে যে, কেউ তাঁর মুখে নিজ হাতে খাবার তুলে দিলেই কেবল খাবেন। শেষমেশ বিখ্যাত সুফী হযরত আবু সাঈদ মখ্্রুমী (র) সেখানে গিয়ে তাঁর মুখে খাবার তুলে দিলে তিনি তা গ্রহণ করেন। এই মখ্্রুমী (র) তাঁকে খিলাফতনামা ও খির্কা প্রদান করেন। কাদিরীয়া তরিকার ইমাম হযরত আবদুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বলেন : দরস্তুল ইলমা হাত্তা সিরতু কুত্বান/ওয়া নিলতুস সাদা মিন মওয়াল মওআলীÑতাবত্ ইলম হাসিল করে কুতব হলাম আমি/মওলার দয়ার খোশনসিবে সফল হলাম আমি।

জানা যায়, গরিবে নওয়াজ সুলতানুল হিন্দ খাজা মঈনুদ্দীন চিশ্তী আজমিরী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বাগদাদ শরীফে গিয়ে তাঁর খিদমতে ৫৭ দিন অতিবাহিত করেন। অতঃপর গওসুল আজম (র) তাঁকে হিন্দুস্থানের বিলায়েত দান করেন। এতে বোঝা যায়, চিশতীয়া তরিকার ওপরও গওসুল আজমের তাওয়াজ্জুহ্ ও ফয়েয রয়েছে। আমাদের স্মরণ রাখতে হবে যে, তাসাওউফ শিক্ষা করার জন্য পীরের কাছে বায়’আত হয়ে মুরিদ হতে হবে। তবে সাবধান থাকতে হবে ভণ্ড পীরের খপ্পরে পড়ে যেন কেউ নিজের ইমান-আকিদা নষ্ট করে না দেয়। একসঙ্গে চার তরিকাতেই বায়’আত হওয়া যায় যদি সেই হক্কানী পীরের কোন হক্কানী পীর থেকে চার তরিকার খিলাফতনামা থাকে। কাদিরীয়া তরিকা ও অন্যান্য তরিকার মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই, তবে যিক্্র-আজকার ও মুরাকাবা-মুশাহিদার ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত সামান্য পার্থক্য রয়েছে।

এই তরিকায় দশ লতিফার স্থান নির্ধারণ রয়েছে এভাবে : বাম স্তনের দুই আঙ্গুুল নিচে কলেবর মকাম, ডান স্তনের দুই আঙ্গুল নিচে রুহের মকাম, বুকের মধ্যস্থলের নিচের শেষ প্রান্তে সিররের মকাম, মাথার মধ্যস্থলে আখ্ফার মকাম, নাভীতল মূলে নফসের মকাম এবং সমগ্র দেহে আব্ (পানি), আতশ (আগুন), খাক (মাটি) ও বাদ (বাতাস)- এর মকাম। কাদিরীয়া তরিকা রপ্ত করতে পারলে সহজে সুফী হওয়া যায়।

যায়ীম তরিকাতুল কাদিরীয়া বা কাদিরীয়া তরিকার পীর হিসেবে আফ্রিকার বহু দেশে আমন্ত্রিত হয়ে সফর করেছেন বর্তমান লেখক।

লেখক : পীর সাহেব, দ্বারিয়াপুর শরীফ